নিউজ ফ্ল্যাশ

আগের সংবাদ

করোনার চেয়েও নির্বাচন গুরুত্বপূর্ণ: সিইসি

পরের সংবাদ

সব হোটেল রেস্তোরায় ৫ শতাংশ ভ্যাট দাবি

প্রকাশিত: জুন ১২, ২০২১ , ৪:২১ অপরাহ্ণ আপডেট: জুন ১২, ২০২১ , ৪:২১ অপরাহ্ণ

সব হোটেল-রেস্তোরাঁর ভ্যাট ৫ শতাংশ করার দাবি জানিয়েছেন বাংলাদেশ রেস্তোরাঁ মালিক সমিতির নেতারা। এছাড়া তারা ভ্যাট দেয়ার জন্য এনবিআরের আলাদা ইউনিট, রেস্তোরাঁর জন্য ওয়ান স্টপ সার্ভিস সেন্টার স্থাপন ও শিল্পের মর্যাদা চেয়েছেন।

শনিবার (১২ জুন) সংগঠনের কার্যালয়ে আয়োজিত ২০২১-২২ অর্থবছরের বাজেট ঘোষণার পর সংবাদ সম্মেলনে সরকারের কাছে এসব দাবি তুলে ধরেন সংগঠনের মহাসচিব ইমরান হাসান। সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করা হয়, অনলাইনে খাবারের ব্যবসা ও ডেলিভারির কোনো সুনির্দিষ্ট নীতিমালা নেই। ফলে বর্তমানে তারা স্বেচ্ছাচারীভাবে ব্যবসা পরিচালনা করছে। এতে করে তারা হোটেল-রেস্তোরাঁ খাতকে ঝুঁকিতে ফেলছে।

সংবাদ সম্মেলনে আরো উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সভাপতি ওসমান গণি, নবাবী ভোজ রেস্টুরেন্টের মালিক লাবনী চৌধরী প্রমুখ।

ইমরান হাসান বলেন, চার ও পাঁচ তারকা হোটেল-রেস্তোরাঁর ভ্যাটের হার ১৫ শতাংশ, বিদেশি ফুড বিক্রির জন্য ৭ দশমিক ৫ শতাংশ, কর্মজীবী, শ্রমজীবী, দিনমজুরদের জন্য বাংলা ও স্ট্রিট ফুডের ভ্যাট ৩ থেকে ৫ শতাংশ, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ক্যান্টিনের ভ্যাট ২ শতাংশ করার দাবি জানাচ্ছি। এ খাত থেকে ভ্যাট আদায় শতভাগ নিশ্চিত করার জন্য সব প্রকার হোটেল-রেস্তোরাঁয় ইএফডি মেশিন স্থাপন করা হোক। যদিও এখনো অনেক হোটেল-রেস্তোরাঁয় ইএফডি মেশিন স্থাপন করা হয়নি। যেসব হোটেল-রেস্তোরাঁয় ইএফডি মেশিন স্থাপন করা হয়েছে সেসব হোটেলেই মামলা হচ্ছে। একই সঙ্গে তৃতীয়পক্ষের মাধ্যমে ভ্যাট আদায়ের নামে হয়রানি বন্ধ করতে হবে। ভ্যাট আদায়ে সব প্রকার জরিমানা ও অন্যান্য সার-চার্জ বাতিলের দাবি করেন।

ইমরান বলেন, রেস্তোরাঁর স্থান/স্থাপনার ভাড়ার ভ্যাট ৩ শতাংশ করা উচিত। হোটেল-রেস্তোরাঁ চলমান রাখতে মালিকদের চলতি মূলধন হিসেবে সর্বোচ্চ ৪ শতাংশ সুদে ১০ লাখ থেকে ১ কোটি টাকা পর্যন্ত এসএমই ঋণ দিতে সরকারের কাছে অনুরোধ করেন তিনি। হোটেল-রেস্তোরাঁ খাতকে পর্যটন শিল্পের প্রধান নিয়ামক শক্তি হিসেবে শিল্পের মর্যাদা দেওয়ার দাবি জানান তিনি।

ই-কমার্স প্রসঙ্গে হোটেল রেস্তোঁরা মালিকরা বলেন, চালু করা টেকওয়ে, পার্সেল ও অনলাইন ডেলিভারির ক্ষেত্রে বহিঃবিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে সর্বোচ্চ ১০ শতাংশ কমিশন করা ও একটি সুষ্ঠু নীতিমালা প্রণয়ন করে তাদের নিয়ন্ত্রণ করা দরকার। বর্তমানে তারা স্বেচ্ছাচারীভাবে ব্যবসা পরিচালনা করছেন। তা এই হোটেল-রেস্তোরাঁ খাতকে আরও ঝুঁকিতে ফেলছে।

এছাড়া হোটেল-রেস্তোরাঁ খাতকে চলমান রাখতে এসএমই খাত থেকে সর্বোচ্চ ৪ শতাংশ হারে জামানতবিহীন ১০ লাখ টাকা থেকে ১ কোটি টাকা পর্যন্ত ঋণ দেওয়া, পাশাপাশি বাংলাদেশ ব্যাংকের হোটেল-রেস্তোরাঁ খাতে লোন অনুমোদন দেওয়ার বিষয়ে নীতিমালা সংশোধনের দাবি জানানো হয়।

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়