করোনা উপসর্গ নিয়ে বিয়ের আয়োজন, গায়ে হলুদের দিন কনের মৃত্যু

আগের সংবাদ

নিউজ ফ্ল্যাশ

পরের সংবাদ

এবার চড়া মুরগির দাম

প্রকাশিত: জুন ১১, ২০২১ , ৩:৫৯ অপরাহ্ণ আপডেট: জুন ১১, ২০২১ , ৩:৫৯ অপরাহ্ণ

প্রতি সপ্তাহে কোনো না কোনো পণ্যের দাম বাড়বে। এ যেন রাজধানীর বাজারের চিরায়িত নিয়ম। তেল-পেঁয়াজের পর এবার চড়া মুরগি ও মাছের বাজার। এছাড়া আগের বাড়তি দামে বিক্রি হচ্ছে মাংস থেকে শুরু করে সব ধরণের সবজি। শুক্রবার (১১ জুন) রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।

বাজারে এক সপ্তাহের ব্যবধানে প্রতিকেজি ব্রয়লার মুরগির দাম বেড়েছে ১৫ থেকে ২০ টাকা। মুরগি ব্যবসায়ী আব্দুল ভোরের কাগজকে বলেন, গত শুক্রবারে ব্রয়লার মুরগি বিক্রি করেছি ১২০ টাকা কেজি দরে। পরে সোমবার পর্যন্ত ১১৫ থেকে ১২০ টাকায় ছিল। এরপর দাম হঠাৎ বেড়ে গেছে কেজিতে ১০ থেকে ২০ টাকা। আজকে ব্রয়লার বিক্রি করছি ১৩০ থেকে ১৩৫ টাকায়। সোনালিকা (কক) ২২০ থেকে ২৩০ টাকা, লেয়ার (লাল) ২২০ টাকা। শুক্রবার গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছে ৫৮০ থেকে ৬০০ টাকায় আর খাশির মাংসের কেজি ৮৫০ টাকা। প্রতিহালি লাল ডিম বিক্রি হচ্ছে ৩৫ টাকায়।

সবজি বিক্রেতারা বলছেন, সবজির দাম কোনো সময় এক রকম থাকে না। আড়তে মাল বেশি উঠলে ৫ থেকে ১০ টাকা কমে, আর যদি সরবারহ কম থাকে তাহলে দাম বেড়ে যায়। টমেটো ছিল ৪০ টাকা, এই সপ্তাহে ৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

বাজারে প্রতিকেজি ঝিঙে ও চিচিঙ্গা, ধুন্দল বিক্রি হচ্ছে ৫০ থেকে ৬০ টাকায়। কচুর লতি ও বরবটি বিক্রি হচ্ছে ৬০ টাকায়। ঢ্যাঁড়স ও পেঁপে ৪০ টাকায়, আলু ২৪ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। লাউ ও চালকুমড়া আকার ভেদে ৪০ থেকে ৬০ টাকায় বিক্রি করছেন ব্যবসায়ীরা। লেবুর হালি আকার ভেদে ১৫-২৪ টাকা। কাঁচামরিচ বিক্রি হচ্ছে কেজি ৭০ টাকা, ধনিয়া পাতা ও পুদিনা পাতা ১০০ থেকে ১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। পুঁইশাক, লাউশাক, কলমিশাক, ডাটাশাক, লালশাক ও পাটশাক আঁটিপ্রতি বিক্রি হচ্ছে ১০ থেকে ২০ টাকায়।

যাত্রাবাড়ীর মুদি দোকানি জামিল উদ্দিন জানান, তেলের দাম আগেই বেড়েছে। ওই দামেই বিক্রি হচ্ছে। প্রতিলিটার বোতলজাত সয়াবিন তেল এখন ১৫০ টাকায় বিক্রি করছি। খোলা সয়াবিন তেলের কেজি ১৩৫ টাকা আর পাঁচ লিটার বোতল বিক্রি করছি ৬৯০ টাকায়। চাল আগের দামেই বিক্রি হচ্ছে। মিনিকেট বিক্রি করছি ৫৮ টাকা, কাজল লতা ৫২ টাকা,পাইজাম ৫০ টাকা, নাজির ৬৫ টাকা। গত সপ্তাহে পেঁয়াজের কেজি ৫৫ টাকা ছিল, তার আগে ৬০ টাকা উঠেছিল। এখন ৫০ থেকে ৫২ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আদা-রসুন আগের দামেই বিক্রি হচ্ছে। আদা বিক্রি হচ্ছে ৯০ থেকে ১০০ টাকায়, আর দেশি রসুন ৭০ টাকা, আমদানি করা রসুন ১০০ টাকা।

সরবরাহ কমের অজুহাতে বাজারে বেড়েছে মাছের দাম। যাত্রাবাড়ীর মাছ ব্যবসায়ী করিম মিয়া বলেন, ঘাটে মাছের দাম চড়া। গত সপ্তাহে টেংরা বিক্রি করেছি ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা। আজকে বিক্রি করছি ৬০০ টাকা। বাইলা মাছও ৬০০ টাকা। বেশিরভাগ মাছের দামই বাড়তি।

এছাড়া বাজারে প্রতি কেজি রুই, কাতলা ৩০০-৩৫০ টাকা, তেলাপিয়া ১৪০-১৭০, আইড় ৪০০-৫০০ টাকা, মেনি মাছ ৩০০-৩৫০, বাইন মাছ ৪০০-৫০০ টাকা, গলদা চিংড়ি ৬০০-৮০০ টাকা, পুঁটি ৩৫০-৪০০ টাকা, পোয়া ৩০০-৪০০ টাকা, মলা ৩০০-৩৫০ টাকা, পাবদা ২৫০-৩৫০ টাকা, বোয়াল ৪০০-৫০০ টাকা, শিং ও দেশি মাগুর আকার ভেদে ৩০০-৬০০, শোল মাছ ৫০০-৬০০ টাকা, টাকি মাছ ৩৫০ টাকা, পাঙ্গাস ১৪০-১৬০ টাকা, চাষের কৈ ২৫০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়াও ৬০০ থে‌কে ৭০০ গ্রা‌মের ওজনের ইলিশ মাছ বি‌ক্রি হ‌চ্ছে ৬০০ থে‌কে ৭০০ টাকায়। বড় ইলিশের কেজি ১২শ থেকে ১৪শ টাকা।

রি-এআই/ইভূ

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়