নিউজ ফ্ল্যাশ

আগের সংবাদ

খেলার মাঠ ও উন্মুক্ত স্থানে ভবন নির্মাণ নয়: তাপস

পরের সংবাদ

সিংগাইরে ইউএনওর গুদামে নষ্ট হচ্ছে জরুরি ত্রাণসামগ্রী

প্রকাশিত: জুন ৯, ২০২১ , ৪:৩৪ অপরাহ্ণ আপডেট: জুন ৯, ২০২১ , ৪:৪১ অপরাহ্ণ

চলমান করোনা মহামারির সময়ে সরকার যখন দুস্থ-অসহায় মানুষের খাদ্য নিরাপত্তায় নানামুখী উদ্যোগ গ্রহণ করছেন, ঠিক তখনই মানিকগঞ্জের সিংগাইরে ইউএনওর গুদামে পচে নষ্ট হচ্ছে জরুরি ত্রাণসামগ্রী। ৩৩৩ নম্বরে ফোন দিয়েও অনেকেই খাদ্য সহায়তা পায়নি বলে অভিযোগ ওঠেছে।

এদিকে, উপজেলা নির্বাহী কর্মকতার (ইউএনও) গুদামে রাখা ১০০ প্যাকেট ত্রাণ সামগ্রীর মধ্যে ৯০ প্যাকেটই পচে নষ্ট হচ্ছে। একটি গোয়েন্দা সংস্থার অনুসন্ধানে এমন তথ্য বেরিয়ে এসেছে। প্যাকেটে থাকা আলু-পেঁয়াজ পচে গেছে। চাল, ডালও নষ্ট হওয়ার উপক্রম।

তথ্যানুযায়ী, ২০২১ সালের ৩ মে ১২১ নং স্মারকমূলে মানিকগঞ্জের সিংগাইর উপজেলার জন্য দুযোর্গকালীন জরুরি ত্রাণ সহায়তায় ১ লাখ টাকা বরাদ্দ হয়। ওই টাকায় ১’শ প্যাকেট ত্রাণ সামগ্রী কিনে ইউএনওর গ্যারেজ সংলগ্ন একটি কক্ষে গুদামজাত করে রাখা হয়। প্রতি প্যাকেটে ছিল ১০ কেজি চাল, ২ কেজি ডাল, ৫ কেজি আলু, ২ কেজি পেঁয়াজ, ১ কেজি লবণ, ১ কেজি চিনি ও ২ প্যাকেট সেমাই। এর মধ্যে ঈদের আগে মাত্র ১০ প্যাকেট বিতরণ করা হয়।

উপজেলার বিভিন্ন গ্রামের একাধিক দুস্থ ত্রাণ প্রত্যাশীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, সরকারি অফিসে ধর্ণা দিয়েও মেলেনি ত্রাণসামগ্রী।

বাস্তা গ্রামের চাঁন মিয়া ও আছর উদ্দিন অভিযোগ করে বলেন, গত ঈদের আগে ৩৩৩ নম্বরে একাধিকবার ফোন দিয়েও পাইনি কোনো খাদ্য সহায়তা। এছাড়া বেসরকারি দুইটি টিভি চ্যানেলেও ত্রাণ বঞ্চিত অসহায় পরিবার নিয়ে প্রতিবেদন প্রচারিত হয়।

উপজেলা মানবিক সহায়তা কর্মসূচি বাস্তবায়ন কমিটির সদস্য সচিব ও প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আবু নাসের বলেন, ওটাতো ইউএনওর বাসায় ছিল। আমি এ বিষয়ে কিছুই বলতে পারব না ।

এ ব্যাপারে সিংগাইর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুনা লায়লা বলেন, এমন তথ্য কে দিয়েছে। ১’শ প্যাকেটের মধ্যে ৫৪প্যাকেট বিতরণ করা হয়েছে। বাকি প্যাকেটের কিছু আলু পচে গেছে। সেগুলো কিনে বিতরণ করা হবে।

এসআর

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়