মানুষে করোনা : ইলিশে তাড়না

আগের সংবাদ

আর্থিক খাতে শৃঙ্খলা ফেরাতে হবে

পরের সংবাদ

বোমাবাজ দোরাইস্বামীর অসমাপ্ত মিশন

ড. এম এ মোমেন

সাবেক সরকারি চাকুরে, নন-ফিকশন ও কলাম লেখক

প্রকাশিত: জুন ৯, ২০২১ , ১২:১৩ পূর্বাহ্ণ আপডেট: জুন ৮, ২০২১ , ১১:১১ অপরাহ্ণ

দুজন দোরাইস্বামী-দোরাইস্বামী নাইডু এবং দোরাইস্বামী আয়েঙ্গারের কথা ১০ অক্টোবর ২০২০ ভোরের কাগজে প্রকাশিত হয়েছিল, উপলক্ষ ছিল সদ্যাগত হাইকমিশনার বিক্রম দোরাইস্বামী।
একজন খাঁটি বোমাবাজ দোরাইস্বামী বাদ পড়ে গেছেন, তাকে অন্তর্ভুক্ত করতেই এই রচনা। তিনি করোনা ভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াই করে করোনামুক্ত হয়ে হৃদরোগের কাছে বলি হলেন ২৬ মে ২০২১। ততদিনে তার তখন বয়স ১০৩ বছর পেরিয়ে গেছে।
তিনি হারোহাল্লি শ্রীনিবাসিয়া দোরাইস্বামী বটেন, তবে আধুনিক কেতায় দোরেসোয়ামী লিখে থাকেন। তিনি তার সমবয়সি এক বন্ধুর কাছ থেকে টাইম বোমা সংগ্রহ করতেন, সরকারি অফিস ও লেটার বক্সে বোমা স্থাপন করে বিস্ফোরণ ঘটাতেন। নিজের কাছেই প্রতিশ্রুতিবদ্ধ ছিলেন যেন জীবন ক্ষয় না ঘটে। বোমা বিস্ফোরণ ঘটানোর উদ্দেশ্য সরকারকে মানসিকভাবে দুর্বল ও অসহায় করে তোলা, স্বাভাবিক কাজকর্মের ব্যাঘাত ঘটানো, তাতে ব্রিটিশরা দ্রুত ভারত ছাড়বে। বোমা নিয়ে ছোটাছুটি করে জীবনটা ঝুঁকিপূর্ণ করে তুলতেন বলে নিকটজনের কাছে বোমাবাজ ছেলে হিসেবে চিহ্নিত হলেন। ১০৪ বছর বয়স স্পর্শ করেও দেখলেন, তার সেই মিশন অসমাপ্ত রয়ে গেছে।
বোমা সরবরাহকারী রামচন্দ্রন বোমাসহ পুলিশের হাতে ধরা পড়ে গেলেন। অসহ্য নির্যাতন থেকে রেহাই পেতে তিনি বোমা ব্যবহারকারী শ্রীনিবাসিয়ার নাম বলতে বাধ্য হলেন। তিনিই গ্রেপ্তার হলেন। বেঙ্গালুরু কেন্দ্রীয় কারাগারে শুরু হলো তার অনির্দিষ্টকালের বিনা বিচার বন্দি জীবন। তাকে আদালতে সোপর্দ করা হলো না। এর মধ্যে তার ভাই সীতারামও গ্রেপ্তার হয়ে জেলে এলেন।
তিনি জেল জীবনের সময়টা পড়াশোনা ও ভাষাশিক্ষায় ব্যয় করলেন। ২৬ মার্চ ১৯৪৪ তারিখে তার নেতৃত্বে কারাগারের ভেতর পূর্ণ স্বরাজ ঘোষণা উদযাপন করা হলো। গার্ড তাকে বেদম পেটায় এবং বিপজ্জনক বন্দি হিসেবে পৃথক রুমে আটকে রাখে এবং তাকে খাবার সরবরাহ বন্ধ করে দেয়। তার সৌভাগ্য ১৪ মাস কারাবাস করার পর ১৯৪৪ সালের গ্রীষ্মের এক সকালে জানলেন সরকার সদয় হয়েছে, আরো কিছুসংখ্যক রাজনৈতিক কয়েদির সঙ্গে তাকেও মুক্তি দেয়া হচ্ছে।
তার জন্ম মহিশুর রাজ্যের হারোহাল্লি গ্রামে ১০ এপ্রিল ১৯১৮। ৫ বছর বয়স না হতেই তার বাবা ও মা উভয়েরই মৃত্যু হয়। পিতামহ তার লালন-পালনের দায়িত্ব নেন। তিনি নিয়মিত ছাত্র হিসেবেই সেন্ট্রাল কলেজ অব বেঙ্গালুরু থেকে বিজ্ঞানে স্নাতক ডিগ্রি নিয়ে ১৯৪২ সালে একটি হাইস্কুলে গণিত ও পদার্থবিজ্ঞানের শিক্ষক হিসেবে যোগদান করেন। চার মাস না যেতেই তিনি যোগ দিলেন ব্রিটিশ খেদানোর কুইট ইন্ডিয়া মুভমেন্টে। তার বড় ভাই সীতারাম রাজনীতিতে সক্রিয় রইলেন পরে স্বাধীন ভারতে বেঙ্গালুরুর মেয়র হয়েছিলেন।
জেল থেকে ছাড়া পেয়ে বেঙ্গালুরুর সাহিত্য মন্দির নামে একটি বইয়ের দোকান খুললেন। ব্যবসা জমল না। মৃত্যু শয্যাশায়ী এক বন্ধুর অনুরোধে মহিশুর চলে এলেন এবং তার একটি লোকসানি সংবাদপত্র পৌরবাণী চালানোর দায়িত্ব নেন। এখানেই তার সাংবাদিক জীবনের সূচনা। ১৯৪৭-এ ভারত বিভাজন ও সংহতকরণের প্রক্রিয়া যুগপৎ চলছিল। পাকিস্তান ভিন্ন রাষ্ট্র হলো। মহিশুরের মহারাজা ভারতের সঙ্গে অঙ্গীভূত হতে রাজি ছিলেন না। কিন্তু তাকে চাপে ফেলে সম্মত করাতে তিনি ‘মহিশুর চলো’ আন্দোলন শুরু করলেন এবং সফলকামও হলেন। তার পৌরবাণী পত্রিকা অফিসে আর কে নারায়ণ এবং কে এস নরসিংহস্বামীর মতো লেখকরা আড্ডা দিতে আসতেন।
১৯৫০-এর দশকে আচার্য বিনোবা ভাবের ডাকে ভূদান আন্দোলনে সক্রিয় হয়ে উঠেন। এটি একটি ব্যতিক্রমী ভূমি সংস্কার কর্মসূচি। তাতে বলা হয় আপনার যদি ৪টি সন্তান থাকে আপনি ৫টিকেও খাইয়ে বাঁচাতে পারবেন। সুতরাং সেই সব সন্তানের জন্য এক-চতুর্থাংশ জমি দান করুন। গ্রামীণ ভারতে এর ভালো সাড়া পড়লেও শহরাঞ্চলের মানুষ এ ব্যাপারে নিস্পৃহ রয়ে যায়। দীর্ঘ জীবন পেরিয়ে ১৯৭৫ যখন দেখলেন জরুরি অবস্থা জারি করে ইন্দিরা গান্ধী স্বৈরাচারী হয়ে উঠছেন তিনি তাকে চিঠি লিখলেন, একনায়কসুলভ আচরণ বন্ধ না করলে তিনি তার বিরুদ্ধে উত্তেজনা ছড়াতে শুরু করবেন। এই চিঠির সূত্র ধরে তাকে ৪ মাস জেলবন্দি করে রাখা হয়। তারপর তিনি শুরু করলেন ‘ইন্ডিয়া এগেইনস্ট করাপশন’ আন্দোলন। ২০১৮ সালে শততম জন্মবার্ষিকীতে ‘স্বৈরাচারী প্রধানমন্ত্রী’ নরেন্দ্র মোদিকে অপসারণের আন্দোলন শুরুর ঘোষণা দেন। ১০২তম জন্মবার্ষিকীতে আফসোস করেছেন মানুষের মধ্যে সমতা সৃষ্টি অঙ্গীকার নিয়ে তিনি স্বাধীনতা আন্দোলন করেছিলেন, সেই মিশন অসম্পূর্ণ রয়ে গেলেন।
বিভিন্ন আমলে সরকারি মহল থেকে তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন ধরনের অপপ্রচার চালানো হয়েছে। বিজেপি তার বিরুদ্ধে বিষোদগার করছেÑ এই মানুষটি আসলে পাকিস্তানের এজেন্ট এবং ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা। কংগ্রেস তাকে বলেছে রাষ্ট্রবিরোধী। তিনি হিন্দু মৌলবাদের আইনকন ভি ডি সাভারকরের নিন্দা করেছেন।
তিনি বললেন, নাগরিকত্ব রেজিস্ট্রেশনের নামে যা হচ্ছে তার নাম ‘দলিলীকরণ স্বৈরাচার’Ñ এসব জাতিকে বিভক্ত করার হাতিয়ার। ‘আমি দেশভাগের সাক্ষী। পাকিস্তান মুসলমানদের দেশ হয়ে গেল আমরা রয়ে গেলাম ধর্মনিরপেক্ষ। কর্নাটক থেকে হাতেগোনা কয়েকটি পরিবার মাত্র পাকিস্তানে হিজরত করল। অধিকাংশ মুসলমান ভারতকে তাদের দেশ মনে করে ভারতীয় হয়ে থাকার জন্য ভারতেই রয়ে গেল। এত বছর পর তাদের কাছে নাগরিকত্ব সনদ চাওয়া অন্যায়।’ তিনি মনে করেন ধর্মভিত্তিক বিভাজন সৃষ্টি করে বিজেপি যা করছে তা ভারতীয় সংস্কৃতিবিরোধী কাজ, তাতে নৈরাজ্যই বাড়বে।
শতবর্ষ পার করে তিনি ক্ষুব্ধকণ্ঠে বললেন, ভারতের দুর্ভাগ্য আমরা এমন সব লোককে নির্বাচিত করেছি যারা ভারতের ইতিহাস জানে না। তাদের ইতিহাস জানাতে হবে।
তিনি আন্দোলনে নিজের জড়িয়ে পড়ার কাহিনী বললেন, সে সময় তিনটি কাপড়ের মিলে ব্রিটিশ এয়ারফোর্সের জন্য প্যারাসুটের কাপড় তৈরি হতো। তিনটিই তার টার্গেটে পরিণত হলো। তিনি তার বিশ^স্ত বিপ্লবীদের সহায়তা সরকারি দপ্তরের রেকর্ড রুমে টাইম বোমা পাতাতেন, এখানে বিস্ফোরণের দলিরপত্রের ক্ষতি অনেক বেশি হতো কিন্তু কেউ হতাহত হতো না।
তিনি বললেন, তার জীবনটা খোলা বইয়ের মতো, সবই স্পষ্ট ও স্বচ্ছ। ১৯৪৭-এর দেশভাগের পর নিজেকে কংগ্রেস থেকে সরিয়ে নিলেন, সামাজিক বৈষম্য ও রাজনৈতিক দুরাচারের বিরুদ্ধে কখনো সম্মিলিতভাবে কখনো এককভাবে আন্দোলনের ডাক দিতেন। বরাবরই সরকারের বিরুদ্ধে ছিলেন এবং মনে করতেন সরকারের হাতে তিনি যত নির্যাতিতই হোন না কেন শেষ পর্যন্ত অনেক বেশিসংখ্যক মানুষ এতে উপকৃত হয়। মৃত্যুর অল্পকাল আগেও বললেন, মোদি সরকার নতুন সংকট সৃষ্টি করে প্রকৃত সংকটকে আড়াল করে রাখার খেলায় মেতেছে, আমাকে অসহযোগ আন্দোলনের ডাক দিতে হবে।
কর্নাটকে ভূমিহীনদের ভূমি লাভের অধিকার ও লাঙল যার জমি তার আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়েছেন। নিউক্লিয়ার প্ল্যান্ট স্থাপনের বিরোধিতা করেছেন; নক্সালিদের মূল ধারায় ফিরিয়ে আনতে উদ্যোগী হয়েছেন। ‘আমি কোনো রাজনৈতিক দলের লোক নই, আমার নিজস্ব রাজনীতি রয়েছে।’
তিনি মোহনদাস করমচাঁদ গান্ধীর অহিংস অসহযোগ আন্দোলনকে যেমন গ্রহণ করেছেন, শক্তি প্রয়োগ করে হলেও কৃষক ও মজুরের অধিকার আদায়ের ইঙ্গিত করেছেন।
গান্ধীর হত্যাকাণ্ডের এক সপ্তাহ আগে তিনি ঘাতক নাথুরাম গডসেকে বেঙ্গালুরু দেখেছেন। সে সময় আরএসএস সম্মেলনে যোগ দিতে নাথুরাম এখানে এসেছিলেন এবং আরএসএস সদস্য বাসুদেব মূর্তির বাড়িতে অবস্থান করছিলেন। তার কথায় সরকারের গুরুত্বপূর্ণ লোকজন তার ওপর অসন্তুষ্ট হয়েছেন। তারা রাজনৈতিক লাভের জন্য গান্ধীকে চান আবার গান্ধী হত্যায় তাদের কোনো ভূমিকা নেই, এটা প্রমাণ করতে নিজেকে নাথুরাম গডসে থেকে দূরে রাখেন। প্রকৃতপক্ষে নাথুরামের মাধ্যমে তারাই ঘাতক। উত্তরকালের বীর সাভারকর সম্পর্কে তিনি নেতিবাচক মত পোষণ করেন। সাভারকর ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামে অসামান্য ভূমিকা রেখেছেন। বিপ্লবীদের জন্য তিনি ইংল্যান্ড থেকে অন্তত কুড়িটি রাইফেল এনে দিয়েছেন। তিনি আন্দোলনে দ্বীপান্তরিত হয়েছিলেন। কিন্তু তিন বছরের মধ্যেই কী এমন ঘটল তিনি ব্রিটিশ সরকারের কাছে দস্তখত দিয়ে দ্বীপান্তর থেকে মুক্তি পেলেন, ভুলে গেলেন তার সংগ্রামী প্রতিশ্রুতি এবং চরম প্রতিক্রিয়াশীল রাষ্ট্রীয় সেবক সংঘ গড়ে তুললেনÑ এ নিয়ে বস্তুনিষ্ঠ গবেষণা হওয়া প্রয়োজন।
২০ এপ্রিল ২০২১ মৃত্যুর এক মাস আগে হেরাল্ড ডেকানকে দেয়া সাক্ষাৎকারে এই বিপ্লবী বলেছেন, কোনো ডায়েট কিংবা ফিটনেস রুটিন নয় ১০৩ বছর পেরিয়েও তাকে শক্ত রেখেছে যে শক্তি তা হচ্ছে যে কোনো অন্যায়ের বিরুদ্ধে লড়াই করার ইচ্ছে। তবে দুর্ভাগ্যবশত ২০২১ সালে বয়স তার শরীর ও মনের ওপর প্রভাব ফেলতে শুরু করেছে বলে তিনি মনে করছেন। সঙ্গে যোগ হয়েছে বিশ^ব্যাধি করোনাভাইরাস, তিনি ফুসফুসে চাপ অনুভব করছেন, তবুও বলছেন দুশ্চিন্তার কোনো কারণ নেই।
তিনি বললেন, কোভিডের খারাপ দিক হচ্ছে রোগটি মানুষকে আরো স্বার্থপর করে তুলেছে, মানুষ অন্যের কথা ভাবছে না। আমি দেখতে পাচ্ছিÑ বন্ধু ও আত্মীয়রা পরস্পরের খোঁজ নিচ্ছে না। কেবল নিজের টিকে থাকাটা মুখ্য হয়ে উঠেছে। মহামারিতে এমন পরিস্থিতি হতে পারে, কিন্তু আমি আতঙ্কিত যে এই দুঃসময়ের অবসান ঘটলেও মানুষের স্বার্থপর আচরণ রয়েই যাবে। ভারতের কোভিড ব্যবস্থা নিয়ে ভীষণ অসন্তুষ্ট তিনি, তারা কেবল পরিহাসই করে যাচ্ছে। তারা কী করতে যাচ্ছে কেন্দ্রীয় সরকার কিংবা রাজ্য সরকার কারো কর্মকাণ্ডে কোনো স্বচ্ছতা নেই। পিএম কেয়ার্স ফান্ড হচ্ছে সবচেয়ে রহস্যজনকÑ কেউ জানেন না এই টাকা কোথায় যাচ্ছে। রাজনীতিবিদরা কোভিডকে তাদের ব্যক্তিগত মুনাফার হাতিয়ারে পরিণত করেছে। সরকার সুযোগ পেলেই দেশদ্রোহিতার আইন প্রয়োগ করছে। তাদের বিরুদ্ধে যে কোনো কণ্ঠস্বর রোধ করার এটাই হাতিয়ারে পরিণত হয়েছেÑ এটা নৈতিক ও রাজনৈতিকভাবে মারাত্মক অন্যায়। নিজ দেশের গণতন্ত্র ও নির্বাচন নিয়ে তিনি বললেন, পৃথিবীর বৃহত্তম গণতান্ত্রিক দেশ বলে দাবি করার যোগ্যতা আমরা হারিয়েছে। আমাদের নির্বাচন হচ্ছে কৌতুক, বিজেপি যা করছে পশ্চিমবঙ্গে তা হচ্ছে হীন প্রতিশোধপরায়ণা; নির্বাচন কমিশন ক্ষমতাসীন দলের পকেট। তাহলে ভবিষ্যৎ কী? তিনি মনে করছেন একনায়ক স্বৈরশাসনে মানুষের শ^াসরুদ্ধ হয়ে আসছে সরকার ও দেশের অবস্থা আরো খারাপ হবেÑ বিপ্লবই ভারতের ভবিষ্যৎ।
১৯৪৭-এর ১৫ আগস্ট মধ্যরাতে যখন পৃথিবী ঘুমিয়ে ছিল ভারত নবজীবন ও স্বাধীনতা নিয়ে জেগে উঠে, ২৮ বছর বয়সি হারোহাল্লি শ্রীনিবাসিয়া স্বপ্ন দেখেছিলেন দারিদ্র্য ও বৈষম্যের শেকলমুক্ত একটি দেশ যেখানে সততা থাকবে, কঠোর পরিশ্রম থাকবে, মানুষের জন্য মমত্ববোধসম্পন্ন নাগরিকের বাস থাকবে। কিন্তু দরিদ্র হয়েছে দরিদ্রতর, ধনী হয়েছে আরো ধনবান। সংবিধানের মূল কাঠামোর ওপর আঘাত এসেছে। বিরাজমান আইনকে নিজের পক্ষে বাকিয়ে রাজনীতিবিদ নিজেকে সুরক্ষিত রাখছে। বিনা আলোচনায় নতুন আইন পাস করিয়ে রাজনৈতিক স্বার্থ হাসিল করছে। মোদির কোনো ভালো দিক নেই? আছে। নিজের কোনো আত্মীয়কে রাজনীতিতে আনেননি।

ড. এম এ মোমেন : সাবেক সরকারি চাকুরে, নন-ফিকশন ও কলাম লেখক।

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়