কলেজছাত্রীকে নিয়ে লাপাত্তা ছাত্রলীগ সভাপতি

আগের সংবাদ

বিদেশি মেডিকেল শিক্ষার্থীদের জন্য সীমান্ত খুলে দিল বাংলাদেশ

পরের সংবাদ

চৌগাছায় এমপির অনুষ্ঠানে যাননি উপজেলা আ.লীগ সভাপতি-সম্পাদক

প্রকাশিত: জুন ৯, ২০২১ , ১০:৫২ অপরাহ্ণ আপডেট: জুন ৯, ২০২১ , ১০:৫৩ অপরাহ্ণ

যশোরের চৌগাছায় এমপির মত বিনিময় সভায় যোগ দেননি উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সম্পাদক। বুধবার (৯ জুন) উপজেলার ১নং ফুলসারা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের ব্যানারে এই মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। তবে সেখানে উপস্থিত ছিলেন না উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি, বীর মুক্তিযোদ্ধা এস এম হাবিবুর রহমান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও চেয়ারম্যান মেহেদী মাসুদ চৌধুরী।

সভায় স্থানীয় সংসদ সদস্য ও বীর মুক্তিযোদ্ধা মেজর জেনারেল (অব) অধ্যাপক ডা. নাসির উদ্দিন প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তৃতা করেন। তবে সভা শেষ হওয়ার ৪০ মিনিটের ব্যববধানে দুইটি স্ট্যাটাস দেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মেহেদী মাসুদ চৌধুরী।

অনুষ্ঠানের সভাপতিসহ উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য আব্দুস সাত্তার, সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুল মান্নান, ইউপি সদস্য কাশেম বক্তব্যে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও এই ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মেহেদী মাসুদ চৌধুরীর বিরুদ্ধে বিভিন্ন দুর্নীতি তুলে ধরেন। বক্তারা বলেন, ইউনিয়নের মানুষের কল্যাণে অ্যাম্বুলেন্স কেনার নামে বিভিন্ন জায়গা থেকে প্রায় সাড়ে ৮ লাখ টাকা উঠিয়ে আত্মসাৎ করেছেন মাসুদ চৌধুরী। এছাড়াও সরকারি ঘর দেওয়ার নাম করে টাকা নেওয়া, রাস্তা করে দেওয়ার কথা বলে টাকা নেয়াসহ বিভিন্ন অভিযোগে অভিযুক্ত করেন উপজেলা আওয়ামী লীগের এই সাধারণ সম্পাদককে।

প্রধান অতিথি নাসির উদ্দিন তার বক্তৃতায় বলেন, আগামী নির্বাচনে আপনাদের সঠিক নেতৃত্ব বেছে নিতে হবে। আশা করি, এই ইউনিয়নে আপনারা সঠিক নেতৃত্ব বেছে নেবেন। তা না হলে আপনারাই ভোগান্তিতে পড়বেন। আপনারা ১০ কেজি চাল, ৩০ কেজি চাল, বয়স্ক ভাতা, বিধবা ভাতা ঠিকমত পান না। যারা পান তাদের বিভিন্ন উৎকোচের বিনিময়ে পান। অনেকেই হয়তো মনে করেন, ৭ হাজার টাকা পায়, ২ হাজার টাকা উৎকোচ দিলেও তো ৫ হাজার টাকা আমি পাচ্ছি। এগুলো আপনারা মেনে নেবেন না। তিনি রাস্তা করার নামে, যাদের জমি আছে ঘর নেই, তাদের ঘর দেওয়ার নামে অর্থ বাণিজ্যের সমালোচনা করে সরকারের বিভিন্ন উন্নয়নের বর্ণনা দেন।

এদিকে, মতবিনিময় সভা শেষ হওয়ার পর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মেহেদী মাসুদ চৌধুরী নিজের ফেসবুকে ৪০ মিনিটের ব্যবধানে ২টি স্ট্যাটাস দেন। প্রথম স্ট্যাটাসে তিনি লেখেন, আসসালামু আলাইকুম, প্রাণপ্রিয় ইউনিয়নবাসী, আমার ইউনিয়নের সার্বিক উন্নয়নে যিনি দাবি করলেন কোন রকম উন্নয়নমূলক কাজ করিনি এর একটা প্রমাণ দিলে রাজনীতি থেকে বিদায় নিবো। বক্তারা যা বলেছেন, সেই বক্তব্যের বিচার প্রিয় ইউনিয়নবাসীর উপর ছেড়ে দিলাম।

এরপর অন্য একটি স্ট্যাটাসে তিনি জানতে চেয়েছেন, সমস্ত অর্থ বরাদ্দ, ২০১৭-১৭ অর্থ বছর। এরপর আরেকটি স্ট্যাটাসে তিনি বলেন, আমার স্কুল ভবনের কাজ কবে শুরু?

এসআর

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়