হেফাজতের আরও ৪৬ নেতাকর্মীর ব্যাংক হিসাব তলব

আগের সংবাদ

দ্বিতীয় মেয়াদে জাতিসংঘের মহাসচিব হচ্ছেন গুতেরেস

পরের সংবাদ

আই ডু নট ডেয়ার এনিবডি

প্রকাশিত: জুন ৯, ২০২১ , ৮:৩০ পূর্বাহ্ণ আপডেট: জুন ৯, ২০২১ , ৮:৩২ পূর্বাহ্ণ

পরাধীন ব্রিটিশ ভারত থেকে পাকিস্তানের কালো অধ্যায় পেরিয়ে জন্ম হয় বাংলাদেশ নামক স্বাধীন রাষ্ট্রের। এই মহান অর্জনের সঙ্গে জড়িয়ে আছে ইতিহাসের মোড় ঘোরানো নানা ঘটনা, যার কারিগর হিসেবে কেউ আখ্যায়িত হয়েছেন নায়কের অভিধায়; কেউবা আবির্ভূত হয়েছেন খলনায়কের চরিত্রে। ইতিহাসের বাঁকে বাঁকে সেসব ঘটনা ও তার নায়ক-খলনায়কদের কার কি ভূমিকা, তাই নিয়েই অধ্যাপক আবু সাইয়িদের গ্রন্থ ‘যেভাবে স্বাধীনতা পেলাম’। সম্প্রতি ভোরের কাগজ প্রকাশন থেকে বের হয়েছে বইটি। এ বই থেকে ধারাবাহিকভাবে প্রতিদিন কিছু অংশ তুলে ধরা হচ্ছে ভোরের কাগজের পাঠকদের জন্য।

পূর্ব বাংলার জনগণ একটানা দুর্ভিক্ষ, মুসলিম লীগ নেতা, মন্ত্রী, আমলাদের দেশ পরিচালনায় ব্যর্থতা এবং চরম দুঃশাসন থেকে মুক্তি চেয়েছিল।

১৯৪৬ সালে নির্বাচিত সদস্যগণ ১৯৪৭ সালের ১৪ আগস্ট পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার পর পূর্ববঙ্গ ব্যবস্থাপক সভার সদস্য হিসেবে কাজ করতে থাকেন। ১৯৫১ সালে এই নির্বাচিত সদস্যদের মেয়াদ শেষ হয়ে যায়। কিন্তু পাকিস্তান সরকার বিভিন্ন অজুহাত দেখিয়ে পূর্ববঙ্গে নির্বাচন পিছিয়ে দেয়। আন্দোলনের চাপে ১৯৫৪ সালের ৮ মার্চ পূর্ব বাংলা প্রাদেশিক পরিষদ নির্বাচনের দিন ধার্য করা হয়। মুসলিম লীগ এই নির্বাচনে জয়লাভের জন্য বহুমুখী কর্মপন্থা গ্রহণ করে এবং ব্যাপক নির্বাচনী তৎপরতা চালায়।

মুসলিম লীগকে নির্বাচনে মোকাবিলা করার জন্য গঠিত হয় যুক্তফ্রন্ট। ১৯৫৩ সালের ১৬ নভেম্বর তারিখে সমাপ্ত আওয়ামী মুসলিম লীগের দ্বিতীয় কাউন্সিল অধিবেশনে সমমনা ও গণতান্ত্রিক দলসমূহকে নিয়ে একটি ফ্রন্ট গঠনের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছিল। ১৯৫৩ সালের ১৮ নভেম্বর আওয়ামী মুসলিম লীগের উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত হয় গণবিরোধী মূলনীতি

প্রতিরোধ কমিটি। এই কমিটিতে আওয়ামী মুসলিম লীগ, খিলাফাতে রাব্বানী পার্টি, গণতন্ত্রী পার্টি, কমিউনিস্ট পার্টি, কৃষক শ্রমিক পার্টি, ছাত্রলীগ, যুবলীগ, ছাত্র ইউনিয়ন প্রভৃতি দল ও সংগঠনের প্রতিনিধি ছিল। এই কমিটির আহ্বায়ক নিযুক্ত হন আওয়ামী মুসলিম লীগের সভাপতি মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী।

যুক্তফ্রন্ট গঠনের ক্ষেত্রে এই সর্বদলীয় মূলনীতি প্রতিরোধ কমিটি একটি বিশেষ ভূমিকা পালন করেছিল। ১৯৫৩ সালের ডিসেম্বর মাসের প্রথম সপ্তাহে মওলানা ভাসানী ও ফজলুল হকের মধ্যে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে যুক্তফ্রন্ট গঠনের সিদ্ধাস্ত হয়। পাকিস্তান আওয়ামী মুসলিম লীগের সভাপতি হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী এই ফ্রন্ট গঠনে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন। পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী মুসলিম লীগ ও কৃষক শ্রমিক পার্টি ছাড়াও মুসলিম লীগবিরোধী এই প্রক্রিয়ায় শরিক হয় গণতন্ত্রী দল ও নেজামে ইসলাম পার্টি। মুসলিম লীগ চক্রকে মোকাবিলার কৌশলগত কারণে কমিউনিস্ট পার্টিকে ফ্রন্টে নেয়া হয়নি। তবে যেসব অঞ্চলে শক্তিশালী কমিউনিস্ট নেতারা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন, ওইসব অঞ্চলে যুক্তফ্রন্ট কোনো প্রার্থী দেয়নি।

১৯৫৪ সালের যুক্তফ্রন্ট নির্বাচনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো ফ্রন্টের পক্ষ থেকে পূর্ব বাংলার মানুষের সামনে একুশ দফা কর্মসূচি পেশ। ১৯৫৩ সালের ১১ ডিসেম্বর ময়মনসিংহে অনুষ্ঠিত আওয়ামী মুসলিম লীগের বিশেষ কাউন্সিল অধিবেশনে এই একুশ দফা কর্মসূচি চূড়ান্ত করা হয়। এই একুশ দফা রচনার ব্যাপারে মুখ্য ভূমিকা পালন করেছিলেন আবুল মনসুর আহমদ। তিনি তখন আওয়ামী মুসলিম লীগের সহসভাপতি। পরে এ কর্মসূচি যুক্তফ্রন্টের কর্মসূচিতে পরিণত হয়। যুক্তফ্রন্ট ‘নৌকা’ প্রতীক নিয়ে একুশ দফা কর্মসূচির ভিত্তিতে নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করে।

যুক্তফ্রন্টের একুশ দফা কর্মসূচি বিশ্লেষণ করলে এটা স্পষ্টভাবে প্রতীয়মান হয় যে, এতে পূর্ব বাংলার মানুষের সামগ্রিক দাবিসমূহ তথা আর্থসামাজিক উন্নয়ন, ভাষা, সংস্কৃতি, সাহিত্য, ইতিহাস ও ঐতিহ্য সংরক্ষণ, সীমাহীন দারিদ্র্য দূরীকরণ, পাকিস্তানিদের শাসন-শোষণের অবসান প্রভৃতি নির্দেশিত হয়েছে।

উপরন্তু ১৯৪৭ সাল থেকে চলে আসা পাকিস্তানিদের দমন-পীড়ন তাদের প্রবর্তিত কালাকানুন এবং বাঙালি জাতির বিরুদ্ধে অব্যাহত ষড়যন্ত্রের মোকাবিলায় একুশ দফায় বর্ণিত পদক্ষেপগুলো ছিল আশু করণীয় বিষয়। পূর্ব বাংলার জনগণ একটানা দুর্ভিক্ষ, মুসলিম লীগ নেতা, মন্ত্রী, আমলাদের দেশ পরিচালনায় ব্যর্থতা এবং চরম দুঃশাসন থেকে মুক্তি চেয়েছিল। একুশ দফার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো পূর্ব বাংলার স্বায়ত্তশাসনের জন্য একটি সুনির্দিষ্ট কাঠামোর উপস্থাপন। গণতান্ত্রিকভাবে ক্ষমতার হস্তান্তর, স্বাধীন ও নিরপেক্ষ নির্বাচন কমিশন, আইন পরিষদের মেয়াদকাল শেষ হওয়ার আগে মন্ত্রিসভার পদত্যাগ প্রভৃতি দাবির মধ্য দিয়ে পূর্ব বাংলায় একটি সুষ্ঠু ও পরিচ্ছন্ন রাজনৈতিক ধারা সৃষ্টির অঙ্গীকার ব্যক্ত হয়। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ছিল লাহোর প্রস্তাবের ভিত্তিতে স্বায়ত্তশাসনের দাবি।

যুক্তফ্রন্ট নির্বাচনে মওলানা ভাসানী, হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী, শেরেবাংলা এ কে ফজলুল হক, শেখ মুুজিবুর রহমান প্রমুখ নেতা সারা বাংলার গ্রাম-গ্রামান্তরে ঘুরে একুশ দফার প্রশ্নে জনগণকে সচেতন করে তোলেন।

এই নির্বাচনে জয়লাভের জন্য মুসলিম লীগ সর্বশক্তি নিয়োগ করে। মুসলিম লীগ নেতৃত্ব জনগণের দাবিসমূহ পূরণের জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হয়। তাদের নির্বাচনী প্রচারণায় পাকিস্তানের সংহতি, ধর্মীয় স্লোগান এবং ভারত বিরোধিতা প্রাধান্য পায়। মুসলিম লীগ সরকার পুলিশ প্রশাসন, সরকারি যানবাহন, রেডিও প্রভৃতি অবাধে ব্যবহার করে।

পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী ঢাকায় এসে দুই সপ্তাহের বেশি সময় অবস্থান করে মুসলিম লীগের পক্ষে নির্বাচনী প্রচারণা চালান। মুসলিম লীগ একটানা ভারতবিরোধী স্লোগান তুলে পুরো রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে জটিল করে তোলে। নির্বাচনে যুক্তফ্রন্ট বিজয়ী হলে বাংলা ভারতের অংশ হবেÑ এসব বিভ্রান্তিকর প্রচার চালায়।

কিন্তু হক-ভাসানী-সোহরাওয়ার্দী-মুজিবের যোগ্য নেতৃত্ব, আওয়ামী মুসলিম লীগ ও অন্যান্য দলের কর্মবাহিনীর আত্মত্যাগ, দৃঢ়তা, ব্যাপক গণসংযোগ, নেতৃত্বের সততা এবং জনগণের প্রতি সত্যিকার আন্তরিকতার কারণে মুসলিম লীগের ষড়যন্ত্র সম্পূর্ণ ব্যর্থতায় পর্যবসিত হয়।

১৯৫৪ সালের নির্বাচনে পূর্ববঙ্গ আইন সভার মোট আসন সংখ্যা ছিল ৩০৯ (স্পিকারসহ ৩১০)। পৃথক নির্বাচন পদ্ধতির আওতায় মুসলিম আসন সংখ্যা ছিল ২৩৭ এবং অমুসলিম আসন সংখ্যা ছিল ৭২। ৮ মার্চ অনুষ্ঠিত নির্বাচনের সম্পূর্ণ ফলাফল সরকারিভাবে ঘোষিত হয় ২ এপ্রিল। নির্বাচনে যুক্তফ্রন্ট নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে এবং মুসলিম লীগের ভরাডুবি ঘটে।

পাকিস্তানের তদানীন্তন প্রধানমন্ত্রী বগুড়ার মোহাম্মদ আলীর হুংকার গভর্নর জেনারেল গোলাম মোহাম্মদের চক্রান্ত নাজিমু্িদ্দন-নুরুল আমিনের শত প্রয়াস, কূটকৌশল, ইসলাম, মুসলমান, ভারত বিরোধিতা, পাকিস্তান রক্ষা ও জাতীয় সংহতির দোহাই-এর নিপুণ প্রতারণা, মৌলবাদের ফতোয়া অধিকারহারা বাঙালির ঐক্যবদ্ধ গণজোয়ারের সামনে ভেসে গেল।

বাঙালি জাতির আত্ম-উদ্বোধন ঘটল। আত্মশক্তি আর আত্মপ্রতিষ্ঠার প্রত্যয় ফিরে পেল। নির্বাচনের রায়ে বাঙালি দ্ব্যর্থহীনভাবে তার গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠার, পূর্ববঙ্গের পূর্ণ স্বায়ত্তশাসন, দেশরক্ষায় পূর্ববঙ্গের আঞ্চলিক বাহিনী গঠন, নৌবাহিনীর হেড কোয়ার্টার ও অর্ডিন্যান্স ফ্যাক্টরি স্থাপন, বৈষম্য অবসান, বাংলাকে রাষ্ট্র ভাষার মর্যাদা দানের প্রত্যয় ঘোষিত হলো। মানুষের দ্ব্যর্থহীন রায় ছিল : পূর্ববঙ্গকে পশ্চিম পাকিস্তানের কলোনিতে পরিণত করা চলবে না।

যুক্তফ্রন্টের এই ঐতিহাসিক বিজয়কে বানচাল করার জন্য কেন্দ্রের ষড়যন্ত্রের কথা বহুমাত্রিক। ১৯৫৪ সালের ১৫ মে শেখ মুজিব যেদিন মন্ত্রিসভায় শপথ নিচ্ছেন, সেদিনই পূর্ববঙ্গের পাঞ্জাবি ও অবাঙালি শাসকগোষ্ঠী এবং আদমজী মিলের অবাঙালি কর্তৃপক্ষ অত্যন্ত সুপরিকল্পিতভাবে আদমজী জুট মিলে বাঙালি ও অবাঙালি শ্রমিকদের মধ্যে দাঙ্গা বাধাতে সমর্থ হয়। দাঙ্গায় শতাধিক বাঙালি শ্রমিক নিহত হন। শত শত নারী-শিশু আহত হয়। কেন্দ্রীয় সরকার এ দাঙ্গার জন্য এক শ্রেণির দেশদ্রোহীদের দায়ী করল।

কেন্দ্রীয় মুসলিম লীগ জিগির তুলল যুক্তফ্রন্ট মন্ত্রিসভা ভেঙে দাও। তারা জনগণের নিরাপত্তায় অক্ষম। চারদিকে ষড়যন্ত্রের জাল বিস্তার করা হচ্ছিল। শেরেবাংলা ফজলুল হকের কলকাতা সফরকে উপলক্ষ করে ৩০ মে জাতির উদ্দেশে এক বেতার ভাষণে প্রধানমন্ত্রী বগুড়ার মোহাম্মদ আলী এ কে ফজলুল হককে পাকিস্তানের শত্রু ও বিশ্বসঘাতক বলে অভিযুক্ত করলেন। করাচি থেকে ঘটা করে প্রচার করা হলো যুক্তফ্রন্ট পূর্ববঙ্গকে ভারতের সঙ্গে যুক্ত করার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত ছিল। ৯২-ক ধারা জারি হলো। শেখ মুজিবসহ নেতৃবৃন্দকে গ্রেফতার করা হলো।

৯২-ক ধারা চালু রেখে ১৯৫৫ সালের ১৫ এপ্রিল পাকিস্তানের উভয় অঞ্চল হতে ৪০ জন করে প্রতিনিধি নিয়ে দ্বিতীয় গণপরিষদ গঠিত হলো। পূর্ববঙ্গের গণতান্ত্রিক সংখ্যাগরিষ্ঠতা খর্ব করে ‘সমতা’ আনয়নের এই উদ্দেশ্য ছিল পাঞ্জাবি শাসকগোষ্ঠী ও আমলাতন্ত্রের একচ্ছত্র প্রভুত্বকে নিষ্কণ্টক করা।
পূর্ব বাংলায় যুক্তফ্রন্টে ভাঙন ধরানোর মধ্য দিয়ে পাকিস্তানি শাসক চক্র এ কে ফজলুল হক এবং শহীদ সোহরাওয়ার্দীকে পরস্পর শত্রুভাবাপন্ন করে তুলতে সমর্থ হয়। ফলে ১৯৫৬ সালের শাসনতন্ত্রের বিরুদ্ধে আন্দোলন গড়ে তোলার ক্ষেত্রে এই দুই রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব এক হতে পারেনি। যুক্তফ্রন্টের ভেতরে অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বের সুযোগ নিয়ে পাকিস্তান মুসলিম লীগ ও শাসক মহল অত্যন্ত কৌশলে অগণতান্ত্রিক ইউনিট পদ্ধতি, পূর্ব বাংলা ও পশ্চিম পাকিস্তানের মধ্যে সংখ্যাসাম্য এবং পূর্ব বাংলার স্থলে পূর্ব পাকিস্তান নাম চাপিয়ে দেয়।

পূর্ব বাংলার গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত যুক্তফ্রন্ট সরকারকে ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে সম্পূর্ণ অগণতান্ত্রিক পন্থায় বাতিলের পর পাকিস্তানের মুসলিম লীগ চক্রের ষড়যন্ত্রের রাজনীতি আরো বিস্তৃত হয়। যুক্তফ্রন্ট মন্ত্রিসভা ভেঙে দেয়ার পর পাকিস্তানের প্রতিরক্ষা সচিব ইস্কান্দার মীর্জা পূর্ব বাংলায় গভর্নর হয়ে আসেন। গণপরিষদ বিলুপ্তি ও পাকিস্তানে জরুরি অবস্থা ঘোষণার পটভূমিতে বগুড়ার মোহাম্মদ আলী পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হন। তিনি অত্যন্ত কৌশলে পাকিস্তানের রাজনীতিতে এক অস্থির পরিবেশ সৃষ্টি করেন। এই নতুন মন্ত্রিসভায় প্রতিরক্ষামন্ত্রী নিযুক্ত হন পাকিস্তানের সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল আইয়ুব খান।

আগামীকাল প্রকাশিত হবে
‘কেন অটোনমি চাই’
‘যেভাবে স্বাধীনতা পেলাম’ বইটি পাওয়া যাচ্ছে ভোরের কাগজ প্রকাশনে (ভোরের কাগজ কার্যালয়, ৭০ শহীদ সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা)। এছাড়া সংগ্রহ করা যাবে bhorerkagojprokashan.com থেকেও।

এমআই

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়