পরিবার, রাষ্ট্র ও সমাজের ব্যর্থতায় কিশোর অপরাধ

আগের সংবাদ

বাংলাদেশিদের শিক্ষাবৃত্তি ১০ থেকে বাড়িয়ে ৫০ করল আল আজহার বিশ্ববিদ্যালয়

পরের সংবাদ

সোনমের জন্য মার খেয়ে স্কুল থেকে বহিষ্কৃত হয়েছিলেন অর্জুন!

প্রকাশিত: জুন ৫, ২০২১ , ৯:০১ পূর্বাহ্ণ আপডেট: জুন ৫, ২০২১ , ৯:০১ পূর্বাহ্ণ

তুতো ভাই বোন হলেও অর্জুন এবং সোনম কাপুরের ‘বন্ডিং’ এর কথা বলিউডে সর্বজনবিদিত। প্রায় পিঠোপিঠি বয়সী তাঁরা। মাত্র কয়েকদিনের তফাতে জন্ম সোনম এবং অর্জুনের। সম্প্রতি, এক সাক্ষাৎকারে অর্জুন তাঁদের ছোটবেলার এক মজাদার কিসসা শোনালেন।

অর্জুন জানান, তিনি আর সোনম একই স্কুলে পড়াশোনা করেছেন। তখন একটু উঁচু ক্লাসে পড়েন তাঁরা। সেইসময় সিনিয়র ক্লাসের ছেলেরা সোনমের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করলে তাঁদের সঙ্গে হাতাহাতি হয় অর্জুনের। এমনকি স্কুল থেকেও কিছুদিনের জন্য বহিস্কৃত করা হয়েছিল তাঁকে! আসুন গোটা বিষয়টা জানা যাক অর্জুনের মুখ থেকেই।

‘সর্দার কা গ্র্যান্ডসন’ ছবির নায়কের কথায়, ছোট থেকে আমি আর সোনম এক স্কুলেই পড়াশোনা করেছি। তখন একটু উঁচু ক্লাসে পড়ি আমরা। আমি আর ও দু’জনেই বাস্কেটবল খেলতাম স্কুলে। আমি তখন বেশ মোটাসোটা চেহারার ছিলাম। তবে শান্ত ছিলাম। আজও হুটহাট করে রেগে যাই না। তো হঠাৎ একদিন কাঁদো কাঁদো মুখে এসে সোনম জানালো উঁচু ক্লাসের কয়েকটি ছেলে নাকি তার হাত থেকে বাস্কেটবল কেড়ে নিয়ে তাঁর সঙ্গে দুর্ব্যবহার করেছে। এসব শুনে আমার মাথাটা তখন ধাঁ করে গরম হয়ে গেল। সোনমকে জিজ্ঞেস করাতে সে দেখিয়ে দিল কোন ছেলেটি তাঁর সঙ্গে ওই কান্ডটি করেছে। ব্যাস! তারপরেই আমি আর আগুপিছু না দেখে উঁচু ক্লাসের ওই ছেলেটির কাছে গিয়ে চিৎকার করে তাঁকে গালিগালাজ দেওয়া শুরু করলাম।

এরপর সামান্য থেমে হাসতে হাসতে অর্জুন আরও বলেন, প্রথম কয়েক মুহূর্ত আমার মুখে ঐসব গালিগালাজ শুনে স্রেফ হাঁ হয়ে গেছিল ছেলেটি। তারপর বেধড়ক মারতে শুরু করলো আমায়। ওরকম জোরালো ঘুঁষি খেয়ে আমার চোখে ততক্ষণে কালশিটে পড়ে গেছে। এরপর গোদের ওপর বিষফোঁড়ার মতো স্কুল থেকেও সাসপেন্ড করা হয়েছিল আমাকে। কারণ ঝামেলার সূত্রপাত করেছিলাম আমিই। এন্তার গালাগালি দিয়েছিলাম। পরে বাড়ি ফায়ার ডাক্তারের কাছেও যেতে হয়েছিল আমাকে। এর কিছুদিন পর সোনম মারফৎ জানতে পারি ওই ছেলেটি জাতীয় স্তরের বক্সিং খেলোয়াড়! শুনে তো তখন আমি স্রেফ হাঁ। বুঝেছিলাম ভুল জায়গায় পাকামো করে ফেলেছি।

অর্জুন আরও জানায়, এরপর সবকিছু মিটলে আমি সোনমকে বলে দিয়েছিলাম এবার থেকে স্কুলে নিজের ঝামেলা নিজে মেটাবি। খবরদার আমাকে ডাকবি না। এসবের পাল্লায় আমি আর পড়তে চাই না।

এমএইচ

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়