‘কালো টাকা’ সাদা করা নিয়ে অর্থমন্ত্রীর ইঙ্গিতে টিআইবির বিস্ময় ও ক্ষোভ

আগের সংবাদ

কুড়িগ্রামে কসমেটিক্স দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে শিশু ধর্ষণ!

পরের সংবাদ

বাজেটে নগদ সহায়তার ওপর কর প্রত্যাহারের দাবি: বিজিএমইএ

প্রকাশিত: জুন ৫, ২০২১ , ৮:৫৭ অপরাহ্ণ আপডেট: জুন ৫, ২০২১ , ৮:৫৭ অপরাহ্ণ

করোনা পরিস্থিতি বিবেচনায় প্রস্তাবিত ২০২১-২২ অর্থ বছরের বাজেটে নন কটন টেক্সটাইল খাতে ১০ শতাংশ হরে নগদ সহায়তার দাবি জানিয়েছে তৈরি পোশাক প্রস্তুত ও রপ্তানি খাতের বড় সংগঠন বিজিএমইএ। সংগঠনের পক্ষে সভাপতি ফারুক হাসান বলেন, নগদ সহায়তার ওপর আরোপিত ১০ শতাংশ কর প্রত্যাহারের অনুরোধটি পুনর্বিবেচনার আবেদনের দাবি করছি। একই সঙ্গে করোনা পরিস্থিতি বিবেচনায় অপ্রচলিত বাজারে রপ্তানি ধরে রাখতে প্রণোদনার হার ৪ শতাংশ থেকে বৃদ্ধি করে ৫ শতাংশের দাবি জানাই।

শনিবার (৫ জুন) রাজধানীর উত্তরার বিজিএমইএ কার্যালয়ের ২০২১-২২ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট বিষয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন সভাপতি ফারুক হাসান। সংবাদ সম্মেলনে আরো উপস্থিত ছিলেন সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট এসএম মান্নান কচি, ভাইস প্রেসিডেন্ট শহিদুল্লাহ আজিম, নাসির উদ্দিন, খন্দকার রফিকুল ইসলাম, রাকিবুল ইসলামসহ বোর্ডের পরিচালক ও কর্মকর্তারা।

ফারুক হাসান বলেন, পোশাক খাত ঘুরে দাঁড়ানোর লক্ষ্যে বিজিএমইএ’র বেশ কিছু প্রস্তাব ছিল, যা শিল্পের ঘুরে দাঁড়ানো ও কর্মসংস্থানের জন্য অপরিহার্য ছিল। তবে প্রস্তাবিত বাজেটে তার প্রতিফলন হয়নি।

সংবাদ সম্মেলনে প্রস্তাব পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়ে ফারুক হাসান বলেন, সংকটময় মুহূর্তে আমরা প্রথমত বাজেটে নগদ সহায়তার ওপর আরোপ করা ১০ শতাংশ কর প্রত্যাহারের অনুরোধটি পুনর্বিবেচনার আবেদন করছি। তবে এবার অর্থমন্ত্রী বেশ কিছু খাতে কর সহজ করেছেন। করোনায় আমাদের বিনিয়োগ, রপ্তানি ও কর্মসংস্থানে মন্দা বিরাজ করছে। অর্থাৎ গত দেড় বছরে তেমন নতুন কর্মসংস্থান তৈরি হয়নি। এ অবস্থায় এ করটি প্রত্যাহার করলে সরকার খুব বেশি রাজস্ব হারাবে না, বিপরীতে শিল্প উপকৃত হবে।

তিনি আরো বলেন, আমাদের বেশকিছু রপ্তানিমুখী তৈরি পোশাক কারখানা রুগ্ন এবং বন্ধ হয়ে গেছে। রুগ্ন পোশাক কারখানার মালিকদের সার্বিক অবস্থা খুবই করুণ এবং তারা মানবেতর জীবনযাপন করছেন। এদের মধ্যে আবার অনেকেই নীতি সহায়তা পেলে পুনরায় উৎপাদনে ফিরে আসতে পারেন এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টি করে অর্থনীতিতে অবদান রাখতে পারেন। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে তাদের পক্ষে ঋণ পরিশোধ করে ব্যবসা থেকে প্রস্থান করা অসম্ভব। এ সব রুগ্ন কারখানা প্রতিষ্ঠানগুলোর মূল ঋণ, সুদ ও মামলা খরচ বাবদ সমুদয় অর্থ অবসায়নের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দ করলে তারা পুনরায় ঘুরে দাঁড়াতে সক্ষম হবেন।

এসআর

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়