বাজেট ঘাটতির অর্থ অর্থসংস্থান বড় চ্যলেঞ্জ : সিপিডি

আগের সংবাদ

বিএনপি ভালো কিছু দেখতে পায় না: ওবায়দুল কাদের

পরের সংবাদ

রাজধানীর বাজারে উত্তাপ

প্রকাশিত: জুন ৪, ২০২১ , ২:০৫ অপরাহ্ণ আপডেট: জুন ৪, ২০২১ , ২:০৫ অপরাহ্ণ

বাজেট পরবর্তী নিত্যপণ্যের বাজারে উত্তাপ ছড়িয়েছে। যদিও নিত্যপণ্যের উপর করারোপ হয়নি, উল্টো ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের টার্নওভার ট্যাক্সের পরিধি আরো বাড়ানো হয়েছে। ভোজ্যতেল থেকে শুরু করে, পেঁয়াজ, চাল, আটা, ময়দা, রসুন ও ডালের দাম গত এক সপ্তাহে বেড়ে গেছে। শুক্রবার (৪ জুন) রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।

বাজারে চিকন, মাঝারি ও মোটা সব ধরনের চালের দাম গত তিন দিনের ব্যবধানে কেজিতে আরও ১ থেকে ২ টাকা বেড়ে গেছে। দাম বেড়ে চিকন চাল এখন বিক্রি হচ্ছে ৬২ থেকে ৬৬ টাকায়, যা দুই দিন আগেও ৬০ থেকে ৬৪ টাকার মধ্যে পাওয়া যাচ্ছিল। গরিবের মোটা চালের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৫০ থেকে ৫২ টাকায়, যা আগে ছিল ৪৮ থেকে ৫০ টাকার মধ্যে। এর বাইরেও কিছু পণ্যের দাম এখনো বেশ চড়া। গরুর মাংস ৬০০ টাকা কেজির নিচে কেনা যাচ্ছে না। ব্রয়লার মুরগির দাম নাগালের মধ্যে হলেও দেশি মুরগির দাম বেশি। এছাড়া বেড়ে রয়েছে গুঁড়োদুধের দাম। এমন অবস্থায় নিত্যদিনের খাবারের চাহিদা মেটাতে চাপে আছে সীমিত আয়ের মানুষ। করোনাভাইরাসের কারণে অনেকের আয় কমে গেছে। ফলে এ বিষয়ে সরকারের দায়িত্বশীল আচরণ কামনা করছেন অনেকে।

বাজেটের পরপরই এর কোনো প্রভাব লক্ষ্য করা যায়নি বাজারে। বাজেটে মুড়িসহ কয়েকটি পণ্যের দাম কমার ঘোষণা থাকলেও, তার প্রভাব এই অল্প সময়ের মধ্যে পড়েনি। যাত্রাবাড়ীর বাজারের মুদি দোকানি আতিকুর রহমান বলেন, বাজেটে কোনো কিছুর দাম কমলে সেটা পাইকারি বাজার থেকে আনার পরে কমে বিক্রি হবে। অর্থাৎ, কমলেও সেটা তিন থেকে চারদিন পর কার্যকর হবে। যদিও রাজধানীর বাজারগুলোতে আটা, ময়দা, মসুর ডাল ও সিগারেটের মতো কিছু পণ্যের দাম বাজেটের প্রভাবে দুই-তিনদিন আগে বেড়েছে। সেগুলোর দাম এখনো চড়া।

কারওয়ান বাজারের চাল বিক্রেতা শিমুল বলেন, বোরো নতুন চাল বাজারে আসার পরেও চালের বাজার স্থিতিশীল হচ্ছে না। নতুন চালের দাম কিছুটা কম হলেও পুরনো চালের দাম বেশি। ধানের দাম বেশি বলে চালের দাম কমছে না।

এদিকে চালের পাশাপাশি দাম বেড়েছে আটা ও ময়দার দাম। ৩২ থেকে ৩৪ টাকা কেজি বিক্রি হওয়া এক প্যাকেট আটার দাম বেড়ে এখন ৩৪ থেকে ৩৬ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আর প্যাকেট ময়দার কেজি বিক্রি হচ্ছে ৪৪ থেকে ৪৬ টাকায়, যা আগে ছিল ৪২ থেকে ৪৪ টাকার মধ্যে। চাল ও আটার সঙ্গে ক্রেতাদের বাড়তি অর্থ গুণতে হচ্ছে সয়াবিন ও পাম তেলের জন্য। লুজ সয়াবিন তেলের কেজি বিক্রি হচ্ছে ১৩৫ থেকে ১৪০ টাকা, যা গত শুক্রবার ছিল ১৩০ থেকে ১৩৫ টাকার মধ্যে। আর পাম সুপার বিক্রি হচ্ছে ১২০ থেকে ১২৫ টাকায়, যা আগে ১১৫ থেকে ১২০ টাকার মধ্যে পাওয়া যাচ্ছিল।

অন্যদিকে পেঁয়াজের দাম দুই দফায় কেজিতে ২০ টাকা পর্যন্ত বেড়ে গেছে। গত শুক্রবার ৪৫ টাকা কেজি বিক্রি হওয়া দেশি পেঁয়াজ এখন বিক্রি হচ্ছে ৬০ টাকায়। এর সঙ্গে বেড়েছে রসুনের দাম। আমদানি করা রসুনের দাম বেড়ে ১৪০ থেকে ১৫০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে, যা গত শুক্রবার ১২০ থেকে ১৩০ টাকার মধ্যে ছিল। একইভাবে বাজারে মসুর ডালের দাম কেজিপ্রতি ৫ টাকা বেড়েছে বলে জানিয়েছেন বিক্রেতারা।

রি-এআই/ইভূ

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়