অভাবের সংসারে চতুর্থ কন্যা, পুকুরে ফেলে দিলেন মা

আগের সংবাদ

আর কোনো দালালি-দখলবাজির সুযোগ হবে না: শেখ তাপস

পরের সংবাদ

বাংলাদেশের বড় প্রকল্পে বিনিয়োগে আগ্রহী তুরস্ক: রাষ্ট্রদূত

প্রকাশিত: জুন ২, ২০২১ , ৭:৫৩ অপরাহ্ণ আপডেট: জুন ২, ২০২১ , ৭:৫৩ অপরাহ্ণ

তুরস্কের রাষ্ট্রদূত মোস্তফা ওসমান তুরান বাংলাদেশি ব্যবসায়ীদের সঙ্গে এক বৈঠকে বলেছেন, তুর্কি সংস্থাগুলি বাংলাদেশে বড় অবকাঠামো খাতে বিনিয়োগ ও কাজ করতে আগ্রহী। এছাড়াও নির্মাণ এবং অবকাঠামো ছাড়াও অন্যান্য খাতে বাংলাদেশের সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্ক বাড়াতে চাইছে দেশটি।

আজ বুধবার (২ জুন) সকালে রাষ্ট্রদূত এফবিসিসিআইয়ের সভাপতি মো. জসিম উদ্দিনের সঙ্গে এক বৈঠকে এসব কথা আলোচনা করা ছাড়াও তারা উভয়ই বাংলাদেশ ও তুরস্কের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ও বিনিয়োগের পরিমাণ বাড়ানোর বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করেন।

এফবিসিসিআইয়ের সভাপতি জনাব মো. জসিম উদ্দিন জানান, তুরস্ক ও বাংলাদেশের মধ্যে সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্কের ধারাবাহিকতা বজায় আছে এবং ভবিষ্যতেও থাকবে। তুরস্ক ও বাংলাদেশ উভয় দেশেরই সম্ভাব্য বিভিন্ন পণ্য রয়েছে যেগুলোর ভাল চাহিদা রয়েছে দুটি দেশেই। তিনি তুরস্ক সরকারকে পিটিএ স্বাক্ষর করার বিষয়ে আলোচনা চূড়ান্ত করা এবং বাংলাদেশের সঙ্গে এফটিএ স্বাক্ষরের বিষয়ে আরও বিবেচনা করার অনুরোধ করেন।

তিনি বলেন, তুলনামূলক সুবিধা ব্যবহার করে দুই দেশের আমদানি-রফতানি প্রবৃদ্ধি ও বাণিজ্য সহজ করা যাবে। এসময় তিনি বিভিন্ন দেশের সঙ্গে তুরস্কের ক্রমবর্ধমান বাণিজ্য এবং তাদের কর্তৃপক্ষের দক্ষতার প্রশংসা করেন। তিনি বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলগুলোতে বিনিয়োগের জন্য তুরস্কের রাষ্ট্রদূতকে অনুরোধ করেন যেখানে বাংলাদেশ তুরস্কের বিনিয়োগকারীদের জন্য একটি সমৃদ্ধ অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রস্তাব করতে পারে। তিনি বলেন, তুরস্ক বাংলাদেশের নির্মাণ ও পর্যটন খাতের দক্ষতা শেয়ার করে পর্যটন ও অবকাঠামোগত উন্নয়নের জন্য বাংলাদেশে বিনিয়োগ করতে পারে।

তুরস্কের রাষ্ট্রদূত মুস্তফা ওসমান তুরান বলেন, পরবর্তী তুরস্ক-বাংলাদেশ যৌথ অর্থনৈতিক কমিশনের বৈঠকে শুল্ক নিয়ে আলোচনা হতে পারে। তিনি বলেন, তুর্কি ব্যবসায়ীরা বাংলাদেশে বিনিয়োগে যথেষ্ট আগ্রহী। যৌথ অংশীদারিত্বের জন্য নির্মাণ, খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ প্রযুক্তি ও সরঞ্জাম, ফার্মাসিউটিক্যালস, চিকিৎসা পর্যটন, চিকিৎসা সরঞ্জাম, আইসিটি, সফট্ওয়্যার ডেভলপমেন্ট, স্টার্টআপ ডেভলপমেন্ট, চামড়া, পাট অন্যতম সম্ভাবনাময় ক্ষেত্র।

তিনি অনুরোধ জানান এবং বলেন এফবিসিসিআই -এর সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে সম্ভাবনাময় খাত ও ব্যবসায়ীদের চিহ্নিত করে তুর্কি-বাংলাদেশ বিজনেস কাউন্সিলের সহায়তায় বিজিনেস টু বিজিনেস সভা আয়োজনের মাধ্যমে দুই দেশের মধ্যে ব্যবসা বাণিজ্য সম্প্রসারনের উদ্যোগ নেয়া যেতে পারে। কোভিড পরিস্থিতির উন্নতি হলে উভয় পক্ষই বাংলাদেশ ও তুরস্কের মধ্যে সফর বিনিময়ের পরামর্শ দেন। তিনি বলেন, আমরা ওষুধ, কৃষি প্রক্রিয়াকরণ শিল্প, চামড়া, পাট এবং চিকিৎসা সরঞ্জামগুলিতে বাণিজ্যের পরিমাণ বাড়ানোর সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করেছি। তিনি তুরস্ক-বাংলাদেশ বাণিজ্যের বিদ্যমান পরিমাণকে দ্বিগুণ করার ইচ্ছা প্রকাশ করে বলেন, তুরস্ক মেডিকেল ট্যুরিজমের অন্যতম শীর্ষ গন্তব্য হয়ে দাঁড়িয়েছে।

রি-এমএস/ইভূ

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়