ধূমপানে কোভিডে মৃত্যুর ঝুঁকি বাড়ে ৫০ শতাংশ: বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা

আগের সংবাদ

ইন্ডিয়ান আইডল থেকে সরে যাওয়ার কারণ ফাঁস সুনিধির

পরের সংবাদ

আজ রাতে আসছে ফাইজারের টিকা

প্রকাশিত: মে ৩১, ২০২১ , ৯:০৮ পূর্বাহ্ণ আপডেট: মে ৩১, ২০২১ , ৯:১১ পূর্বাহ্ণ

আজই আসছে ফাইজারের টিকা। সোমবার (৩১ মে) রাতে ফাইজারের ১ লাখ ৬২০ ডোজ টিকা দেশে আসবে।

এর আগে জানা যায়, এর আগে টিকা আসার সময় নিয়ে বিভ্রান্তি তৈরি হয়। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এক বুলেটিন থেকে টিকা আসতে দেরি হবে জানতে পেরে সংবাদকর্মীদের প্রশ্নের জবাবে এ বিকেলের দিকে নিজের বক্তব্য সংশোধন করে বলেছিলেন, রবিবার (৩০ মে) রাতে নির্ধারিত সময়েই আসছে কোভ্যাক্সের মাধ্যমে পাওয়া ফাইজারের টিকা।

রবিবার দুপুরে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বুলেটিনে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নন কমিউনিক্যাবল ডিজিজের লাইন ডিরেক্টর ডা. রোবেদ আমিন বলেন, ফাইজারের টিকা দেশে আসতে দেরি হবে। এমনও হতে পারে এর জন্য আমাদের ১০ থেকে ১২ দিন সময় লেগে যেতে পারে।

এদিকে রবিবার রাত ১১টা ২০ মিনিটে কাতার এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে ফাইজারের এক লাখ ৬২০ ডোজ টিকা দেশে পৌঁছানোর কথা ছিল।

গত ১৯ মে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেকের বরাত দিয়ে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মাইদুল ইসলাম বলেন, জুনের ২ তারিখে গ্যাভির কোভ্যাক্স ফ্যাসিলিটি থেকে ফাইজারের অন্তত এক লাখ ছয় হাজার কোভিড ভ্যাক্সিন বাংলাদেশে পাঠাবে বলে নিশ্চিত করা হয়েছে।

তবে গত বৃহস্পতিবার স্বাস্থ্য অধিদ্প্তর জানায়, ২ জুনের আগেই রবিবার (৩০ মে) এ টিকা আসছে। দরিদ্র দেশগুলোর টিকাপ্রাপ্তি নিশ্চিতে গঠিত আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্ম গ্লোবাল অ্যালায়েন্স ফর ভ্যাকসিন অ্যান্ড ইমিউনাইজেশনের (গ্যাভি) কাছ থেকে ফাইজারের এ টিকা আসছে। প্রাণঘাতী ও সংক্রামক ব্যাধি থেকে দরিদ্র দেশগুলোর শিশুদের জীবনরক্ষায় টিকা প্রদানে ভূমিকা রাখা গ্যাভি বিশ্বের নিম্ন ও মধ্যম আয়ের ৯২টি দেশকে করোনাভাইরাসের টিকা সরবরাহের উদ্যোগ নিয়েছে। দরিদ্র দেশগুলোর টিকা প্রাপ্তি নিশ্চিত করতে গঠন করা হয়েছে আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্ম কোভ্যাক্স।

কোভ্যাক্স’র পূর্ণাঙ্গ রূপ হলো কোভিড-১৯ ভ্যাকসিনস গ্লোবাল অ্যাকসেস ফ্যাসিলিটি। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) ছাড়াও উদ্যোগটির সঙ্গে রয়েছে কোয়ালিশন ফর এপিডেমিক প্রিপেয়ার্ডনেস ইনোভেশন ও দাতব্য সংস্থা গ্লোবাল অ্যালায়েন্স ফর ভ্যাকসিন অ্যান্ড ইমিউনাইজেশন (জিএভিআই)। এ উদ্যোগের লক্ষ্য হচ্ছে, ভ্যাকসিন মজুত করে না রেখে ধনী-গরিব নির্বিশেষে সর্বোচ্চ ঝুঁকির দেশগুলোতে তা বণ্টন করার জন্য বিভিন্ন দেশের সরকারকে উৎসাহিত করা।

বাংলাদেশ করোনাভাইরাস সংক্রমণ মোকাবিলায় ১৩ কোটির বেশি মানুষকে টিকাদান কর্মসূচির আওতায় আনার পরিকল্পনা নিয়েছে। কোভ্যাক্স থেকে ছয় কোটি ৮০ লাখ ডোজ টিকা পাওয়ার আশা করছে বাংলাদেশ। চলতি বছরের জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারির মধ্যেই কোভ্যাক্স থেকে টিকা পাওয়া শুরু হওয়ার কথা থাকলেও করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ে বিশ্বজুড়ে টিকার সংকট তৈরি হওয়ায় তা পিছিয়ে যায়।

এফবি

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়