আবারও বৃষ্টির কারণে খেলা বন্ধ

আগের সংবাদ

আক্ষেপ মেটালেন, সেঞ্চুরি তুলে নিলেন মুশফিক

পরের সংবাদ

সাতক্ষীরার বাঁধে আছড়ে পড়ছে ঢেউ, বিপদের শঙ্কা

প্রকাশিত: মে ২৫, ২০২১ , ৫:১৯ অপরাহ্ণ আপডেট: মে ২৫, ২০২১ , ৫:১৯ অপরাহ্ণ

সাতক্ষীরার আবহাওয়া থমথমে। আকাশে মেঘের আনাগোনা। উপকূলীয় এলাকায় বাতাসের গতিবেগ বেড়ে গেছে। নদীতে জোয়ার থাকায় ঢেউগুলো আছড়ে পড়ছে বাঁধে। ঢেউয়ের তোড়ে বাধ ধসে বিপদের আশংকা করছেন উপকূলবাসীরা।

মঙ্গলবার (২৫ মে) সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপকূলীয় পাতাখালি গ্রামের আনোয়ার হোসেন ও আশাশুনি প্রতাপনগর উপকূলীয় কামরুল ইসলাম বলেন, নদীগুলোতে এখন ঢেউগুলো আছড়ে পড়ছে জোরে। বাঁধ ভেঙে যাবে যেকোনো সময়। এরপর জলোচ্ছ্বাস হলে বিপদের শেষ থাকবে না।

শ্যামনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আ ন ম আবুজর গিফারী বলেন, আশ্রয়কেন্দ্র ও সাইক্লোন শেল্টারগুলো প্রস্তুত রয়েছে। বর্তমানে উপকূলীয় অঞ্চলে আবহাওয়া অধিদফতরের পক্ষ থেকে ২ নম্বর সতর্কতা সংকেত জারি রয়েছে। সতর্কতা সংকেত ৬ নম্বর হলে উপকূলীয় বাসিন্দাদের আশ্রয়কেন্দ্রে নিয়ে আসা হবে। উপকূলবাসীদের আশ্রয়কেন্দ্রে নিয়ে আসার যথার্থ ব্যবস্থা ও গ্রহণ করা হয়েছে।

তিনি আরো জানান, শুকনো খাবার মজুদ রাখার জন্য ইতিমধ্যে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানদের কাছে ২৫ হাজার করে টাকা দেওয়া হয়েছে।

আশাশুনি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আলিফ রেজা জানান, আমরা ইতিমধ্যে সাতাশটি সাইক্লোন সেন্টার ও বিদ্যালয় রেডি করে রেখেছি। শুকনা খাবার শিশুখাদ্য ও গো খাদ্য মজুদ করা হয়েছে। বিশুদ্ধ পানির জন্য স্বাস্থ্যবিভাগের বলা হয়েছে। এছাড়াও জরুরী চিকিৎসা সেবার জন্য দুটি অ্যাম্বুলেন্স রাখা হয়েছে।

সাতক্ষীরা আবহাওয়া অধিদপ্তরের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জুলফিকার আলী ভোরের কাগজকে বলেন, ঘূর্ণিঝড় ইয়াস উপকূল থেকে এখনো ৪৪৫ কিলোমিটার দূরে অবস্থান করছে। ঘণ্টায় ১০-১৫ কিলোমিটার গতিবেগে ভারতের উড়িষ্যা ও পশ্চিমবঙ্গের দিকে অগ্রসর হচ্ছে। ঘূর্ণিঝড়টি যদি গতিপথ পরিবর্তন না করে তবে বাংলাদেশ উপকূলে প্রবেশের সম্ভাবনা নেই। তবে ঘন্টায় ৮৯ থেকে ১১৭ কিলোমিটার গতিবেগে ভারী বৃষ্টিসহ ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এর প্রভাবে নদীর পানি তিন থেকে চার ফুট বেড়ে জলোচ্ছ্বাস হতে পারে।

জুলফিকার আলী আরো বলেন, ঘূর্ণিঝড়টি বাংলাদেশের উপকূলে না এলেও এর প্রভাব পড়বে উপকূলে। ঝোড়ো হাওয়া, জলোচ্ছ্বাসসহ ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। মূলত এর প্রভাব আমাদের উপকূলে শুরু হবে আরও পরে। মঙ্গলবার রাত থেকে এর প্রভাব শুরু হবে। মেঘ চলে আসবে, বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ঘূর্ণিঝড়টি কখন উপকূল অতিক্রম করবে সেটিও আরও পরে জানা যাবে।

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়