সিরিজ জয়ে টাইগারদের মির্জা ফখরুলের অভিনন্দন

আগের সংবাদ

চরফ্যাশনে চরাঞ্চল প্লাবিত, ৮ হাজার লোককে সরিয়ে আনা হয়েছে

পরের সংবাদ

জয়ে অবদান রাখতে পারলে ভালো লাগে: ম্যাচসেরা হয়ে মুশফিক

প্রকাশিত: মে ২৫, ২০২১ , ১১:১৫ অপরাহ্ণ আপডেট: মে ২৫, ২০২১ , ১১:১৫ অপরাহ্ণ

বাংলাদেশ যখনই বিপদে পড়ে তখনই দলকে বিপদের হাত থেকে বাঁচাতে এগিয়ে আসেন মুশফিকুর রহিম। বাংলাদেশ দলে অভিষেক হওয়ার পর বেশ কয়েকবার কঠিন পরীক্ষায় দলের হাল ধরে সফল হয়েছেন তিনি। মঙ্গলবার (২৫ মে) শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে তিন ম্যাচ সিরিজের দ্বিতীয় ওয়ানডেতে টাইগাররা যখন চরম বিপদে পড়ে যায় তখন দলের হাল ধরে চ্যালেঞ্জিং স্কোর দাঁড় করিয়ে দিতে সবচেয়ে বড় অবদান রাখেন তিনি। তুলে নেন ক্যারিয়ারে অষ্টম ওয়ানডে সেঞ্চুরি। মুশফিক সবমিলিয়ে ১২৭ বল খেলে ১২৫ রান করে শেষ ব্যাটসম্যান হিসেবে আউট হন। বাংলাদেশ শ্রীলঙ্কা দ্বিতীয় ওয়ানডেতে ম্যাচসেরা হয়েছেন মুশফিকুর রহিম। ১০ চারে ১২৭ বলে ১২৫ রানের ইনিংস খেলেন তিনি। বাংলাদেশের ইনিংস মূলত একাই টেনেছেন মুশফিক। ম্যাচসেরা হয়ে নির্ভরতার প্রতীক মুশি বলেন, ‘জয় সব সময়ই বিশেষ কিছু আর জয়ে অবদান রাখতে পারলে ভালো লাগে। তবে খারাপ লেগেছে যে শেষ করে আসতে পারিনি, ১১ বল বাকি ছিল। আমরা দ্রুত কিছু উইকেট হারাই, নতুন বলে এমন হয়। তবে জয়ের রাতে আমাদের বোলিং ছিল বিশেষ কিছু।’

মঙ্গলবার মুশফিকের সেঞ্চুরির সুবাদে বাংলাদেশ তোলে ২৪৬ রান। এই সেঞ্চুরি করে বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কার মধ্যে তৃতীয় সর্বোচ্চ রানের মালিক হয়েছেন মুশফিক। বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানদের মধ্যে লঙ্কানদের বিপক্ষে আগে থেকেই সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক ছিলেন তিনি। এখন তিনি দুই দলের খেলোয়াড়দের মধ্যে তৃতীয় সেরার জায়গা দখল নিয়েছেন। বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কার খেলোয়াড়দের মধ্যে সবার চেয়ে এগিয়ে আছেন কুমার সাঙ্গাকারা। তিনি ৩১টি ম্যাচ খেলে টাইগারদের বিপক্ষে ১ হাজার ২০৬ রান করেন। দ্বিতীয়স্থানে সনাৎ জয়সুরিয়া। তিনি ২২ ম্যাচে করেছেন ১ হাজার ৩০ রান। অন্যদিকে মুশফিক লঙ্কানদের বিপক্ষে ৩২টি ম্যাচ খেলে ৯৯২ রান করেছেন। এই সিরিজের আগে তার অবস্থান ছিল পঞ্চমস্থানে। কিন্তু দুই ম্যাচে ২০৯ রান করে তিনি উপুল থারাঙ্গা ও তিলকারত্নে দিলশানকে পেছনে ফেলে দিয়েছেন।

মঙ্গলবার সেঞ্চুরি তুলে নিয়ে বাংলাদেশের ওয়ানডে ইতিহাসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহকের জায়গাটি নিজের দখলে নিয়েছেন মুশফিক। দীর্ঘদিন ধরে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রানের মালিক ছিলেন সাকিব আল হাসান। কিন্তু লঙ্কানদের বিপক্ষে পর পর দুটি ম্যাচে বাজে পারফরম্যান্স করায় মুশফিক তাকে টেক্কা দিতে সমর্থ হয়েছেন।

মঙ্গলবারে ম্যাচসহ সব মিলিয়ে ২২৬টি একদিনের ম্যাচ খেলেছেন মুশফিক। এর মধ্যে তিনি ব্যাট করেছেন ২১২টি ম্যাচে। আর গতকাল ১২৫ রান করার পর এখন তার ওয়ানডে রান হলো ৬ হাজার ৫৫৩। এই রানগুলো করতে আটটি সেঞ্চুরি করার পাশাপাশি ৪০টি হাফসেঞ্চুরিও করেছেন তিনি। আর মোট দশটি ম্যাচে কোনো রান করতে পারেননি তিনি। ওয়ানডেতে এক ইনিংসে তার সর্বোচ্চ রান হলো ১৪৪।

অন্যদিকে তৃতীয়স্থানে নেমে যাওয়া সাকিব আল হাসান এখন পর্যন্ত ২১১টি ম্যাচ খেলেছেন। ব্যাট করেছেন ১৯৯টি ম্যাচে। তার রান হলো ৬ হাজার ৪৫১। তিনি এই রান করতে ৯টি সেঞ্চুরি ও ৪৮টি হাফসেঞ্চুরি করেছেন। এক ইনিংসে সর্বোচ্চ অপরাজিত ১৩৪ রান করেছিলেন তিনি।

বাংলাদেশের মধ্যে সবার শীর্ষে আছেন অধিনায়ক তামিম ইকবাল। তিনি ২১৫ ম্যাচ খেলে ৭ হাজার ৫১৭ রান করেছেন। তার সেঞ্চুরি ১৩টি। হাফসেঞ্চুরি ৫১টি। তামিম মুশফিকের চেয়ে প্রায় হাজার রান বেশি করে এগিয়ে আছেন।

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়