কবিতা

আগের সংবাদ

রাজনৈতিক দাবা খেলা

পরের সংবাদ

টিকার জন্য দৌড়ঝাঁপ, অস্বস্তি

প্রকাশিত: মে ২১, ২০২১ , ৮:২৮ পূর্বাহ্ণ আপডেট: মে ২১, ২০২১ , ৮:২৮ পূর্বাহ্ণ

* কেউ কথা রাখছে না স্বাস্থ্য * মন্ত্রণালয়ের অদক্ষতাও দায়ী : পররাষ্ট্রমন্ত্রী

করোনার টিকা সংকট নিয়ে দুশ্চিন্তায় সরকার। এই সংকট মোকাবিলায় দেশে দেশে ছুটছেন সংশ্লিষ্টরা। কিন্তু শিগগিরই টিকা পাওয়ার ব্যাপারে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ভারত, চীন, কানাডা ও অস্ট্রেলিয়ার মতো দেশগুলো থেকে কোনো সুখবর আসেনি। এক্ষেত্রে অবশ্য স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অদক্ষতার কথাও বলছেন কেউ কেউ। এ নিয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের ওপর ক্ষেপেছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। ফলে এক ধরনের হতাশা তৈরি হয়েছে। প্রসঙ্গত, বাংলাদেশে ১৫ লাখেরও বেশি মানুষ দ্বিতীয় ডোজ টিকা নিতে পারছেন না, যা সরকারকে অস্বস্তিকর অবস্থায় ফেলেছে। এই প্রেক্ষাপটে বিভিন্ন উৎস থেকে টিকা সংগ্রহের চেষ্টা চলছে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ভারত থেকে কেনা টিকা আগামী নভেম্বরের আগে আসছে না। যেসব দেশ অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকা কিনে রেখেছিল অথচ ব্যবহার করছে না; তারাও সেই টিকা বাংলাদেশকে দিচ্ছে না। বাংলাদেশে এখন চীনের দেয়া উপহারের টিকা রয়েছে। আগামী ২ জুন গ্লোবাল অ্যালায়েন্স ফর ভ্যাকসিনস এন্ড ইমিউনাইজেশনের (গ্যাভি) কোভ্যাক্স ফ্যাসিলিটির আওতায় ফাইজারের অন্তত ১ লাখ ৬ হাজার ডোজ করোনার টিকা বাংলাদেশে আসছে। সবমিলিয়ে জুন-জুলাইয়ে কিছু টিকা পাওয়া গেলেও তা পর্যাপ্ত হবে না। আগামী নভেম্বরের আগে কোনোভাবেই দেশে পর্যাপ্ত টিকা পাওয়া যাবে না। এই সময়ের মধ্যে দেশের মানুষকে করোনা থেকে সুরক্ষা পেতে হলে মাস্ক পরা, সাবান দিয়ে হাত ধোয়া এবং দূরত্ব মেনে চলাফেরা করা ছাড়া বিকল্প কিছু নেই।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেন গতকাল বলেন, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের কারণে চীন ও রাশিয়া থেকে করোনা ভাইরাসের টিকা পেতে দেরি হচ্ছে। কারণ দেশ দুটির কাছ থেকে বাণিজ্যিকভাবে টিকা পেতে যেসব প্রক্রিয়া শেষ করার কথা, তা নিয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় দেরি করেছে। এছাড়া তিনি বলেন, আমরা যখন প্রথম শুনলাম যুক্তরাষ্ট্রের কাছে অ্যাস্ট্রাজেনেকার ছয় কোটি টিকা আছে, তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করলাম। পরবর্তীতে আনঅফিশিয়ালি শুনলাম আমরা অগ্রাধিকার তালিকায় নেই। কারণ আমাদের দেশে মৃত্যুর সংখ্যা খুব কম। তারা অগ্রাধিকার দিচ্ছে যেখানে মৃত্যু সংখ্যা বেশি সেখানে, যেমন- ব্রাজিল, ভারত, ইন্দোনেশিয়া। টিকা নিয়ে আমরা কষ্টে আছি উল্লেখ করে পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে চিঠি পাঠানো হয়েছে। তিনি বলেন, আমরা ভারতের অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকা দিয়ে শুরু করেছিলাম। কিন্তু ভারত সরবরাহ করতে ব্যর্থ হয়েছে। সেই জন্য ১৫ লাখের বেশি লোক দ্বিতীয় ডোজ নিতে পারছে না। যেহেতু যুক্তরাষ্ট্রের কাছে আছে সেই জন্য জরুরি ভিত্তিতে ২০ লাখ টিকা চেয়েছি। কারণ দ্বিতীয় ডোজ নেয়াটা জরুরি। মন্ত্রী বলেন, যখন আমরা শুনলাম আমরা অগ্রাধিকার তালিকায় নেই; কারণ মৃত্যুহার কম, তখন আমরা বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত মার্কিনিদের কাজে লাগালাম। প্রায় দেড় হাজার বাংলাদেশি প্রবাসী টিকার আবেদন করে হোয়াইট হাউসে পিটিশন করেছে। অক্সফোর্ডের টিকা পেতে যে চিঠি দেয়া হয়েছিলÑ সেটার সর্বশেষ পরিস্থিতি জানতে চাইলে ড. মোমেন বলেন, আমরা যুক্তরাষ্ট্র থেকে অক্সফোর্ড ভ্যাকসিন আনার জন্য যে চিঠি দিয়েছিলাম সে বিষয়ে এখনো জবাব পাইনি। তিনি বলেন, আমরা যুক্তরাজ্যের কাছেও বলেছি। অনেক দিন বসিয়ে রাখার পরে যুক্তরাজ্যের লর্ড আহমেদ আমাদের জানিয়েছেন, বেসরকারি খাতের কাছ থেকে সংগ্রহ করুন।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বিভিন্ন জায়গা থেকে টিকা আনার চেষ্টা করছে সরকার। কিন্তু কোথাও পাচ্ছে না। কোভ্যাক্স থেকে ভ্যাকসিন পাওয়া যেত। কিন্তু সেখানেও ভারত সরবরাহ না করায় পাওয়া যাচ্ছে না। জানতে চাইলে কোভিড টিকা বিতরণ ও প্রস্তুতি কমিটির নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন সদস্য ভোরের কাগজকে বলেন, অক্সফোর্ড অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকার জন্য আমরা ইংল্যান্ড, আমেরিকা, কানাডা, অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে যোগাযোগ করছি। তবে এখনো পর্যন্ত কোনো ইতিবাচক সাড়া মেলেনি। ভারত আগে বলেছিল জুন-জুলাই মাসে সিরাম ইনস্টিটিউটের উৎপাদিত টিকা আমরা পাব। এখন বলা হচ্ছে তা অক্টোবরের আগে সম্ভব নয়। আমরা আমাদের চেষ্টা অব্যাহত রাখছি।

এ প্রসঙ্গে সাবেক পররাষ্ট্র সচিব মো. শহীদুল ইসলাম গতকাল ভোরের কাগজকে বলেন, ভ্যাকসিনের বিষয়ে আর কি বলার আছে। তারাতো ভ্যাকসিন পেতে চেষ্টা করছেন। দেখা যাক কি হয়?

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের অধ্যাপক ড. ইমতিয়াজ আহমেদ ভোরের কাগজকে বলেন, চীনা টিকা এসেছে। এটা দিয়ে হয়তো পরিস্থিতি কিছুটা সামাল দেয়ার চেষ্টা করবে সরকার। তবে একই সঙ্গে বিভিন্ন দেশে খোঁজ নিতে হবে, যারা অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকা কিনেছে কিন্তু ব্যবহার করেনি। বিশেষ করে অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকা কিনে রেখেছে। তাদের কাছে বলতে হবে আমাদের এখন খুব দরকার, তোমরা দাও। আবার আমাদের দেশে যখন টিকা পর্যাপ্ত হয়ে যাবে তখন তাদের আবার টিকা ফেরত দেয়া যেতে পারে। এছাড়া অস্ট্রেলিয়া থেকে টিকা পেতে সেখানে কর্মরত বাংলাদেশি ডাক্তারদেরও কাজে লাগানো যেতে পারে। তিনি বলেন, জুন মাসে ব্রিটেনে টিকা নিয়ে একটি বৈঠক রয়েছে। সেখানে হয়তো আমেরিকার প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন টিকা বিতরণ নিয়ে কথা বলতে পারেন। তবে ওই বৈঠকের অপেক্ষা না করে দ্রুত টিকা পেতে আমেরিকায় প্রবাসী বাংলাদেশিদের কাজে লাগানো যেতে পারে।

টিকার জন্য চীনা ভাষার ডকুমেন্টে সই : করোনা পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য ভারত থেকে টিকা সংগ্রহের চুক্তি করেছিল সরকার। কিন্তু ভারত চুক্তি অনুযায়ী টিকা সরবরাহ করতে পারছে না। ফলে বিকল্প উৎস থেকে টিকা সংগ্রহের উদ্যোগ হিসেবে চীনের সঙ্গে যোগাযোগ করে সরকার। এক্ষেত্রেও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় সঠিক প্রক্রিয়া অনুসরণ না করায় দেরি হচ্ছে টিকা সংগ্রহে। এমনকি টিকা সংগ্রহের জন্য চীনা ভাষায় পাঠানো ডকুমেন্টে সই করেছেন স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা। গোটা বিষয়টিকে ‘লাউজি’ কাজ হিসেবে দেখছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আবদুল মোমেন। প্রক্রিয়াটি দ্রুত শেষ করার জন্য তাগাদাও দিয়ে তিনি বলেন, আমরা চীন ও রাশিয়া থেকে টিকা সংগ্রহের চেষ্টা করছি। চীনেরটা প্রায় চূড়ান্ত পর্যায়ে। আবদুল মোমেন বলেন, চীন তিনটি ডকুমেন্ট পাঠিয়েছিল এবং এর মধ্যে আমরা দুটি ডকুমেন্ট তাদের ফেরত পাঠিয়েছি। দুটির মধ্যে একটি বুধবার ফেরত পাঠিয়েছি। এর একটি অংশ ছিল ইংরেজিতে এবং আরেকটি অংশ ছিল চীনা ভাষায়। আমরা ফেরত পাঠানোর সময় চীনা ভাষার অংশে সই করেছি। পরে আমরা চীনা ভাষার একজন অধ্যাপককে নিয়োগ করে সেটি সংশোধন করেছি। দিস আর লাউজি ওয়ার্ক এবং এটি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় করেনি। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় শুধু যোগাযোগ করিয়ে দেয় জানিয়ে তিনি বলেন, অন্য সব বিষয় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় দেখে। সেখানে একটু দেরি হচ্ছে। সে জন্য বেইজিংয়ে আমাদের রাষ্ট্রদূত অত্যন্ত হতাশ। কারণ কাগজপত্র চূড়ান্ত না হলে প্রক্রিয়া শেষ হবে না। রাষ্ট্রদূত আমাকে ফোন করেছেন, টেক্সট করেছেন। আমি সঙ্গে সঙ্গে স্বাস্থ্যমন্ত্রী, স্বাস্থ্য সচিব, মুখ্য সচিবকে পাঠিয়ে দিয়েছি, তাগাদা দেয়ার জন্য।

রাশিয়ার সঙ্গে যা হয়েছে : রাশিয়ার সঙ্গে আলোচনার বিষয়ে মস্কো যে বিষয়গুলো পছন্দ করে না, সেই কাজগুলো করছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়, জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. মোমেন। রাশিয়ার কাছ থেকে বাণিজ্যিকভাবে টিকা সংগ্রহে কালক্ষেপণেরও সমালোচনা করেন তিনি। আবদুল মোমেন বলেন, রাশিয়ার সঙ্গে কিছু ডকুমেন্ট সই হয়েছে এবং কিছু হয়নি। শুরুতে তাদের কাছ থেকে টিকা নিতে একটি সংখ্যা বলা হয়েছিল এবং পরে আবার সংখ্যা বদল করা হলো। রাশিয়ানরা এটি পছন্দ করে না। আপনি বললেন আমি এত আনব। পরে বললেন আমি কমিয়ে আনব। এগুলো নিয়ে আমরা ব্যস্ততায় আছি। আশা করছি, এ সপ্তাহের মধ্যে শেষ করতে পারব। রাশিয়ার সঙ্গে বিক্রয় চুক্তি সম্পন্ন হয়নি। এটার কাজ চলছে, শেষ হয়ে যাবে।

প্রয়োজনে টিকা উপহার দিন, ভারতকে মোমেন : ভারতের কাছ থেকে ৩ কোটি টিকা কেনার চুক্তি করেছিল বাংলাদেশ, কিন্তু ৭০ লাখ সরবরাহ করার পর রপ্তানি বন্ধ করে দেয় দেশটির সরকার। ফলে ১৫ লাখেরও বেশি মানুষ দ্বিতীয় ডোজ টিকা নিতে পারছে না, যা সরকারকে অস্বস্তিকর অবস্থায় ফেলেছে। এই প্রেক্ষাপটে ভারতের কাছে বাংলাদেশ টিকা উপহার হিসেবে চেয়েছে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আবদুল মোমেন। তিনি সাংবাদিকদের বলেন, আমি ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জয়শঙ্করকে ফোন করেছিলাম। ভারত কখনোই বলেনি টিকা দেবে না, তবে তারা দিতে পারছে না। আমি এর আগে চিঠিও দিয়েছি। আমি ওইদিন বললাম, আমরা ঝামেলায় পড়েছি। আমাদের ১৫ লাখ লোক দ্বিতীয় ডোজ টিকার জন্য আটকে গেছে। টিকা রপ্তানিতে নিষেধাজ্ঞা থাকলে প্রয়োজন হলে আমাদের উপহার হিসাবে দিন। কারণ এর আগে আপনারা আমাদের উপহার দিয়েছেন। টিকা দিতে পারবেন কিনা এ বিষয়ে জয়শঙ্কর স্পষ্ট করে কিছু বলেননি জানিয়ে মোমেন বলেন, জয়শঙ্কর বলেন, আমি আপনাদের অবস্থা জানি এবং আপনিও আমাদের অবস্থা জানেন। দিনে চার হাজারের বেশি লোক মারা যাচ্ছে এবং ৪ লাখের বেশি লোক সংক্রমিত হচ্ছে। সিরামের উৎপাদন করার ক্ষমতা ছিল ২০ কোটি, কিন্তু ১০ কোটিও উৎপাদন করতে পারছে না। আমাদের অবস্থা শোচনীয়। তিনি বলেন, আমি বললাম, আমার অবস্থা আরো খারাপ। কারণ ১৫ লাখ লোক টিকা না পেলে সবকিছু নষ্ট হয়ে যাবে। যে কোনোভাবে টিকা সরবরাহ করার কথা বলেছি। বলেছি প্রয়োজনে উপহার দিন। পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, জয়শঙ্কর আমাকে জিজ্ঞাসা করেছেন, অন্য জায়গা থেকে আমরা টিকা আনার চেষ্টা করছি কিনা। আমি বললাম, যুক্তরাষ্ট্রকে বলেছি। কোভ্যাক্সকে আপনারা দিচ্ছেন না বলে সেখান থেকে পাচ্ছি না। যুক্তরাষ্ট্রের ওপর ভারতের প্রভাব রয়েছে এবং আমি জয়শঙ্করকে অনুরোধ করেছি তাদের আমাদের টিকা দেয়ার জন্য বলতে।

প্রসঙ্গত, ভারতের সিরাম ইনস্টিটিউটে উৎপাদিত অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার করোনা ভাইরাসের টিকা দিয়ে গত ৭ ফেব্রুয়ারি দেশে গণটিকাদান কর্মসূচি চালু করা হয়েছিল। সিরাম ইনস্টিটিউট থেকে ৩ কোটি ডোজ টিকা আনার বিষয়ে চুক্তি হয়েছিল। চুক্তি অনুযায়ী ছয় মাসে এসব টিকা আসার কথা ছিল। তবে সিরাম ইনস্টিটিউট থেকে দুই চালানে মোট ৭০ লাখ টিকা পেয়েছে বাংলাদেশ। এর বাইরে ভারত সরকারের উপহার হিসেবে পাওয়া গেছে ৩৩ লাখ ডোজ টিকা। করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ ব্যাপক আকারে ছড়িয়ে পড়ায় গত মার্চে টিকা রপ্তানিতে বিধিনিষেধ আরোপ করে ভারত। এতে বাংলাদেশ টিকা পাওয়া নিয়ে অনিশ্চয়তায় পড়েছে। ইতোমধ্যে যারা টিকার প্রথম ডোজ নিয়েছেন, তাদের মধ্যে প্রায় ১৫ লাখ মানুষের দ্বিতীয় ডোজ পাওয়া নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে।

এমআই

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়