করোনার রাজ্যপাট শেষ হবে কবে

আগের সংবাদ

দুর্ভোগ সঙ্গী করেই ফেরা

পরের সংবাদ

টিকা নিয়ে স্বদেশী স্বার্থপররাও কম যায় না

মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী

অধ্যাপক (অবসরপ্রাপ্ত), ইতিহাসবিদ ও কলাম লেখ

প্রকাশিত: মে ১৮, ২০২১ , ১২:০২ পূর্বাহ্ণ আপডেট: মে ১৮, ২০২১ , ১২:০২ পূর্বাহ্ণ

গত বছর ২৪ আগস্ট ভোরের কাগজে এই পাতায় ‘ভ্যাকসিন বাণিজ্য রাজনীতি’ শিরোনামে আমার একটি লেখা প্রকাশিত হয়েছিল। অন্য একটি সহযোগী পত্রিকায় ২১ ডিসেম্বর তারিখে টিকা নিয়ে বড় দেশদের বাণিজ্য, গরিব দেশদের সংকট নিয়ে আরেকটি লেখা প্রকাশিত হয়েছিল। লেখা দুটি মূলত করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত বিশ্বের ধনী ও দরিদ্র দেশগুলোর মধ্যে টিকা বাণিজ্যের কূটনীতি ও রাজনীতি কোন পর্যায়ে যেতে পারে তার কিছু ধারণা আমার মতো করে আমি উপস্থাপন করার চেষ্টা করেছি। বিশেষজ্ঞরা ভ্যাকসিন প্রাপ্তি নিয়ে কূটনীতি ও বাণিজ্যের দৌরাত্ম্য বৃদ্ধি পাবে এমনটির আভাসও দিয়েছিলেন। কেননা বর্তমান বিশ্বব্যবস্থায় ধনী দেশগুলোর মধ্যে বাণিজ্যের প্রবণতা মানবিকতাকে অনেকেটাই ছাড়িয়ে গিয়েছে। অপেক্ষাকৃত অনুন্নত দেশগুলো টিকা প্রাপ্তিতে যেই সংকটে পড়বে তাতে করোনার সংক্রমণ রোধ করা তাদের পক্ষে অসম্ভব হয়ে পড়বে। একইসঙ্গে দেশগুলো অর্থনৈতিকভাবেও দারুণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। আমরা দিব্যি দেখতে পাচ্ছি যে করোনার টিকা উৎপাদনকারী এবং ধনী দেশগুলো টিকার বাণিজ্যে সারাবিশ্বকে যার যার নিয়ন্ত্রণে নেয়ার চেষ্টা করছে। কোনো কোনো দেশ প্রয়োজনের চেয়ে কয়েকগুণ বেশি টিকা কিনে এখন নিজেদের ইচ্ছেমতো সেগুলো উচ্চমূল্যে বিক্রি করার নীতি গ্রহণ করেছে, একইসঙ্গে নিজেদের হাতে থাকা টিকা নিয়ে প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করছে। মানবিক আদর্শ টিকা উৎপাদনকারী এবং টিকা মজুতকারীদের মধ্যে খুব একটা দেখা যাচ্ছে না। ফলে টিকা নিয়ে অনেক দেশেই হাহাকার চলছে। যারা উচ্চমূল্যে তা ক্রয় করতে পারছে তারা হয়তো কিছুটা স্বস্তিতে আছে। কিন্তু অনেক দেশেরই উচ্চমূল্যে টিকা ক্রয় করার ক্ষমতা অনেকটাই নেই। তাদের ভাগ্যে হয়তো টিকা সহজে জুটবে না। এমনকি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাও প্রতিশ্রুত টিকা বিভিন্ন দেশকে দিতে পারছে না। এই সংস্থাকেও অনেকে শিখণ্ডী হিসেবে ব্যবহার করার চেষ্টা করছে। এ ধরনের পরিস্থিতি বৈশ্বিক এই মহামারিতে আমাদের দেখতে হবে তা হয়তো আগে এতটা ভাবা যায়নি। এখন আমরাই পড়ে গেছি টিকার আন্তর্জাতিক কূটনীতি, বাণিজ্য ও প্রভাব বিস্তারের টানাহেঁচড়ায়।
বাংলাদেশ অস্ট্রাজেনিকার টিকা লাভের জন্য গত বছর অনেকের আগেই ভারতের সেরাম কোম্পানির সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হয়েছিল। এর মূল্যও আগাম পরিশোধ করেছিল। সে কারণে আমরা ৩ কোটি টিকা প্রাপ্তির বিষয়ে নিশ্চিত ছিলাম। কিন্তু ভারত থেকে আমাদের টিকা প্রাপ্তির সুযোগকে দেশে-বিদেশে অনেকেই সহজে নেয়নি। দেশে অনেকেই এ টিকা নিয়ে নানা ধরনের অপপ্রচার করেছিলেন। সাধারণ মানুষ তাই অনেকেই বিভ্রান্তিতে পড়েছিল। তারপরও টিকা আসা শুরুর পর আমরা অনেকটাই নিশ্চিত ছিলাম যে বাংলাদেশ টিকাদানে বাধামুক্তভাবে এগিয়ে যেতে পারবে। কিন্তু ভারতে করোনার সংক্রমণ ভয়ানকভাবে বেড়ে যাওয়ায় এবং টিকা উৎপাদনের কাঁচামাল প্রাপ্তিতে আন্তর্জাতিকভাবে কোনো কোনো মহলের অসহযোগিতার কারণে প্রতিশ্রুত টিকা সময়মতো ধারাবাহিকভাবে সেরাম কোম্পানি সরবরাহ করতে অক্ষম হয়ে পড়ে। কবে তারা বাকি টিকা সরবরাহ করতে পারবে তা তারা নিশ্চিত করতে পারছে না। এরই মধ্যে প্রাপ্ত ১ কোটি ৩ লাখ টিকা প্রদান প্রায় শেষ পর্যায়ে। আগামী সপ্তাহ এই টিকা ফুরিয়ে যাবে। দ্বিতীয় ডোজ টিকার অপেক্ষায় থাকবেন কয়েক লাখ মানুষ। সরকার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রসহ অস্ট্রাজেনিকার টিকার উৎপাদনকারী দেশগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ করছে। কিন্তু এখনো টিকাপ্রাপ্তির নিশ্চয়তা কেউ দিচ্ছে না।
অন্যদিকে চীন বাংলাদেশকে সিনোভ্যাক টিকার ৫ লাখ ডোজ উপহার হিসেবে দিয়েছে। তবে তা বাংলাদেশকে নিজস্ব বিমান পাঠিয়ে আনতে হয়েছে। টিকাদানের আগে বাংলাদেশস্থ চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশকে যে ভাষায় সমালোচনা করেছেন তা আমাদের দেশে যারা সচরাচর প্রতিবেশী দেশকে নিয়ে বিনা কারণেও সমালোচনা মুখর থাকেন তাদের মুখ বন্ধ থাকতে দেখেছি। চীন বাংলাদেশে সিনোভ্যাক উৎপাদনের অনুমতি দেবে কি না তা নিশ্চিত নয়। তবে সিনোভ্যাক ক্রয়ে বাংলাদেশকে বেশ উচ্চমূল্যই দিতে হবে এমনটি স্পষ্ট বুঝা যাচ্ছে। এমন উচ্চমূল্য বাংলাদেশ কতটা বহন করতে পারবে সেই শঙ্কা আমাদের রয়েছে। যারা ভারত থেকে অস্ট্রাজেনিকা ক্রয়ের মূল্য নিয়ে রাজনীতির মাঠে বেশ উত্তাপ ছড়িয়েছিলেন, তাদের কণ্ঠও এখন হিমাগারে বরফ হয়ে আছে। অন্যদিকে রাশিয়া থেকে স্পুটনিক-ভি পাওয়ার কথা শোনা গিয়েছিল। রুশ কোম্পানি বাংলাদেশে আগ্রহী ফার্মাসিউটিকাল কোম্পানিকে টিকাটি স্থানীয়ভাবে উৎপাদনেরও অনুমতি দেবে বলে জানা গিয়েছিল। এই স্পুটনিক-ভি পাওয়া এবং উৎপাদন করার অনুমোদন নিয়ে আমাদের স্বাস্থ্য ও অন্যান্য মন্ত্রণালয়ের জরুরি তাগিদ কতটা রয়েছে তা আমরা বাইরে থেকে বুঝতে পারছি না। তবে এটি নিয়ে ফাইল চালাচালি এবং অন্য কোনো স্বার্থ আমলা ও নেপথ্যের সুবিধাবাদী গোষ্ঠীর থাকতেও পারে। সে কারণেই বিলম্ব হচ্ছে কিনা তা আমাদের কাছে স্পষ্ট নয়। তবে বেশি দেরি হলে অন্য কোনো বিদেশি টিকা কোম্পানি এবং আমাদের দেশীয় স্বার্থপর কোনো মহল নিজেদের আর্থিক স্বার্থ উদ্ধারে সচেষ্ট হতে পারে। কিন্তু বাংলাদেশের টিকার প্রাপ্তি এখনই কতটা জরুরি তা নতুন করে বলার কিছু নেই।
উন্নত দেশগুলো টিকা উদ্ভাবনে প্রথম থেকেই তাদের বিজ্ঞানী এবং গবেষণা সংস্থাগুলোকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করেছিল। তাদের লক্ষ্য ছিল টিকা উদ্ভাবন করার মাধ্যমে একদিকে নিজের দেশের মানুষকে টিকাকরণের মাধ্যমে করোনা সংক্রমণ থেকে মুক্তি পাওয়া, অন্যদিকে উদ্ভাবিত টিকা দিয়ে বিশ্বে টিকা বাণিজ্য ও কূটনীতিতে লাভবান হওয়া। এটি ছিল টিকা উৎপাদনকারী রাষ্ট্রগুলোর জন্য আর্থিকভাবে লাভবান হওয়ার সুবর্ণ সুযোগ। তাই টিকা উৎপাদনে বড় বড় দেশগুলো দ্রুত একে অপরকে পেছনে ফেলে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মাধ্যমে কিংবা সেটিকে এড়িয়ে বিশ্ব প্রভাব বিস্তারের প্রতিযোগিতায় তারা নেমেছিল। এই প্রতিযোগিতা গত বছরের জুলাই-আগস্টেই স্পষ্ট হয়ে উঠছিল। দুঃখজনক অভিজ্ঞতা হলো আমাদের মতো দেশগুলো বড় বড় দেশগুলোর ওপর এতটাই নির্ভরশীল যে নিজেদের মেধাচর্চার চেষ্টা করতেই ভুলে গেছে। আমরা তাকিয়ে আছি ওইসব দেশ জ্ঞানবিজ্ঞান ও গবেষণায় সফল হবে, উদ্ভাবন করবে, আমরা তাদের কাছ থেকে তা কিনে আনব, ভোগ করব, ‘বাণিজ্য’ করেও অনেকে লাভবান হব। আমাদের মধ্যে ন্যূনতম কোনো বোধ নেই, তবে ভোগের কমতি নেই। এমনকি ভোগের ক্ষেত্রে উন্নত বিশ্বের ভোগকারীদের চাইতেও অনেক বেশি সম্পদের মালিক, ভোগকারী হতে আমাদের কোনো কার্পণ্য নেই। অথচ আমরা কথা বলতে কেউ কারো চেয়ে কম যাই না। কথার দৌড়ে আমরা সব কিছুকে তুড়ি মেরে উড়িয়ে দেই। জ্ঞানবিজ্ঞান, আধুনিকতা, নিয়ম-নীতি, শৃঙ্খলা, আইন, মানবিক মূল্যবোধ এবং উন্নত জাতিরাষ্ট্র গঠন কোনোভাবেই আকাশ কুসুম কল্পনা নয়, অসম্ভব ব্যাপারও নয়। বরং একেবারেই সম্ভবপর বিষয়। আমাদের জনগোষ্ঠীকে আমরা যদি দেশপ্রেম, মেধামনন, জ্ঞানবিজ্ঞান, শিক্ষা ও গবেষণা, যুক্তিবাদী দৃষ্টিভঙ্গিকে শিশুকাল থেকে গড়ে তোলা, প্রশিক্ষিত জাতিতে রূপান্তরিত করার প্রয়োজনীয় কাজ সম্পাদন করতাম, প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতাম তাহলে আমাদের চিরকাল জ্ঞানবিজ্ঞান, তথ্যপ্রযুক্তিসহ যাবতীয় বৈজ্ঞানিক উদ্ভাবনের জন্য অন্যের মুখাপেক্ষী হয়ে থাকতে হতো না। কিন্তু আমরা সে পথে চলছি না। আমাদের সমাজে অনেকেই সীমাহীন বিত্তশালী হন সীমাহীন দুর্নীতি, অনিয়ম, দখল-বেদখল, গ্রাসের মতো ত্রাস সৃষ্টির মাধ্যমে। এর জন্য কুবুদ্ধির প্রয়োজন হতে পারে। কিন্তু মানবিক মূল্যবোধে বুদ্ধিমান মানুষ এমন অপরাধপ্রবণ হয় না। এই অপরাধীরাই আমাদের অর্থনীতি, রাজনীতি, প্রশাসন এবং সমাজব্যবস্থার মধ্যে প্রভাব বিস্তার করে চলছে। তারা আমাদের জনগণের মধ্যে জ্ঞানবিজ্ঞান, প্রযুক্তি, উদ্ভাবন, গবেষণা ও নিয়ম-শৃঙ্খলায় মানুষকে বেড়ে ওঠার জাতিরাষ্ট্র গঠনের সামান্যতম প্রয়োজনীয়তা অনুভব করেন না। সে কারণেই আমরা নিজেদের ১৭ কোটি মানুষের মধ্য থেকে বিশ্বমানের ১৭ জন আবিষ্কারক বিজ্ঞানী এখনো পয়দা করতে পারিনি। যদিও আমাদের দেশের অনেক তরুণ-তরুণী বিদেশের উচ্চতর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও গবেষণাগারে তাদের মেধা ও দক্ষতার যথেষ্ট স্বাক্ষর রাখছেন। অসংখ্য মেধাবী তরুণ-তরুণী তাই দেশ ছেড়ে চলেও যাচ্ছেন। সেখানেই তারা জ্ঞানচর্চায় যুক্ত হচ্ছেন, অবদানও রাখছেন। অথচ তাদের আমরা দেশে রাখতে পারলে এবং সুযোগ-সুবিধা দিতে পারলে বাংলাদেশ অনেক কিছুই উদ্ভাবন বা আবিষ্কার করতে পারত।
ফিরে আসি টিকার প্রসঙ্গে। গেল বছরই শোনা গিয়েছিল গ্লোব বায়োটেক ফার্মাসিউটিকাল ইন্ডাস্ট্রি একটি টিকা উদ্ভাবনে তাদের উদ্যোগ নিয়েছে। আমরা তখন আশা করেছিলাম, দেশে যদি এমন একটি টিকা উদ্ভাবনে এই প্রতিষ্ঠান সফল হয় তাহলে শুধু ১৭ কোটি মানুষকেই টিকাকরণ করা নয়, বিশ্বের অন্যান্য দেশেও এই টিকা রপ্তানি করে বাংলাদেশ আর্থিকভাবে যেমন লাভবান হবে, একইভাবে টিকা বঞ্চিত দেশগুলোর পাশেও দাঁড়াতে সক্ষম হবে। টিকা নিয়ে মোড়ল দেশগুলো আমাদের নাজেহাল করবে সেই ধারণা আমরা তখন কিছুটা হলেও করতে পেরেছিলাম। সে কারণেই আমরা আশা করেছিলাম যে, গ্লোব বায়োটেকের বঙ্গভ্যাক শেষ পর্যন্ত সফল হলে বাংলাদেশ অন্তত কূটনীতির মারপ্যাঁচে এভাবে নাজেহাল হবে না। কিন্তু কী কারণে বঙ্গভ্যাক এখনো পর্যন্ত আলোর মুখ দেখতে পায়নি কিংবা দেখতে পাবে কি না সেটি আমরা জানি না। তবে সরকারের উচিত ছিল এমন একটি দেশীয় উদ্যোগকে সফল করার জন্য নীতিগত, প্রশাসনিক, দেশি-বিদেশি বিজ্ঞানী-গবেষক এবং প্রয়োজনে আর্থিক সহযোগিতা প্রদানের মাধ্যমে এর সাফল্য অর্জনকে বাস্তবে রূপ দেয়ার ক্ষেত্রে ভূমিকা রাখা। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়সহ প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট শাখাগুলো সেভাবে তৎপর থাকলে হয়তো এর গতি ত্বরান্বিত হতে পারত। দেশে এ ধরনের টিকা উদ্ভাবনে সক্ষম যে কোনো বিজ্ঞানীকে প্রয়োজনে এর সঙ্গে যুক্ত করা যেত। দরকার হলে বিদেশ থেকে কোনো টিকা বিজ্ঞানীকেও যুক্ত করা যেত। আমরা জানি না বঙ্গভ্যাক টিকাটি উদ্ভাবনে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানটি এখন কোন পর্যায়ে অবস্থান করছে। দেশে বেশকিছু ফার্মাসিউটিকাল কোম্পানি রয়েছে যেগুলো আন্তর্জাতিকভাবে বেশ সুনাম অর্জন করেছে। আমরা জানি না এসব কোম্পানির মধ্যে আন্তঃসম্পর্ক কেমন বিরাজ করছে? বঙ্গভ্যাক তৈরিতে তাদের মধ্যে কারো নেতিবাচক মনোভাব থাকবে এটি আমরা আশা করি না, বরং সহযোগিতামূলক মনোভাব থাকলেই বাংলাদেশ এক্ষেত্রে আন্তর্জাতিকভাবে আরো সুনাম অর্জন করতে পারে। দেশবাসী আশা করে এই টিকাটি এখনো যদি অনুমোদন লাভ করার মতো হয় তাহলে সরকারকে এক্ষেত্রে বিশেষভাবে ভূমিকা নিতে হবে। তাহলে টিকাটি আমাদের অনেক বিড়ম্বনার হাত থেকে হয়তো মুক্ত করতে পারবে। নতুবা উন্নত দেশগুলো থেকে এত দামে টিকা কিনে আমরা সাধারণ মানুষকে টিকাকরণে অন্তর্ভুক্ত করতে পারব না। এমনিতেই এই দেড় বছরে দেশ চাপের মুখে আছে, মানুষের হাতেও আগের মতো টাকা নেই। সুতরাং সরকারকে এক্ষেত্রে উদ্যোগী ভূমিকা নেয়ার সুযোগ থাকলে এক বিন্দুও ছেড়ে দেয়া উচিত হবে না।

মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী : অধ্যাপক (অবসরপ্রাপ্ত), ইতিহাসবিদ ও কলাম লেখক।
[email protected]

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়