শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আমরা এগিয়ে চলেছি

আগের সংবাদ

শেখ হাসিনার ঐতিহাসিক স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের চার দশক

পরের সংবাদ

নেত্রীর দেশে ফেরা: এক অনুজের চোখে

প্রকাশিত: মে ১৭, ২০২১ , ১২:২৫ পূর্বাহ্ণ আপডেট: মে ১৭, ২০২১ , ১:৩২ পূর্বাহ্ণ

নেত্রীকে বহনকারী ট্রাকটি যখন আমাদের পাশ দিয়ে গেল তখন আমি একটি বাসের ছাদে। একঝলক দেখলাম ক্রন্দনরত নেত্রী হাত নাড়ছেন লাখো জনতার উদ্দেশে। পাশে আওয়ামী লীগ নেতা আবদুর রাজ্জাক, তোফায়েল আহমেদ ও শেখ সেলিমসহ অনেক নেতা। গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি পড়ছিল আগে থেকেই। অল্পক্ষণের মধ্যেই রূপ নিল ভারি বৃষ্টির। আকাশ ভেঙে বৃষ্টি পড়ছে। আনন্দের অশ্রুসজল আর বৃষ্টি মিলে খুশি-কান্নার এক অপরূপ পরিবেশ। আনন্দ নেত্রীকে ফিরে পেয়ে, আর অশ্রু অবরুদ্ধ এক বাংলাদেশে কষ্টকর সেই ফিরে পাওয়ার জন্য।

’৭৫ থেকে ৮১, বাংলাদেশের জন্য অন্ধকার একসময়। জাতির পিতাকে হত্যা করা হয়েছে সপরিবারে। বঙ্গবন্ধুর প্রিয় ৩২ নম্বরে পড়ে ছিল তার লাশ। আত্মীয়স্বজন ও পরিবারের সদস্যরা এই নৃশংস বর্বরতার সাক্ষী হয়ে কবরে। জেলের ভেতর হত্যা করা হলো জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান তাজউদ্দীন আহমদ, ক্যাপ্টেন মনসুর আলী, সৈয়দ নজরুল ইসলাম ও কামরুজ্জামানকে। মুছে ফেলা হলো রাষ্ট্রের মূলনীতি, মুক্তিযুদ্ধের সব মূল্যবোধ। পরিবর্তন এলো সংবিধানে, মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে পাওয়া সংবিধানের অপমৃত্যু ঘটল। প্রতিদিন ক্যু আর পাল্টা ক্যু। মুক্তিযোদ্ধারা অবহেলিত। পরিচয় দিতেও কুণ্ঠিত। পুরোপুরি পাকিস্তানি ভাবধারায় বাংলাদেশ। জয় বাংলা হয়ে গেল পাকিস্তান জিন্দাবাদের আদলে বাংলাদেশ জিন্দাবাদ। বাংলাদেশ বেতার রেডিও বাংলাদেশ। এসব পাকিস্তান স্টাইলের পরিবর্তন হলো আবার মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর কমান্ডার পরিচয়দানকারী একজন সেক্টর কমান্ডার জিয়াউর রহমানের হাতে। সামরিক বাহিনীতে কোণঠাসা মুক্তিযোদ্ধা অফিসাররা। নেতৃত্ব নিয়েছে পাকিস্তানফেরত কর্মকর্তারা। বেসামরিক প্রশাসনও তখন এই পাকিস্তানপন্থিদের দখলে। এরকম একটি অন্ধকার সময়ে নেত্রী ফিরলেন মানুষের স্বপ্ন আর আকাক্সক্ষার প্রতীক হয়ে। বর্ষণক্লান্ত বাংলাদেশের আকাশ যেন কাঁদছে সেই অপরাহ্ণে। ভারি বর্ষণে ধুয়ে-মুছে যাচ্ছে আমাদের সব পাপ- জাতির পিতাকে হত্যার পাপ, জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের হত্যার পাপ। দেশের মানুষ ভাবছে বাংলাদেশ আবার নতুন করে জাগবে।

১৯৮১ সালে আমি কলেজের ছাত্র। ছাত্রলীগের একজন কর্মী; আওয়ামী লীগ নেতা আখতারুজ্জামান বাবুর নেতৃত্বে ৩৫টি বাস নিয়ে চট্টগ্রাম থেকে ঢাকায় আসি আওয়ামী লীগ সভানেত্রী বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনাকে একনজর দেখার জন্য। আমাদের নেতৃত্ব দিচ্ছিলেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের প্রাক্তন প্রশাসক খোরশেদ আলম সুজন, জামশেদুল আলম চৌধুরি ও আমার এক বড় ভাই ছাত্রলীগ নেতা যার নামও শ্যামল দত্ত (যিনি সম্প্রতি সরকারি চাকরি থেকে অবসর নিয়েছেন) সহ অন্য নেতারা। আমি তখন ছাত্রলীগের কলেজ শাখার কর্মী। কলেজে আমার সহপাঠী বর্তমান তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। মাত্র কিছুদিন আগে চট্টগ্রাম কলেজে ছাত্রলীগের শফি-আদর প্যানেল এবং মহসিন কলেজে জামশেদুল আলাম চৌধুরির প্যানেলে ছাত্রলীগের নেতারা জয়লাভ করে। আমার হাতের লেখা ভালো তাই চট্টগ্রাম কলেজ ও মহসিন কলেজের দেয়ালের অধিকাংশ চিকাই আমার লেখা ছিল। বন্ধু সহপাঠী জাহাঙ্গীর সাত্তার টিংকু চট্টগ্রাম কলেজ ছাত্র সংসদ নির্বাচনে ক্রীড়া সম্পাদক পদে জয়লাভ করল, যার অধিকাংশ কৃতিত্ব আমার আরেক সহপাঠী বন্ধু মোজাম্মেল বাবুর, যিনি এখন একাত্তর টেলিভিশনের প্রধান সম্পাদক। ছাত্রলীগ করতে গিয়ে একসঙ্গে বহু সময় কাটিয়েছি। মাঝরাতে চট্টগ্রামের লালদিঘির পাড়ের আওয়ামী লীগ কার্যালয় থেকে বাসে রওনা দিয়ে সকালে এসে পৌঁছলাম বাংলামোটরে আখতারুজ্জামান বাবুর একটি ব্যক্তিগত অফিসে। চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলার আমরা প্রায় কয়েক হাজার নেতাকর্মীর সকালের নাস্তা ও দুপুরের খাওয়ার আয়োজন ছিল এখানে। খাওয়া-দাওয়া শেষে রওনা দিলাম এয়ারপোর্টের উদ্দেশে নেত্রীকে দেখার জন্য। এরপর জনসভা হবে মানিক মিয়া এভিনিউতে। দুপুরের মধ্যেই পুরো কুর্মিটোলা বিমানবন্দর লোকে লোকারণ্য। আমি বাস থেকে নেমে সামনের দিকে অগ্রসর হওয়ার চেষ্টা করলাম। ভিড়ের মধ্যে হারিয়ে ফেললাম চট্টগ্রাম থেকে যাওয়া সবাইকে। এয়ারপোর্টে ঢোকার সময় রাস্তার পাশে এক দোকানদার বসল বঙ্গবন্ধুর ছবি নিয়ে। একটা ছবি কিনলাম বঙ্গবন্ধুর। এর মধ্যে দেখলাম বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনাকে বহনকারী বিমান আকাশে ঘুরপাক খাচ্ছে, রানওয়েতে লোক তাই নামতে পারছে না। পরে লোকজনকে সরিয়ে রানওয়ে ফ্রি হওয়ার পর বিকাল ৪টার দিকে তাকে বহনকারী বিমানটি নামল। বিমান থেকে নামার পর নেত্রীকে তোলা হলো একটি ট্রাকে। এর মধ্যে গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি। বৃষ্টির দাপট বাড়তেই আমি দৌড়ে একটি বাসের ছাদে উঠে গেলাম। আমরা জানতাম সব বাস মানিক মিয়া এভিনিউতে যাবে। সেখানে একটি জনসভা হবে। তারপর আমি খুঁজে নেব আমার সতীর্থদের। সে সময় আকাশে মেঘের গর্জন বলছে গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি ভারি বৃষ্টির দিকে যাচ্ছে। জনস্রোতের কারণে নেত্রীকে বহনকারী ট্রাকটি বিমানবন্দর থেকে বেরোতেই এক ঘণ্টা সময় লেগে গেল। আমরা বাসের ছাদে অপেক্ষা করছি অসংখ্য মানুষ। বৃষ্টি বাড়তেই আমি আমার হাতের ছবিটি দিয়ে দিলাম বাসের ভিতর বসে থাকা এক আওয়ামী লীগের কর্মীকে। বৃষ্টির মধ্যেই নেত্রীকে বহনকারী ট্রাকটি আমাদের বাসের পাশ দিয়ে গেল। আমরা হাত নেড়ে অভ্যর্থনা জানালাম। দুচোখ ভরে দেখলাম- নেত্রী কাঁদছেন। মনে হয় যেন একই সঙ্গে কাঁদছে এই বাংলাদেশের আকাশও। নেত্রীকে বহনকারী ট্রাকটি আমাদের অতিক্রম করার পর ভারি বর্ষণ শুরু হয়ে গেল। আমি ছাদ থেকে নেমে বাসের ভিতরে ঢুকলাম। একটি ফাঁকা আসনে বসলাম। এর মধ্যে বাসটি চলতে শুরু করল। জানি সব বাস যাবে মানিক মিয়া এভিনিউতে। ভারি বর্ষণের কারণে তখনকার দিনের বাসের কাঠের জানালাগুলো যখন তুলে দিল তখন বাইরের কোনো দৃশ্য দেখা যাচ্ছিল না। আধা ঘণ্টা চলার পর বাস যখন থামছে না তখন আমার সন্দেহ হলো বাসটি আদৌ মানিক মিয়া এভিনিউতে যাচ্ছে কিনা। যার হাতে ছবি দিয়েছিলাম বাসের ছাদ থেকে, সে লোকটিকেও দেখছি না। আরো প্রায় আধা ঘণ্টা চলার পর আমি জিজ্ঞেস করলাম একজনকে এই বাসটি কি মানিক মিয়া এভিনিউতে যাচ্ছে কিনা। সে লোকটি বলল মানিক মিয়ার জনসভা ভারি বর্ষণের কারণে হচ্ছে না, কারণ সেখানে পানি জমে গেছে। আর এই বাসটি ইতোমধ্যে কাঁচপুর ব্রিজ ফেলে নরসিংদীর দিকে যাচ্ছে। এই বাসটি ছিল নরসিংদী আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের বাস। তারা আমাকে আশ্বস্ত করল, আপনার চিন্তার কোনো কারণ নেই। আপনি চট্টগ্রাম থেকে এসেছেন। আপনি নরসিংদী পৌঁছে রেলস্টেশনে গিয়ে চট্টগ্রামগামী ট্রেন পাবেন। সেই ট্রেনে চট্টগ্রাম ফিরতে পারবেন। আমার মাথায় বাজ পড়ল। দুশ্চিন্তা এখন কী করব। চট্টগ্রাম থেকে যে বাসে এসেছি, সেটিও হারিয়ে ফেলেছি। যাদের সঙ্গে এসেছি, তাদেরও হারিয়ে ফেলেছি। নরসিংদীর নেতারা বললেন, আমরা আপনাকে একটা রিকশা ঠিক করে দেব আপনি স্টেশনে চলে যাবেন। চট্টগ্রাম মেইল ঢাকা থেকে ছাড়ে সাড়ে ১০টায়।

সাড়ে ১১টায় নরসিংদীতে পৌঁছাবে। আপনি সেই ট্রেনে চট্টগ্রামে পৌঁছাতে পারবেন। যথারীতি নরসিংদী পৌঁছে রিকশা করে স্টেশনে পৌঁছলাম। অচেনা শহর, অচেনা স্টেশন। ভারি বৃষ্টির এক রাত। অন্ধকার এক স্টেশন। যাত্রী আমি একাই। সারা শরীরে ভেজা কাপড়। গুটিশুটি মেরে বসে আছি একদিকে, কখন ট্রেন আসবে। রাস্তার পাশে একটি ঝুপড়ি দোকানে দেখলাম চুলার উপর ইলিশ মাছের তরকারি আর গরম ভাত। দুপুরের পর আর কিছু খাওয়া হয়নি, তাই ক্ষুধার্ত। মনে হলো অসম্ভব স্বাদ সেই ইলিশ মাছের ঝোলে। চট্টগ্রাম যাওয়ার জন্য একটি টিকেট কাটলাম। যতটুকু মনে পড়ে ১৯ টাকা ৫০ পয়সা ছিল সেই টিকেটের দাম। ঢাকা থেকে মেইল ট্রেনে তখন চট্টগ্রাম যাওয়ার ভাড়া ছিল ২২ টাকা। একা একা স্টেশনে বসে আছি। কিছুটা ভয়ও লাগছিল। আমি এর আগে কোনো দিন নরসিংদী আসিনি। আর এরকম একটি দিনে নরসিংদী আসতে হবে তাও ভাবিনি। ঠিক সাড়ে ১১টায় বিস্ময়করভাবে সঠিক সময়ে মেইল ট্রেন এসে পৌঁছাল নরসিংদী স্টেশনে। আমি একটি বগিতে উঠে বসলাম। পুরো বগিতে একটি মাত্র বাতি টিমটিম করে জ্বলছে। ট্রেনে উঠে আরো আশ্চর্য, এই পুরো বগিতে কোনো লোকই নেই। ট্রেন ছাড়ার পর শুয়ে পড়লাম একটা বেঞ্চে। কাকভেজা হয়েছিলাম বাসের ছাদে। সেই ভেজা জামা-কাপড় নিয়ে কখন ঘুমিয়ে পড়েছি টেরই পাইনি। হঠাৎ ঘুম ভাঙল শব্দে। তাকিয়ে দেখি সকাল হয়ে গেছে। জানালা দিয়ে উঁকি মেরে দেখলাম ট্রেন থেমে আছে পাহাড়তলী রেল স্টেশনে। জানালা দিয়ে মাথা গলিয়ে দেখতেই চোখে পড়ল বগিতে একটা ব্যানার লাগানো উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের। কিন্তু কোনো নেতাকর্মীই এই ট্রেনে সেদিন ঢাকায় ফেরেননি। হয়তো ভারি বর্ষণের কারণে সবকিছু এলোমেলো হয়ে গেছে। ট্রেন যথারীতি চট্টগ্রামের বটতলী স্টেশনে পৌঁছাল। স্টেশনে নেমে দেখি দাঁড়িয়ে আছে আমার কাকাতো ভাই শিমুল দত্ত। যে আমার সঙ্গে ঢাকা গিয়েছিল একই উদ্দেশ্যে। সেও এই ট্রেনের অন্য একটি বগি করে চট্টগ্রামে ফিরেছে বাস হারিয়ে। দুজনে বাসায় ফিরছি রিকশা করে। এক অন্যরকম অনুভূতি নিয়ে। বঙ্গবন্ধুকে কাছ থেকে দেখার সুযোগ আমার হয়নি। কিন্তু বঙ্গবন্ধুকন্যাকে দেখার এই অসাধারণ সুযোগটি আমরা পেয়েছি। যে বাংলাদেশটিকে মনে হচ্ছিল এক অন্ধকার সময় পার করছে, এখন মনে হচ্ছে দিগন্তে আলোর রেখা ফুটবে। বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা দেশে ফিরেছেন। বাংলাদেশ আবার ফিরে পাবে হৃতগৌরব। মুক্তিযুদ্ধের চেতনা আবার বিকশিত হবে। বাংলাদেশ আবার স্বাধীন বাংলাদেশের মর্যাদা পাবে, পাকিস্তানি ভাবধারার বাংলাদেশ নয়, স্বাধীন-সার্বভৌম লাখো শহীদের রক্তস্নাত এক বাংলাদেশ।

১৯৮১ থেকে ২০২১। ৪০ বছরের বাংলাদেশ। এই ৪০ বছর আওয়ামী লীগের নেতৃত্ব দিয়েছেন বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা। বিধ্বস্ত দলকে তিনি করেছেন সুসংগঠিত। ১৯৭৫ সালের পর দলটি ভেঙে চুরমার হয়ে গেছিল। আজ শেখ হাসিনার বলিষ্ঠ নেতৃত্বের সেই দল যেমন সুসংগঠিত, বাংলাদেশও আসীন এক মর্যাদার আসনে। বহু দেশের কাছে বিস্ময় এই বাংলাদেশের উন্নয়ন। সুশাসন আর গণতন্ত্রের চর্চার নানা প্রশ্ন নিয়েও বাংলাদেশ আজ উন্নতির শিখরে। যদি সেদিন বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা দেশে না ফিরতেন, বহু রাষ্ট্রনেতার মতো প্রবাসজীবন বেছে নিতেন, তাহলে কী হতো এই রাষ্ট্রের সেটা বিশ্লেষণের জন্য কোনো রাষ্ট্রবিজ্ঞানীর প্রয়োজন হয় না। সামরিক শাসনের জাঁতাকলে বছরের পর বছর পড়ে আছে অনেক রাষ্ট্র। ছদ্মবেশী, আধা ছদ্মবেশী গণতান্ত্রিক শাসনের মোড়কে এসব দেশে কী চলছে তার অন্যতম উদাহরণ পাকিস্তান। তাই একথা নির্দ্বিধায় বলতে হয়, বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন, মুক্তিযোদ্ধাদের স্বপ্ন, লাখো মানুষ রক্তের বিনিময়ে যে বাংলাদেশ নির্মাণের স্বপ্ন দেখেছিল- তা বাস্তবায়নের জন্য এই দিনটিতে বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার আগমন বাংলাদেশের ইতিহাসের এক অনিবার্য পরিণতি। ইতিহাসের কাছে তাই এই দিনটির গুরুত্ব সেখানেই।

আরবি

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়