শিমুলিয়া-বাংলাবাজার নৌরুটে সব ফেরি চালু

আগের সংবাদ

নিউজ ফ্ল্যাশ

পরের সংবাদ

ইসরায়েল-ফিলিস্তিন সহিসংতা চরমে, বাড়ছে যুদ্ধের আশঙ্কা

প্রকাশিত: মে ১২, ২০২১ , ৮:৫৮ অপরাহ্ণ আপডেট: মে ১২, ২০২১ , ৯:২৮ অপরাহ্ণ

ফিলিস্তিন-ইসরায়েলের চলমান সংঘাতের তীব্রতা বেড়েছে। গাজায় ইসরায়েলের বিমান হামলা ও গাজা থেকে ইসরায়েলে রকেট ছোড়া হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে সেখানে পুরোদমে যুদ্ধ শুরু হওয়ার আশঙ্কা করছে জাতিসংঘ।

ইসরায়েলের ভাষ্যমতে, গত ৩৮ ঘণ্টায় এক হাজারের বেশি রকেট নিক্ষেপ করেছেন ফিলিস্তিনিরা। অপর দিকে মঙ্গল ও বুধবার গাজায় কয়েক শ লক্ষ্যবস্তুতে বিমান হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। হামলায় গাজায় ১৩ তলা একটি আবাসিক ভবন ধ্বংস হয়েছে। সেখানে হামাসের নেতাদের কার্যালয় ছিল। খবর বিবিসির।

গাজা শহরের কমান্ডারনসহ নিহত অর্ধ শতাধিক

গত সোমবার থেকে শুরু সহিসংতায় ইসরায়েলি বিমান হামলায় এ পর্য ন্ত ৫২ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। ফিলিস্তিনে নিহত লোকজনের মধ্যে ১৩ শিশুও রয়েছে। অন্যদিকে রকেট হামলায় ইসরায়েলি নিহত হয়েছেন ছয়জন। জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস চলমান সহিংসতায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।

ইসরায়েলি সিন বেট নিরাপত্তা বাহিনী বলেছে, নিহতদের মধ্যে গাজা শহরের হামাসের ব্রিগেড কমান্ডার বাসেম ইসাও রয়েছেন।-

সহিংসতায় সর্বশেষ প্রাণ গেছে একজন ইসরায়েলির। গাজার উত্তরাঞ্চল থেকে ছোড়া একটি ক্ষেপণাস্ত্র সীমান্তে একটি জিপে আঘাত হানলে মৃত্যু হয় তাঁর। এ ঘটনায় আরও তিনজন আহত হয়েছেন। এ ছাড়া ইসরায়েলের রাজধানী তেল আবিবের কাছের শহর লডে ফিলিস্তিনিদের ছোড়া একটি রকেট গাড়িতে আঘাত হানলে ৫২ বছরের একজন ব্যক্তি এবং তাঁর ১৬ বছরের মেয়ে নিহত হন।

অপর দিকে গাজার রাস্তা ভরে আছে ইসরায়েলি বিমান হামলায় ধসে পড়া ভবনের ধ্বংসস্তূপ এবং পোড়া গাড়ির ধ্বংসাবশেষে। জেরুজালেমের আল-আকসা মসজিদ চত্বরে ইসরায়েলি পুলিশের সঙ্গে ফিলিস্তিনি বিক্ষোভকারীদের টানা কয়েক দিনের সংঘর্ষের পর ফিলিস্তিন-ইসরায়েল দুই পক্ষের মধ্যে সংঘাত শুরু হয়।

ইসরায়েলি সেনাবাহিনী বলেছে, এখন পর্যন্ত গাজা থেকে ১ হাজার ৫০টি রকেট ও মর্টার শেল ছোড়া হয়েছে। সেগুলোর মধ্যে ৮৫০টি ইসরায়েলের সীমানায় পড়েছে বা তাদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা (আইরন ডোমে) প্রতিহত করেছে। আর ২০০টি ইসরায়েলি সীমান্তে ঢুকতে ব্যর্থ হয়ে গাজাতে পড়েছে।

ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী বেনি গান্তজ বলেছেন, তাদের হামলা কেবল শুরু। সন্ত্রাসী সংগঠনগুলোর ওপর হামলা চলতে থাকবে। দীর্ঘ মেয়াদে শান্তি ফিরিয়ে আনবেন তারা।

অপর দিকে হামাস নেতা ইসমাইল হানিয়ে টেলিভিশনে সম্প্রচারিত ভাষণে বলেছেন, ইসরায়েল যদি বাড়াতে চায় তাহলে আমরা তার জন্য প্রস্তুত। আর তারা বন্ধ করতে চাইলে আমরা তার জন্যও প্রস্তুত।

জাতিসংঘের মহাসচিব গুতেরেস শান্তি ফিরিয়ে আনতে সংশ্লিষ্টদের প্রতি তৎপরতা আরও বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন। জাতিসংঘের মধ্যপ্রাচ্য শান্তিবিষয়ক দূত টর ওয়েনেসল্যান্ড বলেন, দুই পক্ষ পূর্ণমাত্রার যুদ্ধের দিকে এগিয়েছে। আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের চিফ প্রসিকিউটর ফাতোও বেনসুদা বলেছেন, গভীর উদ্বেগের সঙ্গে পরিস্থিতির ওপর নজর রাখছেন তিনি।

এফ

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়