করোনা-ক্রান্তিকাল তবু অনন্ত জাগে...

আগের সংবাদ

ইমামদের ঈদ উপহার দিলেন সাঈদ খোকন

পরের সংবাদ

আতঙ্কের মধ্যেই ঈদ উৎসব

মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী

অধ্যাপক (অবসরপ্রাপ্ত), ইতিহাসবিদ ও কলাম লেখক

প্রকাশিত: মে ১১, ২০২১ , ১২:১৫ পূর্বাহ্ণ আপডেট: মে ১১, ২০২১ , ১২:১৫ পূর্বাহ্ণ

বিশ্ব এখন এক ভয়াবহ সংকটের ভেতর দিয়ে যাচ্ছে। করোনার ঢেউ বিভিন্ন অঞ্চলে হামলে পড়ছে। এসব সমস্যা মোকাবিলা করতেই রাষ্ট্রগুলো নাকাল পরিস্থিতিতে পড়ছে। এর ওপর দেড় বছরের আর্থসামাজিক সংকট, করোনার টিকার অভাব, টিকাকেন্দ্রিক রাজনীতি ও কূটনীতি অনেকটাই করোনার সংকটকে আরো ভয়াবহতা দান করছে। বিশ্বের বড় বড় শক্তিশালী রাষ্ট্র করোনামুক্ত নয়। তবে অপেক্ষাকৃত দরিদ্র, উন্নয়নশীল দেশগুলোর পাশে তাদের মানবিক ও আন্তরিকভাবে দাঁড়ানোর প্রত্যাশাটি খুব একটা দৃশ্যমান হতে দেখা যাচ্ছে না। দিন দিন এই সংকট ঘনীভূত হচ্ছে। করোনার সংক্রমণ এবং ঢেউ যদি দীর্ঘমেয়াদি হয় তাহলে বিশ্বের পরিস্থিতি কতটা ভয়াবহ হতে যাচ্ছে তা নিয়ে এখনই দুশ্চিন্তাগ্রস্ত হতে হচ্ছে। যখন দরকার ছিল বৈশ্বিক এই মহামারি সংকটকালে ধনী দেশগুলো উদার মানবিক হস্ত সম্প্রসারণের, তখন সেই সম্পর্কটি অনেক ক্ষেত্রেই কূটনৈতিক, বাণিজ্য ও স্বার্থনির্ভর হতে দেখা যাচ্ছে। সে কারণেই উন্নত দেশগুলো টিকার মজুত হাতে রেখে আমাদের মতো দেশগুলোকে এই সম্পদপ্রাপ্তিতে নিদারুণ অমানবিক আচরণ করছে। এর ফলে করোনা সংকট উন্নত দেশগুলোর বাইরে দিন দিন জটিল হয়ে উঠছে। যত বেশি করোনা সংক্রমণ এসব দেশে স্থায়ী হবে, তত বেশি অর্থনৈতিক, সামাজিক, রাজনৈতিক এবং মানবিক সংকট বৃদ্ধি পাবে। এর ফলে অভাব-অনটন, দারিদ্র্য, নৈরাজ্য এবং নানা ধরনের সামাজিক অবক্ষয় ও সংকট জটিল আকার ধারণ করবে। এসব সমস্যা সমাধান এককভাবে রাষ্ট্র ও সরকারগুলো করতে পারার ক্ষমতা হারিয়ে ফেলতে পারে। তেমন পরিস্থিতিতে উগ্র, মতাদর্শিক নানা ধরনের অপশক্তির উত্থান ঘটার সম্ভাবনা বেড়ে যেতে পারে। এর কিছু কিছু লক্ষণও সব দেশেই কমবেশি দেখা যাচ্ছে। এমনকি উন্নত রাষ্ট্রগুলোতেও উগ্র জাতীয়তাবাদ, বর্ণবাদ, ধর্মীয় সাম্প্রদায়িক শক্তির উত্থান এবং বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির কর্মকাণ্ড প্রায়ই ঘটতে দেখা যাচ্ছে। অপেক্ষাকৃত পিছিয়ে পড়া দেশগুলোতে এই সংকট আরো বেশি দানা বাঁধছেÑ এমনটি এখন আর অস্বীকার করার উপায় নেই। সাধারণ মানুষের মধ্যে এসব প্রতিক্রিয়াশীল শক্তি নানাভাবে সংগঠিত হওয়ার লক্ষণ দেখা যাচ্ছে। করোনার এই দুর্যোগময় মুহূর্তে প্রতিক্রিয়াশীল, উগ্র, ধর্মান্ধ গোষ্ঠী আমাদের মতো দেশগুলোতে আগে থেকেই সক্রিয় ছিল। সেগুলো এখন নতুন করে মানুষের মধ্যে অপপ্রচার, ধর্মীয় আবেগ, অন্ধ বিশ্বাস এবং মুক্তির দিশা দেয়ার চেষ্টা করে যাচ্ছে।
বাংলাদেশে করোনার সংক্রমণের প্রথম ঢেউ মোটামুটিভাবে নিয়ন্ত্রণ করার পর ধারণা করা হয়েছিল দেশ আর নতুন করে করোনায় আক্রান্ত হবে না, দ্বিতীয় ঢেউ আসবে না। কিন্তু দ্বিতীয় ঢেউ মার্চ মাসে আকস্মিকভাবে চড়াও হওয়ার পর অনেকেই ভেবেছিল পরিস্থিতি সরকারের পক্ষে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হবে না। কিন্তু এক বছরের অভিজ্ঞতা এবং বিশেষজ্ঞদের সহযোগিতা নিয়ে পরিস্থিতি অনেকটাই টেনে ধরা সম্ভব হয়েছিল। তবে টিকা প্রাপ্তির অনিশ্চয়তা বেড়ে যাওয়ায় করোনা সংক্রমণের রাশ টেনে ধরা সরকারের পক্ষে এই মুহূর্তে কিছুটা কঠিন হয়ে উঠেছে। ঠিক সেই মুহূর্তেই প্রতিবেশী ভারতে ইউকে-আফ্রিকার ভ্যারিয়েন্টের মতো একটি আগ্রাসী ভ্যারিয়েন্ট প্রায় গোটা ভারতকে পর্যুদস্ত করে ফেলেছে। নেপালেও এই ভ্যারিয়েন্টের বিস্তার ঘটেছে। আমাদের দেশেও ভারত ভ্যারিয়েন্ট করোনা অল্প-বিস্তর প্রবেশ করার নমুনা ও ধারণা পাওয়া গেছে। ফলে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ নিয়ন্ত্রণ করার ক্ষেত্রে যেটুকু সাফল্য এরই মধ্যে অর্জিত হয়েছে তা ধরে রাখা নিয়ে বিশেষজ্ঞ মহলের মধ্যে উৎকণ্ঠা বিরাজ করছে। সরকার সীমিত, কঠোর এবং নানা ধরনের বিধিবিধান জারি করে গত সোয়া এক মাস যেটুকু অর্জন করেছে, সেটি এখন একদিকে ভারতীয় আগ্রাসী ভ্যারিয়েন্টের করোনার শঙ্কায় পড়েছে, অন্যদিকে রমজান ঈদ উপলক্ষে জীবন-জীবিকা এবং মানুষের ঈদ আনন্দকে মোটামুটি উপভোগ করার সুযোগ দেয়ার যেটুকু ছাড় দিয়েছে তাতে শেষ পরিণতি কোনদিকে মোড় নেয় সেটিও আগে থেকে ধারণা করা যাচ্ছে না। কেননা বিধিবিধান মেনে যারা ব্যবসায়-বাণিজ্য ও পরিবহন পরিচালনার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল, তারা কিন্তু তাদের কথা রাখতে পারেনি। অন্যদিকে ক্রেতাসাধারণ এবং যাত্রীরাও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার কোনো ভালো নজির স্থাপন করতে পারেনি। সর্বত্র বিধিবিধানকে উপেক্ষা করার প্রবণতা লক্ষ করা গেছে। শপিংমল ও দোকানপাটে ঈদের কেনাবেচায় মানুষ যেভাবে হুমড়ি খেয়ে পড়েছে সেটি নীতিনির্ধারক মহলে বেশ শঙ্কার সৃষ্টি করেছে। এমনকি গ্রাম পর্যায়ও কেনাকাটায় ধুম লেগেছে। বেশিরভাগ ক্রেতারই দাবি হচ্ছে, গত বছর ঈদে তেমন কিছু কেনাকাটা করতে পারেনি তাই এবার নতুন কিছু না কিনে পরিবারের সদস্যদের ঈদের আনন্দ নষ্ট করতে চায় না। ব্যবসায়ীদেরও কথা প্রায় একই রকম। গতবার তারা বেচাকেনা করতে পারেনি তাই তাদের ক্ষতির সম্মুখীন হতে হয়েছে। এবার তারা যদি তা পুষিয়ে না তুলতে পারে তাহলে ব্যবসায় তাদের অস্তিত্বের সংকট বাড়বে। কিন্তু করোনার সংক্রমণ যদি এসব কেনাবেচার মল ও দোকানে বেড়ে যায় তাতে অনেকের জীবনের ঝুঁকি বেড়ে যেতে পারে, বাঁচা-মরার প্রশ্নও আসতে পারে সেই বোধ ও সচেতনতাটি ক্রেতা-বিক্রেতার মধ্যে ততটা সবলভাবে পরিলক্ষিত হয়নি। অন্যদিকে এবারের মতো ‘যে যেখানে আছেন সেখানে থেকে ঈদ করার’ প্রধানমন্ত্রীর আবেদনটি অনেকের কাছেই খুব একটা পাত্তা পায়নি। তারা সব নিয়ম, বাধাবিপত্তি উপেক্ষা ও ভঙ্গ করে ‘নাড়ির টানে বাড়ি ফেরার’ আবেগে গা ভাসিয়ে দিয়েছে। যানবাহনগুলো এই সময়ে যাত্রী পরিবহনের মাধ্যমে অতিরিক্ত উপার্জনে বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। তাদেরও মনোভাব এই উপলক্ষে বাড়তি কামাই করা, করোনার ক্ষতি পুষিয়ে নেয়া, জীবন-জীবিকার গুরুত্ব পেলেও মৃত্যুর ঝুঁকি উপেক্ষা করেই যাত্রী, পরিবহনকারীরা লাগামহীনভাবে এখন ঈদযাত্রায় সড়ক, রাস্তাঘাট পাড়ি দিচ্ছে। গ্রাম ছাড়া ঈদ করা যায় না দাবিও অনেক যাত্রী সাধারণকে করতে শোনা গেছে। তারা করোনার সংক্রমণ নিয়ে মোটেও আতঙ্কিত নয়। যে কোনো মূল্যে তাদের ঈদ গ্রামে করতেই হবে, এমন মনোভাব শহর ছাড়া মানুষের মধ্যে লক্ষ করা যাচ্ছে। ফেরিঘাটে ফেরি বন্ধ করে দেয়ার পরও ঢাকা থেকে নানাভাবে কয়েকগুণ অর্থ খরচ করে অনেকেই ফেরিঘাটে জমায়েত হয়েছে। ফেরিতে ওঠার জন্য যে আকুতি, তোড়জোড়, জীবনের ঝুঁকি নেয়ার প্রবণতা লক্ষ করা গেছে তা বিস্ময়কর মনে হয়েছে। এসব দৃশ্য দেখে সরকার এবং বিশেষজ্ঞ মহল ঈদের পর করোনা সংক্রমণ দেশে ছড়িয়ে যাওয়া এবং বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা ব্যক্ত করছেন। ভারতের মতো যদি এখানেও নতুন কোনো আগ্রাসী ভ্যারিয়েন্টে মানুষ আক্রান্ত হয় তাহলে বিদ্যমান স্বাস্থ্যব্যবস্থা তা মোটেও সামাল দিতে পারবে না। সেই বাস্তবতার কথা বারবার গণমাধ্যমে বলা হলেও মানুষই তা কানে তুলছে না। মানুষের মধ্যে এখন ঈদের কেনাকাটা, বাড়ি যাওয়া এবং আত্মীয়স্বজনের সঙ্গে ঈদ করার মাধ্যমে আনন্দ খুঁজে পাওয়ার বেশি কিছু ভাবতে দেখা যায় না। তবে যে বিষয়টি নির্দ্বিধায় বলে দেয়া যায় তা হচ্ছে, করোনার সংক্রমণ সত্যি সত্যি বেড়ে গেলে চিকিৎসা ব্যবস্থায় সংকুলান না ঘটলে এদেরই অনেকেই তখন নানা অভিযোগ ও সমালোচনা করতে খুব একটা বিবেকের চর্চা করবে না। কেন না আমাদের জাতিগত অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো দ্বিচারিতা। এখন যারা করোনা সংক্রমণের বিধিনিষেধ উপেক্ষা করে কেনাকাটা ও ঈদযাত্রায় সব বাধা অতিক্রম করে গ্রামে ছুটছেন, তারা হয়তো সুস্থ আছেন তাই তারা বুঝতে চাচ্ছেন না, করোনা সংক্রমিত হয়ে যারা মৃত্যুবরণ করেছেন কিংবা হাসপাতালে অক্সিজেনের অভাবে পড়ে ছটফট করেছেন, কিংবা সেসব পরিবারের অসহায়ত্বের কথা অনুভব করতে চাচ্ছেন না। এটি হচ্ছে তাদের একরৈখিক মনোবৃত্তি। নিজে ভালো আছি তো নিজের মতোই চলব। কিন্তু যখনই তারাও একই ধরনের বিপদে পড়বেন, তখন তারা ঠিক ভিন্ন কথাই ভাববেন এবং বলবেনও। করোনা এমনই একটি সংক্রমণ ব্যাধি যা কাকে কখন সংক্রমিত করবে তা কেউ আগে থেকে ভাবতে পারে না। কারণ এই ব্যাধিটির জীবাণু মানববাহিত। গত এক বছরেরও বেশি সময় ধরে করোনা ব্যাধির সংক্রমণ নিয়ে বিশেষজ্ঞরা গণমাধ্যমে যেভাবে প্রতিদিন ধারণা দেয়ার চেষ্টা করছেন তা কিশোর থেকে যে কোনো বয়সের মানুষের বোধগোম্য হওয়ার কথা। কিন্তু বাস্তবে সেই চিত্র সামান্যই দেখা যায়। মাস্ক পরিধানের বিষয়টিও এ পর্যন্ত শহরে বেশিরভাগ মানুষের মধ্যে কার্যকর করা যায়নি। গ্রামের মানুষরা মাস্ক নিয়ে এখনো উপেক্ষার মনোবৃত্তি প্রকাশ করে।
করোনা সংক্রমণ শুরু হওয়ার পর দেশে রাজনীতিতে যেভাবে দলমত নির্বিশেষে সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়ানোর আশা করা গিয়েছিলÑ সেটি ঘটেনি। বরং রাজনীতিতে যার যার অবস্থান ও পথচলা অব্যাহত রয়েছে। বাংলাদেশের সমাজে আন্তর্জাতিক ও দেশীয় নানা কারণে রাষ্ট্র, সমাজ, অর্থনীতি, শিক্ষা, সংস্কৃতি, ধর্ম ইত্যাদি বিষয়ে তরুণদের মধ্যে বিভিন্ন ধরনের প্রতিক্রিয়াশীল, উগ্র, হঠকারী চিন্তাধারা ও বিশ্বাসের প্রচার চলে আসছিল। তাতে আকারে ছোট হলেও এক বা একাধিক গোষ্ঠী উগ্র জঙ্গিবাদের সঙ্গে তাদের সংযুক্তির প্রকাশ ঘটিয়েছে। সরকারের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সেগুলোকে কঠোর হস্তে দমনও করেছে। কিন্তু জঙ্গিবাদী মতাদর্শের মূল উৎপাটন সহজ কাজ নয়। তাছাড়া দেশীয় এবং আন্তর্জাতিকভাবে সাম্প্রদায়িকতা, জঙ্গিবাদ, বর্ণবাদ, উগ্রজাতীয়তাবাদ ইত্যাদির ব্যাপক প্রভাব রাজনৈতিক মতাদর্শ ও দলগতভাবে প্রভাব বিস্তার করছে। আমাদের দেশে ধর্মীয় সাম্প্রদায়িকতার প্রভাবে সমাজ, রাজনীতি, বাণিজ্য, প্রশাসন, শিক্ষাব্যবস্থা অনেক আগে থেকেই বিভাজিত। করোনার এই সময়ে দেশে অস্থিরতা তৈরিতে সাম্প্রদায়িক বিভিন্ন গোষ্ঠী নানাভাবে তৎপর। গত মার্চ মাসে সেটির বড় ধরনের বহিঃপ্রকাশও ঘটতে দেখা গেছে। এপ্রিল মাসে কট্টর জঙ্গিবাদী একাধিক গোষ্ঠী সরকারের বিভিন্ন স্থাপনায় আক্রমণ করারও উদ্যোগ নিয়েছিল। এমনকি সংসদ ভবনে হামলা করার গোপন পরিকল্পনাও একটি গোষ্ঠীর ছিল। সেটি ধরা পড়ে যাওয়ায় দৃশ্যমান হতে পারেনি। বোঝাই যাচ্ছে করোনার এই সংকটকালে নানা অপশক্তি সমাজ ও রাষ্ট্রের অভ্যন্তরে নৈরাজ্য ও অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির জন্য তৎপর রয়েছে। একদিকে করোনার নতুন ঢেউ মোকাবিলা করা, অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ সামাল দেয়া, স্থবির শিক্ষাব্যবস্থাকে পুনর্জ্জীবিত করা, দেশের স্বাস্থ্যব্যবস্থায় ব্যাপক পরিবর্তন আনা, টিকা সংগ্রহ এবং ৭০ শতাংশ মানুষকে এর আওতায় আনার ব্যবস্থা করা ইত্যাদি জটিল সমস্যাগুলোর মোকাবিলা করার মধ্যেই আমাদের রাষ্ট্র, সমাজ ও জনগণের অস্তিত্ব টিকে থাকা অনেকটা নির্ভর করছে। সেটি শুধু এককভাবে সরকারের পক্ষে করা সম্ভব নয়। দায়িত্বশীল সব মানুষেরই করোনা সংক্রমণের পরিস্থিতি কাটিয়ে ওঠা এবং নতুনভাবে জীবন-জীবিকাসহ সব কিছু শুরু করার মানসিকতা ও প্রস্তুতি গ্রহণ জরুরি কাজ। কিন্তু ভুলে গেলে চলবে না করোনাকে উপেক্ষা করার পরিণতি কতটা ভয়াবহ হতে পারে। একই সঙ্গে রাষ্ট্রের অস্তিত্বকে বিপন্ন করার জন্য যারা নেপথ্যে বা প্রকাশ্যে ষড়যন্ত্র করছে তাদের কর্মকাণ্ড রোধ করতে না পারলে দেশের অস্তিত্ব রাজনৈতিকভাবে বিপন্ন হবে। এ সম্পর্কে সচেতনতার বিকল্প নেই।

মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী : অধ্যাপক (অবসরপ্রাপ্ত), ইতিহাসবিদ ও কলাম লেখক।
[email protected]

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়