চরম উত্তেজনার মধ্যে রাবি ক্যাম্পাস ছাড়লেন বিদায়ী উপাচার্য

আগের সংবাদ

শিশু সাংবাদিক হেনার ওপর হামলা, মা আশঙ্কাজনক অবস্থায় রমেকে ভর্তি

পরের সংবাদ

রাবি ভিসির শেষ দিনে নিয়োগ নিয়ে ছাত্রলীগের দু’পক্ষে সংঘর্ষ

প্রকাশিত: মে ৬, ২০২১ , ৫:১৯ অপরাহ্ণ আপডেট: মে ৬, ২০২১ , ৫:২১ অপরাহ্ণ

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক এম আব্দুস সোবহানের বিদায়ের দিন চাকরি প্রত্যাশিদের নিয়োগের বিষয় কেন্দ্র করে সংঘর্ষে জড়িয়েছে ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের নেতাকর্মীরা। এ সময় তাদের ওপর লাঠিচার্জ করে ছত্রভঙ্গ করে দেয় পুলিশ। বৃহস্পতিবার (৬ মে) দুপুর পৌনে ১টার দিকে রাজশাহী বিশ্বদ্যিালয় (রাবি) ক্যাম্পাসে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় রাবি কর্মচারীসহ ছাত্রলীগের দুই পক্ষের অন্তত ১০ নেতাকর্মী আহত হয়।

জানা গেছে, বৃহস্পতিবারও চাকরি প্রত্যাশীদের মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছিল। এরই মধ্যে রাবি শাখা ছাত্রলীগের ১২৫ নেতাকর্মীকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে বলে খবর ছড়িয়ে পড়ে। এমন খবরে মহানগর শাখা ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা চাকরি থেকে বঞ্চিত হওয়ার শঙ্কায় তৎক্ষণাৎ রাবি ক্যাম্পাসে অবস্থান নেয় এবং শোডাউন দিতে থাকে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মুখোমুখি অবস্থানে থেকে এ সময় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়লে সংঘর্ষে জড়ায় ছাত্রলীগের দুই পক্ষ। সংঘর্ষে আহত হয় বেশ কয়েকজন। হামলা চালানো হয় সদ্য নিয়োগপ্রাপ্ত রাবি রেজিস্ট্রার আব্দুল্লাহ আল মামুন ও সেকশন অফিসার মাসুদের ওপর। ফলে পরিস্থিতি খারাপের দিকে যেতে থাকলে ঘটনাস্থলে দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যরা ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের ওপর লাঠিচার্জ করে তাদেরকে ছত্রভঙ্গ করে দেয়। পরে মহানগর শাখা ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা ক্যাম্পাস ছেড়ে চলে যায়।

রাবির সাবেক ছাত্রলীগ নেতা ও সেকশন অফিসার কামরুজ্জামান চঞ্চল বলেন, রাবি ভাইস চ্যান্সেলর (ভিসি) আব্দুস সোবহান তার মেয়াদের শেষ দিনে চাকরি প্রত্যাশী ১২৫ জন ছাত্রলীগ নেতাকর্মীকে নিয়োগ দিয়েছেন বলে খবর রটে। ফলে মহানগর ছাত্রলীগের চাকরি প্রত্যাশীরা ক্যাম্পাসে অবস্থান নেয়। এ সময় তারাও চাকরি দাবি করে সংঘবদ্ধভাবে অবস্থান নেয়। এ নিয়ে সেকশন কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে তারা হামলা চালায়। এ সময় আমি এগিয়ে গেলে তারা আমাকেও লাঞ্ছিত করে। পরে পুলিশ তাদেরকে লাঠিচার্জ করে পরিস্থিতি সামাল দেয়।

এ বিষয়ে রাবির ভূতত্ত্ব ও খনিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক সুলতানুল ইসলাম টিপু বলেন, ‘আমরা জানতে পেরেছি উপাচার্য অবৈধভাবে ১২২ জনকে নিয়োগ দিয়েছেন। এতে মতনৈক্য হওয়ায় উভয় পক্ষের সংঘর্ষ হয়।’

তবে নিয়োগের বিষয়ে জানতে চাইলে রেজিস্ট্রার অধ্যাপক আব্দুস সালাম বলেন, ‘নিষেধাজ্ঞা থাকা অবৈধ নিয়োগ সংক্রান্ত কোন বিষয়ের সঙ্গে আমার সম্পর্ক নেই। নিয়োগ হয়েছে কি না সেটাও আমার জানা নেই।’

এ ব্যাপারে রাবি প্রক্টর অধ্যাপক লুৎফর রহমানের মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি ফোন রিসিভ করেন নি। এ বিষয়ে উপাচার্য অধ্যাপক এম আব্দুস সোবহানও কোনো কথা বলতে রাজি হননি।

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়