স্টেশনে লেবু বিক্রি করে ৪০০ কোটির মালিক

আগের সংবাদ

চারশ বছরের পুরনো মন্দিরে মন্ত্র পড়ে রোবট

পরের সংবাদ

সুকির মুক্তি দিয়ে মিয়ানমারে গণতন্ত্র পুনর্বহালের আহ্বান জাতিসংঘের

প্রকাশিত: মে ১, ২০২১ , ১:২৩ অপরাহ্ণ আপডেট: মে ১, ২০২১ , ১:৩২ অপরাহ্ণ

মিয়ানমারে স্টেট কাউন্সেলর অং সান সু কিসহ গ্রেপ্তারকৃত সকলের মুক্তি দিয়ে মিয়ানমারে মিয়ানমারে গণতন্ত্র পুনর্বহালের আহ্বান জানিয়েছে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ। এছাড়া দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার জোট ‘আসিয়ান’ মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর প্রতি সহিংসতা হ্রাস এবং রাজনৈতিক সংকট সমাধানে সংলাপের যে আহ্বান জানিয়েছে, জাতিসংঘের নিরপত্তা কাউন্সিল তাতে সংহতি প্রকাশ করেছে।

আল জাজিরার খবরে বলা হয়েছে, সেনা অভ্যুত্থানের পর থেকে মিয়ানমারের জনগণ গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা পুনর্বহালের দাবি জানাচ্ছে। শুক্রবার জাতিসংঘের শীর্ষ একজন দূতের ব্রিফিং পরবর্তী নিরাপত্তা পরিষদের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে ‘গণতন্ত্র পুনর্বহালের দাবিতে মিয়ানমারের জনগণের ঐক্যবদ্ধ আহ্বান সামরিক শাসকের জন্য ‘অপ্রত্যাশিত সমস্যা’ এবং ক্ষমতা সঙ্কুচিত করছ’ বলে উল্লেখ করা হয়েছে। এর মাধ্যমে মিয়ানমার প্রশাসনে অচল অবস্থা ঝূঁকি তৈরি হয়েছে।

জাতিসংঘের বিশেষ দূত ক্রিস্টিন শ্রেনার বার্গেনার বর্তমানে থাইল্যান্ড অবস্থান করছেন। জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের ১৫ সদস্য বিশিষ্ট কাউন্সিলে দক্ষিণ এশিয়ায় সংলাপে তার মিশ্র অভিজ্ঞতার কথা জানান। সর্বক্ষেত্রে মিয়ানমারের পরিস্থিতির অবনতি হচ্ছে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি।

কাউন্সিলের বৈঠকে জাতিসংঘের বিশেষ এই দূত মিয়ানমারের নৃগোষ্ঠী অঞ্চলে বিদ্রোহ দানা বাঁধছে, প্রতিদিন অনেক দরিদ্র মানুষ চাকরি হারাচ্ছে, কর্মকর্তারা সামরিক অভ্যুত্থানের প্রতিবাদে কাজ করতে অস্বীকৃতি জানাচ্ছেন বলে উল্লেখ করেন।

জাতিসংঘের মিয়ানমারবিষয়ক বিশেষ দূত ক্রিস্টিন শ্রেনার বার্গেনার বলেন, মিয়ানমারের মানুষ অভূতপূর্বভাবে ধর্মীয়, জাতিগোষ্ঠীগত এবং সাম্প্রদায়িক বিভেদ ভুলে গণতন্ত্রের দাবিকে সাধারণ আকাঙ্ক্ষায় পরিণত করেছে। এ ধরনের শক্তিশালী ঐক্য ক্ষমতা সংহত করে অভ্যুত্থান প্রতিষ্ঠিত করতে মিয়ানমারের সামরিক শাসকদের জন্য অপ্রত্যাশিত সমস্যা সৃষ্টি করেছে।

জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ, গত ১ ফেব্রুয়ারি মিয়ানমারে সেনাবাহিনী সামরিক অভ্যুত্থানের পর যে জরুরি অবস্থার ঘোষণা দেয় তার পরবর্তী পরিস্থিতির পরিপ্রেক্ষিতে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। মিয়ানমারে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা রূপান্তরে দেশের জনগণের প্রতি তাদের সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেছে। এছাড়া জাতিসংঘের এই কাউন্সিল তাদের পূর্ব বিবৃতির কথা পুনরায় উল্লেখ করেছে। ওই বিবৃতিতে মিয়ানমারের শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদকারীদের প্রতি সেনাবাহিনীর সহিংস আচরণের তীব্র নিন্দা জানানো হয়।

এমআই

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়