বঙ্গবন্ধুর ১ মে’র ভাষণ ও প্রাসঙ্গিক কথা

আগের সংবাদ

গুজরাটের কোভিড হাসপাতালে আগুন, ১৮ করোনা রোগীর মৃত্যু

পরের সংবাদ

বাংলাদেশের পক্ষে টরন্টো ঘোষণা ও হেলসিঙ্কি আহ্বান ১৯৭১

ড. এম এ মোমেন

সাবেক সরকারি চাকুরে, নন-ফিকশন ও কলাম লেখক

প্রকাশিত: মে ১, ২০২১ , ১২:২২ পূর্বাহ্ণ আপডেট: মে ১, ২০২১ , ১২:২২ পূর্বাহ্ণ

বিশ্ব জনমত বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের পক্ষে চলে এসেছে। কেউ বলছেন দ্বিতীয় মহাযুদ্ধের পর পৃথিবীতে এত বড় মাপের মানবিক বিপর্যয় আর নেমে আসেনি। কেউ বলছেন পাকিস্তানি সৈন্যদের বর্বরতা মার্কিন সৈন্যদের মাইলাই হত্যাকাণ্ডকে মøান করে দিয়েছে। বায়াফ্রায় বর্বরতা দেখে আসা সাংবাদিক পূর্ব বাংলার পরিস্থিতি দেখে হতভম্ব হয়ে গেছেন।
১৯ থেকে ২১ আগস্ট ১৯৭১ কানাডার টরন্টোতে বাংলাদেশে যা ঘটছে এবং যা ঘটতে যাচ্ছে সেসব বিষয় নিয়ে একটি আন্তর্জাতিক সম্মেলন হয়। ৩০ জন খ্যাতিমান পণ্ডিত, সম্পাদক, সংসদ সদস্য ও সাবেক কূটনীতিবিদ পূর্ব পাকিস্তানের ট্র্যাজিক ঘটনাগুলো থেকে উত্থিত বিষয়গুলো আলোচনা করে নিম্নবর্ণিত উদ্বেগজনক টরন্টো ঘোষণা প্রণয়ন করেন এবং বিশ্ব গণমাধ্যমে সম্প্রচারের জন্য তা ঘোষণা করেন :

দ্য টরন্টো ডিক্লারেশন অব কনসার্ন
পূর্ব পাকিস্তানের সাম্প্রতিক ঘটনাপ্রবাহে আমরা ভয়ঙ্কর আতঙ্কিত। এতে মানব ইতিহাসের এক বড় ধরনের দুর্যোগ সৃষ্টি হয়েছে। পাকিস্তানের সামরিক বাহিনীর নির্মম সহিংসতার মুখে লাখ লাখ শরণার্থী দেশ ছেড়ে পালিয়েছে এবং তা এখনো অব্যাহত রয়েছে।
যারা পূর্ব পাকিস্তানের ভেতরে রয়ে গেছে তাদের সামনে দুর্ভিক্ষের হুমকি। শরণার্থীর গণ-আগমন এবং ক্রমবর্ধমান প্রবাহে এ পর্যন্ত ভারতে পৌঁছা সাড়ে সাত মিলিয়ন শরণার্থী ভারতের জন্য গভীর উদ্বেগজনক পরিস্থিতির সৃষ্টি করেছে।
বর্তমান পরিস্থিতি দক্ষিণ এশীয় উপমহাদেশটির জন্য যেমন গোটা পৃথিবীর জন্যও তেমনি শান্তির প্রতি হুমকি হয়ে উঠেছে, পরিস্থিতির ক্রমাবনতি সুপরিচিত পন্থায় বৃহৎ শক্তিগুলোকে ক্ষমতার লড়াইয়ে সম্পৃক্ত করে ফেলবে। জাতিসংঘের মহাসচিবসহ অনেকের সতর্কবাণীর পরও পৃথিবী এখনো অনেকাংশেই নিস্পৃহ রয়ে গেছে। শরণার্থী প্রতিপালনের বিশাল খরচ মূলত ভারতের উপরই বোঝা হয়ে আছে। কোনো কার্যকর চাপ এখনো প্রয়োগ করা হয়নি যে, বিশ্বসম্প্রদায় এই বোঝা বহনে এবং ক্রমবর্ধমান ট্র্যাজেডির নিরসনে এগিয়ে আসবে।
এই সম্মেলন অবিলম্বে হত্যাযজ্ঞ বন্ধ করার আহ্বান জানাচ্ছে। আর কেবলমাত্র রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট বিবেচনায় এনে সমাধানের মাধ্যমেই তা অর্জন করা সম্ভব হবে। আর পূর্ব পাকিস্তানের জনগণের গণতান্ত্রিক সম্মতি ছাড়া দীর্ঘমেয়াদি রাজনৈতিক সমাধান সম্ভব নয়।
সামরিক আদালতে শেখ মুজিবুর রহমানের গোপন বিচার আইনের শাসনের নীতিমালার পরিপন্থি আর তা বিশ্ব জনমতকে ক্ষুব্ধ করেছে এবং সমঝোতা সৃষ্টির সম্ভাবনা দূরে সরিয়ে দিয়েছে। তার মৃত্যুদণ্ড হলে সংকটের শান্তিপূর্ণ সমাধানের সব সম্ভাবনা শেষ করে দেবে। বিষদভাবে দৃষ্টিপাত করলে বোঝা যাবে কোনো সমাধান যদি শরণার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে তাদের গ্রামে ও বাড়িতে ফেরার সুযোগ না করে দেয়, তা কোনো সমাধান বলে বিবেচিত হতে পারে না। সব ধরনের সাক্ষ্য থেকে স্পষ্ট হয়েছে অক্টোবর নাগাদ পূর্ব পাকিস্তানে দুর্ভিক্ষ শুরু হতে যাচ্ছে। বাইরে থেকে অবশ্যই খাদ্যের সরবরাহ আনতে হবে এবং প্রস্তুতি নিয়ে আসা জাতিসংঘের কর্মকর্তাদের তত্ত্বাবধান ও প্রশাসনের আওতায় সরাসরি নিরপেক্ষভাবে গ্রামাঞ্চলে বণ্টন করতে হবে। এই দায়িত্ব কার্যকরী করতে পর্যাপ্ত ত্রাণ সরবরাহ ও জাতিসংঘের জন্য উপযুক্ত ম্যান্ডেট নিশ্চিত করতে হবে।
আমরা পাকিস্তান সরকার এবং বাংলাদেশ আন্দোলনের নেতৃবৃন্দের কাছে আহ্বান জানাই তারা জরুরি মানবিক কর্মসূচি বাস্তবায়নে পূর্ণ সহযোগিতা প্রদান করুন।
আমরা সব সরকারের কাছে দাবি জানাই :
১. পাকিস্তানের জন্য সব ধরনের সামরিক সহযোগিতা বন্ধ করা হোক।
২. পাকিস্তানকে প্রদেয় সব ধরনের আর্থিক সহযোগিতা বন্ধ করা হোক।
৩. সম্ভাব্য সব সম্পদ বৃহত্তর জরুরি কর্মসূচির দুর্ভিক্ষ ত্রাণ হিসেবে জাতিসংঘের মাধ্যমে পূর্ব পাকিস্তানে প্রেরণ করা হোক।
৪. শরণার্থী প্রতিপালনে ভারতের অর্থনৈতিক বোঝা যৌক্তিকভাবে ভাগাভাগি করে নিতে রাষ্ট্রগুলো প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হোক।
৫. শেখ মুজিবুর রহমানের জীবন রক্ষা করতে হস্তক্ষেপ করা হোক।
আমরা একান্তভাবে জরুরিভিত্তিতে সব দেশের নাগরিকদের আহ্বান জানাই সময় ফুরিয়ে যাওয়ার আগে তারা তাদের দেশের সরকারের উপর বর্ণিত বিষয়গুলোতে মনোযোগী হতে চাপ প্রদান করুন।
পূর্ব পাকিস্তানের ঘটনাগুলো নিয়ে গভীরভাবে উদ্বিগ্ন টরন্টোতে অনুষ্ঠিত ইন্টারন্যাশনাল কনফারেন্স অব পিপল এই ঘোষণা প্রদান করেছে।
তারা আরো বলেছেন, আমরা নিরপেক্ষ ও বস্তুনিষ্ঠ থাকার চেষ্টা করেছি। আমরা দুঃখের সঙ্গে জানাচ্ছি পশ্চিম পাকিস্তানের যেসব বিশিষ্টজন এই সম্মেলনে যোগ দেয়ার ইচ্ছে ব্যক্ত করেছিলেন তারা শেষ পর্যন্ত আসেননি।
টরন্টো ডিক্লারেশন যারা সই দিয়েছেন তাদের মধ্যে রয়েছেন :
* হিউ এল কিনলেসাইড, জাতিসংঘ প্রযুক্তি সহায়তার সাবেক মহাপরিচালক।
* বার্নাড ব্রেইন, এমপি, যুক্তরাজ্য।
* স্ট্যানলি ওলপার্ট, অধ্যাপক, ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়।
* চেস্টার রনিং, চীনে নিযুক্ত কানাডার সাবেক রাষ্ট্রদূত।
* হোমার জ্যাক, সচিব, ইন্টারন্যাশনাল রিলিজিয়ন ফর পিস।
* জে টি থর্নসন, ইন্টারন্যাশনাল কমিশন ফর জুরিস্ট।
* রবার্ট ডর্ফম্যান, হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়।
সম্মেলনে বাংলাদেশের দুজন প্রতিনিধি যোগ দিয়েছেন : এম আর সিদ্দিকী এবং এ এম এ মুহিত। ভারত থেকে এসেছেন লোকসভার সদস্য অধ্যাপক নুরুল হাসান এবং টাইমস অব ইন্ডিয়ার রেসিডেন্ট এডিটর অজিত ভট্টাচার্য।
এই সম্মেলনে যুক্তরাষ্ট্রের ৯ জন বিশিষ্ট নাগরিক অংশ নেন। তারা টরন্টো ডিক্লারেশন সমর্থন করা ছাড়াও পৃথক একটি বিবৃতি দেন। তারা সম্মেলনটি সাউথ এশিয়া কনফারেন্স হিসেবে চিহ্নিত করেন। তাদের বিবৃতি :
টরন্টো সাউথ এশিয়া কনফারেন্সে (১৯-২১ আগস্ট, ১৯৭১) যোগদানকারী আমরা নিম্ন স্বাক্ষরকারী আমেরিকান নাগরিকগণ পাকিস্তান সরকারকে আর্থিক সহায়তা প্রদানের পাশাপাশি সামরিক অস্ত্র ও অস্ত্রের খুচরা যন্ত্রাংশ সরবরাহ অব্যাহত রাখার কারণে যুক্তরাষ্ট্র সরকারের প্রতি নিন্দা জ্ঞাপন করছি। এই সাহায্য দক্ষিণ এশিয়ায় সহিংসতা বাড়াতেই কেবল সাহায্য করবে।
আমেরিকার এই কার্যক্রম জাতীয় স্বার্থের পরিপন্থি এবং তা বিশ্ব মানবতার নীতি লঙ্ঘনকারী। বর্তমান কার্যক্রম থেকে সরে এসে টরন্টো ডিক্লারেশন অনুযায়ী কাজ করার জন্য আমরা যুক্তরাষ্ট্রকে আহ্বান জানাচ্ছি।

স্বাক্ষরকারী :
* থোমাস এ ডাইন, সিনেটর ফ্রাঙ্ক চার্চের নির্বাহী সহকারী।
* রবার্ট ডর্ফম্যান, অধ্যাপক, হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়।
* জন রোহড, হার্ভার্ড মেডিক্যাল স্কুল।
* কর্নেলিয়া এফ রোহড, ইন্টারন্যাশনাল রেসকিউ কমিশন।
* স্ট্যানলি ওলপার্ট, অধ্যাপক, ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়।
* হান্না পাপানেক, হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়।
* গুস্তাভ পাপানেক, হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়।
* হোমার জ্যাক, সেক্রেটারি, ইন্টারন্যাশনাল রিলিজিওন ফর পিস।
* হরম্যান ডাল, ফোর্ড ফাউন্ডেশন।

হেলসিঙ্কি আহ্বান : গোপন বিচার বন্ধ করুন, শেখ মুজিবকে মুক্তি দিন
হেলসিঙ্কিতে অবস্থিত ওয়ার্ল্ড পিস কাউন্সিল ১৯৭১ সালের ২০ আগস্ট পাকিস্তান সরকারের কাছে এই আবেদনটি পাঠায় :
মানব আচরণের সব বিধিমালা সম্পূর্ণ অস্বীকার করে এবং বিশ্ব জনমত সম্পূর্ণ অগ্রাহ্য করে পাকিস্তানের ইয়াহিয়া খানের সরকার পূর্ব পাকিস্তানের (বাংলাদেশ) জনগণের নির্বাচিত নেতার বিচারের আয়োজন করেছে। গোপনে বিচার হচ্ছে, কেউ জানে না সামরিক শাসকরা কী ঘটাতে যাচ্ছে। ‘পাকিস্তানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা’র জন্য শেখ মুজিবুর রহমানের কথিত বিচার হচ্ছে। আসলে এ ধরনের শব্দগুচ্ছ সাম্রাজ্যবাদী ব্রিটিশ শাসকদের কাছ থেকে নেয়া। ঔপনিবেশিক রাজত্বের দিনগুলোতে শত শত ভারতীয় দেশপ্রেমিক এবং মুক্তিযোদ্ধার বিচার হয়েছে ‘রাজা-সম্রাটের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা’র জন্য তাদের ফাঁসি দেয়া হয়েছে। কিন্তু সে বিচার কখনো গোপনে হয়নি।
আর সব হত্যাকাণ্ড ও ধ্বংসযজ্ঞের মতো ইয়াহিয়ার একনায়কত্ব বিশ্বের কাছে এটাই প্রকাশ করেছে যে, এটাও জনবিদ্বেষী সাম্রাজ্যবাদী ও স্বৈরাচারীর অনুকারক। যে শেখ মুজিবুর রহমান ভারতে বহিরাগত ব্রিটিশ শাসনের বিরুদ্ধে লড়াই করেছেন আর দোসররা আনুগত্যের সঙ্গে সাম্রাজ্যবাদী শাসনের সেবা করেছেন, সেই মানুষটির একমাত্র অপরাধ পাকিস্তানে অনুষ্ঠিত সর্বপ্রথম সাধারণ নির্বাচনে বাংলাদেশের মানুষ তাকে ও তার দলকে ১৬৯-এর মধ্যে ১৬৭টি আসন উপহার দিয়েছে।
গণতন্ত্রের যে কোনো চর্চায় শেখ মুজিবুর রহমানের আজ পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী থাকার কথা, ইয়াহিয়া খানের আমলাতান্ত্রিক-সামরিক-সামন্ততান্ত্রিক গোষ্ঠী তাকে ক্ষমতা অর্পণ করতে এবং জনগণের প্রকাশ্য রায় মেনে নিতে প্রস্তুত নয়। কাজেই জাতীয় আচরণ ও আন্তর্জাতিক আইনের সম্পূর্ণ ব্যত্যয় আচরণ ও আন্তর্জাতিক আইনের সম্পূর্ণ ব্যতীয় ঘটিয়ে সঙ্গোপনে শেখ মুজিবুর রহমানের বিচার বসানো হয়েছেÑ উদ্দেশ্য, ক্ষমতালোভী ক্ষুদ্র গোষ্ঠীকে সন্তুষ্ট করা, যারা বাংলাদেশের জনগণের ওপর ঔদ্ধত্যপূর্ণ আক্রমণ চালিয়ে যাচ্ছে এবং এর মধ্যে শতসহস্র মানুষকে নির্মমভাবে হত্যা করেছে।
পূর্ব-পশ্চিম-উত্তর-দক্ষিণ পৃথিবীর সর্বত্র জনমত পূর্ব পাকিস্তানের গণহত্যার বিহ্বল হয়ে পড়েছে এবং এই ট্র্যাজেডি অবিলম্বে যদি বন্ধ না করা হয় তাহলে এটা সবার নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাবে। আর এ ধরনের দুর্ভাগ্যজনক পরিণতিতে সমগ্র অঞ্চল বড় মাপের দ্বন্দ্বে জড়িয়ে পড়বে, যা হয়ে উঠবে বিশ্বশান্তির জন্য ভয়াবহ হুমকিস্বরূপ। পৃথিবীর বিভিন্ন ধারার বিভিন্ন মতের মানুষ সর্বসম্মতভাবে জানিয়েছেন এখান থেকে বেরিয়ে আসার একমাত্র পথ বাংলাদেশের রাজনৈতিক সমাধান।
কেবল শেখ মুজিবুর রহমানকে মুক্তি দিয়ে তার ও তার সহকর্মীদের সঙ্গে আলোচনা করে রাজনৈতিক সমাধান বের করা সম্ভব। কারণ তারাই সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগণের ইচ্ছার প্রতিনিধিত্ব করেন। গোপনে তার বিচার করে তার বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ড দেয়ার উপযোগী অভিযোগ দায়ের করা বরং অকারণে ধ্বংসযজ্ঞকেই ডেকে আনা হবেÑ এর পরিণতি হবে ভয়াবহ।
পৃথিবীর যত শান্তিকামী মানুষ পাকিস্তানের জনগণের মঙ্গল ব্যতীত অন্যকিছু চায় না তাদের হয়ে ওয়ার্ল্ড পিস কাউন্সিল ইয়াহিয়া সরকারকে আহ্বান জানাচ্ছে দেরিতে হলেও সচেতন হোক এবং বিচার না করে অবিলম্বে শেখ মুজিবুর রহমানকে মুক্তি দিক। ওয়ার্ল্ড পিস কাউন্সিল সব জাতীয় কমিটিকে আহ্বান জানাচ্ছে যেন তাদের পক্ষ থেকে শেখের মুক্তির দাবি জানিয়ে ইয়াহিয়া খানের কাছে বার্তা পাঠানো হয়।
সময় দ্রুত ফুরিয়ে যাচ্ছে, ওয়ার্ল্ড পিস কাউন্সিল পাকিস্তানি শান্তিকামী শক্তিকে যথাসময়ে সাড়া দেয়ার আহ্বান জানাচ্ছে যেন মহাবিপর্যয় রোধ করা সম্ভব হয়।

ড. এম এ মোমেন : সাবেক সরকারি চাকুরে, নন-ফিকশন ও কলাম লেখক।

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়