সুকির মুক্তি দিয়ে মিয়ানমারে গণতন্ত্র পুনর্বহালের আহ্বান জাতিসংঘের

আগের সংবাদ

মা হওয়ার পর মোটা হয়ে যান কেন নারীরা

পরের সংবাদ

চারশ বছরের পুরনো মন্দিরে মন্ত্র পড়ে রোবট

প্রকাশিত: মে ১, ২০২১ , ১:২৪ অপরাহ্ণ আপডেট: মে ১, ২০২১ , ৯:২৪ অপরাহ্ণ

যে কোনো মন্দির বা মসজিদ হলো আমাদের কাছে আস্থার জায়গা। আমাদের সনাতন হিন্দু ধর্মের অন্তর্নিহিত বিশ্বাস অনুযায়ী, মন্দির মানেই আমাদের কাছে একটিই ছবি ভেসে ওঠে; যে মন্দিরের মাঝে সিংহাসন রয়েছে আর তাতে বসে রয়েছেন কোনো দেবতা বা দেবী।

অন্যদিকে সেই ঠাকুরের পুজোয় ব্যস্ত থাকেন কোনো পূজারী বা পুরোহিত। কিন্তু এখানেই রয়েছে আসল টুইস্ট যা চমকে দেবে আপনাদের। আসলে সেই চিরাচরিত প্রথা মেনে এই মন্দিরে দেখতে পাবেন না পুরোহিত। রয়েছে অন্য কেউ। তবে প্রশ্ন উঠছে কে করেন পুজো?

জানা গেছে, যে মন্দিরটি নাকি প্রায় ৪০০ বছরের বেশি পুরনো। মন্দিরে মূল পূজারী হিসেবে রয়েছে একটি রোবট। এটি আসলে একটি বৌদ্ধ মন্দির। রোবট হিসেবে যে পূজারী পুজো করে তার নাম “মিন্দার”। এক রোবটও যে পুজো করতে পারে তা ভাবতেই অবাক লাগছে?

শুধু যে সে পুজো করে তাই না। এর পাশাপাশি ওই রোবটটি আবার মন্দিরে আগত সমস্ত দর্শনার্থীদের মন্ত্রোচ্চারণ করায়। তবে এই মন্দির আমাদের এই দেশে নেই। জাপানের হনশু দ্বীপের কিয়োটো শহরে এই মন্দির অবস্থিত যার নাম “কোডায়জি” মন্দির।

বৌদ্ধদের করুণার দেবী কানন আসীন রয়েছেন এই মন্দিরে। ওসাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রোবটিকস বিভাগের অধ্যাপক এটি নিজেই উদ্যোগ নিয়ে তৈরি করিয়েছেন। রোবট মিন্দারকে দেখলে কেউ বুঝতে পারবে না যে দুই হাত জোড় করে দেবতার কাছে প্রার্থনা করা এই রোবটের মধ্যে আসলে কোনো প্রাণই নেই। আবার তাকে ঘাড়, হাত ও মাথা নাড়াতে দেখলে তো অবাক হওয়ারই কথা।

মন্দিরের এই উদ্যোগ আসলে তরুণ প্রজন্মকে ভগবান ও ভক্তির প্রতি আস্থা আনাতে নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। তবে কোনো বৌদ্ধ পুরোহিতের জায়গায় একটি প্রাণহীন রোবটের মন্ত্র পড়াকে অনেকে বাঁকা চোখে দেখছেন। এখানে বৌদ্ধ ধর্মের পবিত্রতা রক্ষা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন অনেকেই।

এসআর

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়