শ্রদ্ধাঞ্জলি

আগের সংবাদ

জীবনের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বাঁকে তাঁর অনিবার্য উপস্থিতি সাহস জুগিয়েছে

পরের সংবাদ

আগামী প্রজন্মের সাংবাদিকদের কাছে এক উজ্জ্বল বাতিঘর

প্রকাশিত: এপ্রিল ২৩, ২০২১ , ১২:১১ পূর্বাহ্ণ আপডেট: এপ্রিল ২৩, ২০২১ , ১২:১৪ পূর্বাহ্ণ

পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়

সাংবাদিকতাকে যদি দেশ, সমাজ, রাষ্ট্র এবং সরকারের বিবেক হিসেবে বিবেচনা করা হয় তবে দীর্ঘ অভিজ্ঞতা সমৃদ্ধ হাসান শাহরিয়ার সেখানে একজন অন্যতম প্রধান সেনাপতি। সাধু সাংবাদিকতার মাধ্যমে বাঙালির সমাজ মানস বিনির্মাণ, মানসিকতার পরিবর্তন এবং আত্মশুদ্ধির পথে প্রণোদনাÑএসব মিলিয়ে হাসান শাহরিয়ার পরবর্তী প্রজন্মের সাংবাদিকদের কাছে এক উজ্জ্বল বাতিঘর, এমন মন্তব্যে অতিশয়োক্তি আছে বলে মনে হয় না। দেশের সাংবাদিকতার মানোন্নয়ন এবং সাংবাদিকদের স্বার্থ রক্ষায় অগ্রণী অভিভাবকের ভূমিকা পালন করে তিনি আজ সকলের মাথার ওপর ছায়া।সদালাপি, সুদর্শন এবং গভীর রসবোধসম্পন্ন হাসান শাহরিয়ার দেশে-বিদেশে অনেকেরই প্রিয় বন্ধু। অজাতশত্রু হাসান শাহরিয়ারের বন্ধুভাগ্যে ঈর্ষান্বিত হতে হয়। মন্ত্রী-আমলা-রাজনীতিবিদ থেকে শুরু করে দেশের প্রতিটি ক্ষেত্রে তাঁর রয়েছে নিখাদ বন্ধুত্বের অসংখ্য মানুষ। তাছাড়া শৈশব-কৈশোরের বন্ধুদের ব্যাপারে যেভাবে তিনি খোঁজখবর রাখেন এবং স্মরণে সতত উল্লেখ করেন, তা এ যুগে বিরল। দল-মত নির্বিশেষে জীবনে যেসব গুণীজনের সান্নিধ্যে এসেছেন, সবার প্রতি গভীর শ্রদ্ধায় তিনি লিখেছেন বেশ কিছু অর্থবহ কলাম যা ভবিষ্যতের জন্য সংরক্ষণের দলিল।

সুরমাবিধৌত বৃহত্তর সিলেটের সুনামগঞ্জ শহরে হাসাননগরে হাসান শাহরিয়ারের জন্ম ১৯৪৬ সালের ২৫ এপ্রিল। সুরমা নদীর স্নিগ্ধতা আজো মাখা রয়েছে তাঁর দেহমনে। দৃষ্টি সহায়তাকারী চশমার কাঁচের আড়ালে তাঁর চোখ দুটিতে এখনো শৈশব-কৈশোরের নির্মল সারল্য ও অগাধ কৌতূহল। প্রথম বিদ্যাপীঠ জুবিলি হাইস্কুলের নামে তিনি স্মৃতিকাতর হবেন সেটাই স্বাভাবিক। এখানেই যে তাঁর সাহিত্য, সাংবাদিকতা ও সাংগঠনিক কাজের হাতেখড়ি। জুবিলি স্কুলের ১২৫তম বর্ষপূর্তি উপলক্ষে হাসান শাহরিয়ারের লেখা ‘অবিনশ^র জুবিলি স্কুল’ পড়লে পাঠকমাত্রই নিজ নিজ স্কুলজীবন নিয়ে নস্টালজিক হবেন এবং আনন্দ-বেদনামিশ্রিত দীর্ঘশ্বাস ফেলবেন।

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়