বাঁশখালী বিদ্যুৎকেন্দ্রে শ্রমিক-পুলিশ সংঘর্ষে নিহত ৫, আহত ৫০

আগের সংবাদ

লকডাউনে পুলিশের জেরার মুখে সড়কে নামাজ আদায়

পরের সংবাদ

পুঁজিবাজারে লকডাউন ভীতি কেটে মূলধন ফিরেছে ৩৫০০ কোটি টাকা

প্রকাশিত: এপ্রিল ১৭, ২০২১ , ১২:০৬ অপরাহ্ণ আপডেট: এপ্রিল ১৭, ২০২১ , ১২:৩৪ অপরাহ্ণ

করোনা সংক্রামণ রোধে কড়া লকডাউনের আগে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছিল। এই কারণে বাজারে শেয়ারের বড় পতন ঘটে। তবে লকডাউন শুরুর পর থেকে বিনিয়োগকারীরা আস্থার সঙ্গে পুঁজিবাজারে ফিরেছেন। এতে লকডাউনের প্রথম দুই কার্যদিবস বড় বড় উত্থান হয়েছে পুঁজিবাজারে। আলোচ্য সপ্তাহ শেষে পুঁজিবাজারের সব সূকচই বেড়েছে। একই সঙ্গে বেড়েছে বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিট দর। তবে টাকার পরিমাণে লেনদেন কিছুটা কমেছে। বাজার মূলধন বেড়েছে সাড়ে ৩ হাজার কোটি টাকা। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

সাপ্তাহিক বাজার পর্যালোচনায় দেখা গেছে, বিদায়ী সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবস লেনদেন শুরুর আগে ডিএসইতে বাজার মূলধন ছিল ৪ লাখ ৫৯ হাজার ২৩৯ কোটি ৯৮ লাখ ৫৯ হাজার টাকা। আর সপ্তাহের শেষ কার্যদিবস লেনদেন শেষে বাজার মূলধন দাঁড়ায় ৪ লাখ ৬২ হাজার ৭৫৪ কোটি ৩৯ লাখ ১২ হাজার টাকায়। অর্থাৎ সপ্তাহের ব্যবধানে বিনিয়োগকারীরা ৩ হাজার ৫১৪ কোটি ৪০ লাখ ৫৩ হাজার টাকা বাজার মূলধন ফিরে পেয়েছে।

বিদায়ী সপ্তাহে ডিএসই ২ হাজার ১৯ কোটি ২২ লাখ ৯২২ টাকার লেনদেন হয়েছে। যা আগের সপ্তাহ থেকে ৩০৫ কোটি ৪১ লাখ ৫২ হাজার ১০৭ টাকা বা ১৩.১৪ শতাংশ কম হয়েছে। আগের সপ্তাহে লেনদেন হয়েছিল ২ হাজার ৩২৪ কোটি ৬৩ লাখ ৫৩ হাজার ২৯ টাকার। সপ্তাহে গড় লেনদেন হয়েছে ৫০৪ কোটি ৮০ লাখ ৫০ হাজার ২৩০ টাকার। আগের সপ্তাহে গড় লেনদেন হয়েছিল ৪৬৪ কোটি ৯২ লাখ ৭০ হাজার ৬০৬ টাকার। অর্থাৎ সপ্তাহের ব্যবধানে ডিএসইতে গড় লেনদেন ৩৯ কোটি ৮৭ লাখ ৭৯ হাজার ৬২৪ টাকা বেশি হয়েছে।

সপ্তাহের ব্যবধানে ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ৫৫.৪১ পয়েন্ট বা ১.০৫ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫ হাজার ৩১০.১৯ পয়েন্টে। অপর সূচকগুলোর মধ্যে শরিয়াহ সূচক ১১.৪২ পয়েন্ট বা ০.৯৫ শতাংশ এবং ডিএসই-৩০ সূচক ৩৬.৪৩ পয়েন্ট বা ১.৮৩ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়ে যথাক্রমে ১ হাজার ২০৯.০৮ পয়েন্ট এবং ২০২৬.৮২ পয়েন্টে। বিদায়ী সপ্তাহে ডিএসইতে মোট ৩৬৭টি প্রতিষ্ঠান শেয়ার ও ইউনিট লেনদেনে অংশ নিয়েছে। প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে দর বেড়েছে ২১৭টির বা ৫৯.১৩ শতাংশের, কমেছে ৯০টির বা ২৪.২ শতাংশের এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৬০টির বা ১৬.৩৫ শতাংশের শেয়ার ও ইউনিট দর।

দেশের অপর পুঁজিবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) বিদায়ী সপ্তাহে টাকার পরিমাণে লেনদেন হয়েছে ৭৩ কোটি ৪৪ লাখ ৫০ হাজার ৯৪৪ টাকার। আর আগের সপ্তাহে লেনদেন হয়েছিল ২৯৭ কোটি ৫৫ লাখ ৬১ হাজার ৯২ টাকার। অর্থাৎ সপ্তাহের ব্যবধানে সিএসইতে লেনদেন ২২৪ কোটি ১১ লাখ ১০ হাজার ১৪৮ টাকা বা ৭৫ শতাংশ কমেছে।

আলোচ্য সময়ে সিএসইর সার্বিক সূচক সিএএসপিআই ১৪৮.১৬ পয়েন্ট বা ০.৯৭ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৫ হাজার ৩৭৯.২১ পয়েন্টে। সিএসইর অপর সূচকগুলোর মধ্যে সিএসসিএক্স ৮৭.৩৯ পয়েন্ট বা ০.৯৫ শতাংশ, সিএসই-৩০ সূচক ১২৯.৯৪ পয়েন্ট বা ১.১১ শতাংশ, সিএসই-৫০ সূচক ১২.৪১ পয়েন্ট বা ১.০৭ শতাংশ এবং সিএসআই ৮.৮৯ পয়েন্ট বা ০.৯২ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে যথাক্রমে ৯ হাজার ২৭৭.৮১ পয়েন্ট, ১১ হাজার ৮২৪.৭৫ পয়েন্টে, ১ হাজার ১৬৮.৮২ পয়েন্টে এবং ৯৭৬.১৩ পয়েন্টে। সপ্তাহজুড়ে সিএসইতে ২৭৯টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিট লেনদেনে অংশ নিয়েছে। প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে ১৪৯টির বা ৫৩.৪১ শতাংশের দর বেড়েছে, ১০১টির বা ৩৬.২০ শতাংশের কমেছে এবং ২৯টির বা ১০.৩৯ শতাংশের দর অপরিবর্তিত রয়েছে।

ইভূ

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়