‘খালেদার চিকিৎসা কোথায় হবে সিটি স্ক্যানের উপর সিদ্ধান্ত’

আগের সংবাদ

গুচ্ছে আবেদনের সময়সীমা বাড়ছে, জমা পড়েছে সাড়ে তিন লাখ

পরের সংবাদ

পর্যাপ্ত পরিবহনের ব্যবস্থা না করে কারখানা খোলা রেখে শ্রমিকদের হয়রানির নিন্দা জি-স্কপের

প্রকাশিত: এপ্রিল ১৫, ২০২১ , ৫:৫৮ অপরাহ্ণ আপডেট: এপ্রিল ১৫, ২০২১ , ৫:৫৮ অপরাহ্ণ

গার্মেন্টস শ্রমিক কর্মচারী ঐক্য পরিষদ (জি-স্কপ) এর যুগ্ম সমন্বকারী আব্দুল ওয়াহেদ এবং কামরুল আহসান এক বিবৃতিতে পর্যাপ্ত পরিবহনের ব্যবস্থা না করে লকডাউনের মধ্যে কারখানা খোলা রেখে শ্রমিক হয়রানির নিন্দা এবং করোনা সংক্রমণের ঝুঁকি নিয়ে কর্মরত শ্রমিকদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করা ও ঝুঁকি ভাতা দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

বৃহষ্পতিবার (১৫ এপ্রিল) বিবৃতিতে নেতারা বলেন, গার্মেন্টস মালিকরা বারবার নিজেদের দেওয়া প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করছেন। তারা উৎপাদন এবং রপ্তানির প্রয়োজন দেখিয়ে নিজ ব্যবস্থাপনায় শ্রমিক পরিবহনের ব্যবস্থা এবং কারখানায় স্বাস্থ্যবিধির যথাযথ বাস্তবায়ন করবেন এই শর্তে লকডাউনের মধ্যে পোষাক কারখানা খোলা রাখার অনুমতি নিয়েছেন। বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যম বলছে, শ্রমিকদের নিয়ে যাওয়ার জন্য পরিবহনের ব্যবস্থা না করে কারখানা খোলা রাখায় সর্বাত্মক লকডাউনের প্রথম দিনেই শ্রমিকরা পরিবহন সংকট, অতিরিক্ত যাতায়াত ব্যয় বহন, জিজ্ঞাসাবাদসহ নানা হয়রানির শিকার হয়েছেন। তাছাড়া শ্রমিকদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করার কথা বলা হলেও সকল কারখানায় প্রয়োজনীয় আয়োজন করা হয়নি। নেতারা বলেন, করোনা সংক্রমণ পরিস্থিতির এক বছর অতিক্রান্ত হওয়া এবং সরকারের কাছ থেকে বিভিন্ন ভাবে প্রায় অর্ধ লক্ষ কোটি টাকা ঋণের সমর্থন পাওয়ার পরও এ ধরণের দায়িত্বহীন আচরণ কাম্য নয়।

নেতারা বলেন, করোনা পরিস্থিতি এই সত্যকে নতুন করে সামনে এনেছে যে শ্রমিকরাই জীবনের ঝুঁকি নিয়ে দেশের উৎপাদন, রপ্তানি তথা অর্থনীতির চাকা চালু রাখে। অথচ সেই শ্রমিকের কপালে জোটে অনাহার, বিনা চিকিৎসা, হয়রানি আর নির্যাতন। করোনা সংক্রমণের মারাত্মক ঝুঁকি এবং লকডাউনের মধ্যেও বকেয়া বেতনের দাবিতে আশুলিয়া এবং গাজিপুরে শ্রমিকদের রাস্তায় নামতে হয়েছে। এই পরিস্থিতির জন্য দায়ি মালিকের বিরুদ্ধে কোন শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে কি? শ্রমিকদের সুরক্ষায় রাষ্ট্রের দায়িত্বহীন আচরন মালিকদের চূড়ান্ত দায়িত্বহীন হতে উৎসাহিত করে।

করোনা সংক্রমিত শ্রমিকের জন্য যথাযথ চিকিৎসার আয়োজন না করে তাকে বাধ্যতামূলক ছুটিতে বাসায় পাঠিয়ে দিয়ে দায়মুক্ত হওয়া যাবেনা এমন মন্তব্য করে নেতৃবৃন্দ বলেন, জীবনের ঝুঁকি নিয়ে উৎপাদনের চাকা সচল রেখেছে যে শ্রমিক তাদের ঝুঁকি ভাতা দিতে হবে এবং ফ্রন্ট লাইনার হিসাবে বিবেচনা করে করোনা পরীক্ষা এবং টিকা প্রদানের ব্যবস্থা করা সেই সঙ্গে করোনার অজুহাতে গত বছরের মত শ্রমিক ছাঁটাই কিংবা বেতন-ভাতা কর্তন করা যাবেনা।

ইভূ

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়