গুচ্ছে আবেদনের সময়সীমা বাড়ছে, জমা পড়েছে সাড়ে তিন লাখ

আগের সংবাদ

চাঁপাইনবাবগঞ্জের রহনপুর বিজিবি 'র অভিযানে ইয়াবা ও হেরোইন আটক

পরের সংবাদ

চিকিৎসকদের উপরও গুলি করছে মিয়ানমার সেনারা

প্রকাশিত: এপ্রিল ১৫, ২০২১ , ৬:১৩ অপরাহ্ণ আপডেট: এপ্রিল ১৫, ২০২১ , ৬:১৩ অপরাহ্ণ

রক্তবন্যা বইছে মায়ানমারে। গণতন্ত্রকে সমূলে বিনাশ করতে নির্বিচার হত্যাকাণ্ড চালাচ্ছে জান্তা সরকার। এবার তাদের বন্দুকের নলের নিশানা হয়ে ওঠেছে হাজার হাজার চিকিৎসক, স্বাস্থ্যকর্মী। বৃহস্পতিবার মান্দালয়ে চিকিৎসকদের উপর হামলা চালিয়েছে সেনাবাহিনী। তাঁদের অপরাধটা কী? গণতন্ত্র ফেরানোর দাবিতে রাস্তায় নেমেছিলেন তাঁরা। তাঁদের সেই প্রতিবাদী কণ্ঠের টুটি চেপে ধরতে আবার গর্জে উঠল জান্তা নিয়ন্ত্রিত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অত্যাধুনিক রাইফেল।

স্থানীয় সূত্রে খবর, সেনাবাহিনীর অতর্কিত হামলায় এরই মধ্যে ১০-১৫ জন চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীর মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন বহু। যদিও এ প্রসঙ্গে জান্তা সরকারের মুখপাত্রের কোনও মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
গত ১ ফেব্রুয়ারি অভ্যুত্থানের পর আড়াই মাসে ক্ষমতা আকড়ে থাকা সেনাবাহিনীর গুলিতে অন্তত সাড়ে ৭০০ মানুষের মৃত্যু হয়েছে। গণতন্ত্রী পন্থি নেত্রী অং সান সু কি এবং তার নেতৃত্বাধীন দল এনলিডির নেতাদের মুক্তির দাবিতে লাখ লাখ মানুষ প্রতিবাদ মুখর হয়ে ওঠে। সেনা বন্দুকের গুলির ভয় উপেক্ষা রোজ রাজপথে নামছে। গলতন্ত্রের জন্য প্রাণ বিলিয়ে দিতে দ্বিধা করছে না বিক্ষুব্ধ মানুষ।

মায়ানমারে এখন নববর্ষের সপ্তাহ চলছে। এই সপ্তাহে সেনাশাসনের বিরুদ্ধে ফের একবার গর্জে উঠছেন গণতন্ত্রকামীরা। সপ্তাহজুড়ে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে প্রতিবাদ মিছিলের পরিকল্পনা করেছেন তাঁরা। এবার সেই আন্দোলনের মুখ হয়ে উঠছেন চিকিৎসক, স্বাস্থ্যকর্মীরা। আর তাঁদের রুখতে মরিয়া বাহিনীও। মান্দালয়ে প্রতিবাদ মিছিল চলাকালীন এলাকা ঘিরে ফেলে বাহিনী। শুরু হয় গুলিবর্ষণ। কতজনের মৃত্যু হয়েছে বা কতজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছে বিবিসি। চিকিৎসকদের আন্দোলনে নেতৃত্ব দেওয়া বেশ কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

এদিকে পালটা প্রতিরোধ গড়ে তুলছেন মিয়ানমারের আমজনতা। সেনার উপর চোরাগোপ্তা হামলা চালাচ্ছেন তাঁরাও। গত রবিবার সকালে মান্দালয়ের মায়াদি ব্যাংকের বাইরে বিস্ফোরণ ঘটে। সেখানে এক নিরাপত্তাকর্মী গুরুতর জখম হন। মায়াদি ব্যাংকের বাইরে বিস্ফোরণ বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। কারণ, এই ব্যাংকটি পরিচালনা করে সে দেশের সেনাবাহিনী। এই ব্যবসা থেকেই সেনাবাহিনী বিপুল পরিমান আয় হয়ে থাকে। এখন ব্যাকটিকে বয়কট করার চেষ্টা করছে এর গ্রাহকরাও।

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়