বুড়িগঙ্গায় নৌকা চলাচল সীমিত

আগের সংবাদ

এসএমএস পাওয়ার পরই দ্বিতীয় ডোজের টিকা নিতে হবে

পরের সংবাদ

এক গাছে ৩০০ জাতের আম!

প্রকাশিত: এপ্রিল ১৪, ২০২১ , ১:৫৪ অপরাহ্ণ আপডেট: এপ্রিল ১৪, ২০২১ , ২:০৯ অপরাহ্ণ

বিভিন্ন প্রজাতির আম গাছের সঙ্গে আমরা পরিচিত, কিন্তু এক গাছে ৩০০ জাতের আম হতে পারে তা অবিশ্বাস্য। যদি একটি ফুলের গাছে বিভিন্ন জাতের ফুল ধরতে পারে তবে কেন বিভিন্ন জাতের ফল ধরবে না। এই প্রশ্ন থেকে ৩০০ প্রজাতির আম গাছ উৎপাদন করে ফেলেন ভারতের ম্যাংগো ম্যান খ্যাত হাজী কলিমুল্লাহ খান।

তিনি বিশ্বখ্যাত উদ্যানবিদ ও ফল প্রজননকারী। আমের প্রজননের ক্ষেত্রে তার কৃতিত্বের জন্য তিনি পরিচিত। তিনি উত্তর ভারতের মালিহাবাদের বাসিন্দা ছিলেন।

হাজী কলিমুল্লাহ খান ১৫ বছর বয়সে স্কুল বাদ দিয়ে আমের জীবন বৃদ্ধির জন্য বর্ধন ও প্রজনন করতে যান। তখন তার পরিবার উত্তর ভারতের মালিহাবাদের বেশিরভাগ কৃষকের মতো গ্রীষ্মমন্ডলীয় ফলের মাত্র দুটি জাত উৎপাদন করতো। কিন্তু একদিন বন্ধুর ফুলের বাগানে গোলাপ গাছে বিভিন্ন রঙের ফুল দেখে উৎসাহিত হয়ে একটি গাছে বিভিন্ন জাতের ফল উৎপাদনের চিন্তা করেন। তিনি তখন গাছের ক্রস ব্রিডিংয়ের বিষয়ে জানতে পারেন।

ম্যাংগু ম্যান হাজী কলিমুল্লাহ খান। ছবি: অডিটি সেন্ট্রাল

উদ্যানচর্চায় হাজী কলিমুল্লাহ খানের অর্জনের মধ্যে সবচেয়ে বিখ্যাত একটি আমের গাছে ৩০০ টি বিভিন্ন জাতের আম উৎপাদন করা। ১৯৮৭ সালে তিনি একটি প্রকল্প শুরু করেন। আমের বাগানের একটি গাছ থেকে একটি শাখা কাটেন। তারপর তা নতুন গাছের সঙ্গে সংযুক্ত করেন।

আশির দশকের শেষের দিকে তিনি ১০০ বছর বয়সী আম গাছ নিয়ে কাজ শুরু করেন তার নাম আল মুকারার বা দ্য রেজলিউশন। এই কাজটি ভারতের বিশেষজ্ঞ উদ্যানতত্ত্ববিদদের গর্ব ও আনন্দ হয়ে উঠেছিল। তিনি কৌশল ব্যবহার করে ৮ বছরে একটি আমের বাগান তৈরি করেন।

গ্রীষ্মে খানের আশ্চর্যজনক আমের গাছ সবুজ ফল থেকে লাল, বেগুনি বিভিন্ন রঙের আম দেখা যায়। কিছু ফলের বৃত্তাকার বা ডিম্বাকৃতি অথবা কিডনি আকৃতির হয়। আকারগুলি একই সঙ্গে পৃথক হয়, যা বিভিন্ন জাতের জন্য স্বাভাবিক।

এফবি

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়