শাপলা চত্বরকাণ্ডে ৮৩ মামলা সচল, নতুন চাপে হেফাজত

আগের সংবাদ

বিশ্বে করোনা সংক্রমণে দ্বিতীয় স্থানে ভারত

পরের সংবাদ

পুঠিয়া পৌরসভা মেয়রের বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা

প্রকাশিত: এপ্রিল ১২, ২০২১ , ৯:২৫ পূর্বাহ্ণ আপডেট: এপ্রিল ১২, ২০২১ , ৯:৪৩ পূর্বাহ্ণ

রাজশাহীর পুঠিয়া পৌরসভা মেয়র এর বিরুদ্ধে ধর্ষনের অভিযোগ পাওয়া গেছে। মামলা সূত্র মতে পুঠিয়া পৌরসভার মেয়রের বিরুদ্ধে ধর্ষণ, নির্যাতন মামলাটি করেছে সরকারি হাসপাতালের একজন সিনিয়র নার্স।

জেলা পুলিশ সুপার এবিএম মাসুদ হোসেন এর নির্দেশনা রয়েছে, কোন অপরাধের নিস্তার নেই। অপরাধীকে শাস্তি ভোগ করতেই হবে। রবিবার রাতেই পৌর মেয়রের বিরুদ্ধে একটি ধর্ষণ মামলা করেছে ভুক্তভোগী। প্রকৃত সত্য ঘাটন উৎঘাটন করা হবে। অপরাধের বিষয় গুরুত্ব রেখেই আসামির বিরুদ্ধে আইননুনাগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ইফতেখায়ের আলম।

বিয়ের প্রলোভনে ২ বছর ধর্ষণের অভিযোগে পুঠিয়া পৌরসভার মেয়র ও বিএনপি নেতা আল মামুন খানের বিরুদ্ধে একজন সিনিয়র নার্স মামলা দায়ের করেছে। রবিবার (১১ এপ্রিল) রাত সাড়ে ১১টার সময় মামলাটি দায়ের করেছে ওই নার্স। তথ্য অনুসন্ধানে জানা গেছে, ভুক্তভোগী ওই নার্স ঢাকার জাতীয় নাক কান গলা ইন্সটিটিউটে কর্মরত রযেছে।

পুঠিয়া থানার মামলার এজাহার মতে, গত ২০১৯ সালে দুর্গাপুর থানার বাসিন্দা ওই নার্স পুঠিয়ার একটি ক্লিনিকে কাজ করতো। ওই সময় মামুন নার্সের সঙ্গে সর্ম্পক গড়ে তোলে। তারপর তাকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে প্রায়ই ধর্ষণ করতো। সম্প্রতি মেয়েটি মামুনের সঙ্গে বিয়ের দাবি জানালে ধর্ষক সব বিষয় অস্বীকার করে। তাদের অবৈধ্য সর্ম্পকের সামাজিক মর্যাদা আদায়ে রবিবার দুপুর থেকে বিয়ের দাবিতে মেয়রের চেম্বারে অবস্থান নিয়েছিলেন। কিন্ত নার্সকে নির্যাতন করে বের করে দেয়।

ওই ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ তাকে উদ্ধার করে পুঠিয়া থানায় নিয়ে আসে। পরে রাত সাড়ে ১১টার দিকে থানায় মামলা দায়ের করে।

পুঠিয়া থানার ওসি সোহরাওয়ার্দী হোসেন জানান, মেয়েটি নিজেই বাদী হয়ে এজাহার দিয়েছেন। ধর্ষণের বর্ণনা দিয়েছে। এ বিষয়ে থানায় তার এজাহারটি মামলা হিসেবে রেকর্ড করা হয়েছে। পুলিশ অভিযুক্ত আসামিকে আটকের চেষ্টা করছে।

এসআর

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়