এক অধিনায়কে বিশ্বাসী সাকিব

আগের সংবাদ

যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ স্বীকৃতি পাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

পরের সংবাদ

প্রিন্স ফিলিপের বেড়ে ওঠা

প্রকাশিত: এপ্রিল ৯, ২০২১ , ৯:৫৪ অপরাহ্ণ আপডেট: এপ্রিল ৯, ২০২১ , ৯:৫৪ অপরাহ্ণ

প্রিন্স ফিলিপ অব গ্রিস করফু দ্বীপে ১৯২১ সালের ১০ জুন জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবা ছিলেন প্রিন্স অ্যান্ড্রু অব গ্রিস, রাজা প্রথম জর্জ অব হেলেনসের কনিষ্ঠ পুত্র। তার মা প্রিন্সেস অ্যালিস অব বাটেনবার্গ, প্রিন্স লুইস অব বাটেনবার্গের বড় সন্তান। আর বোন আর্ল মাউন্টব্যাটেন অব বার্মা।

১৯২২ সালে অভ্যুত্থানের পর তার বাবাকে গ্রিস থেকে নির্বাসনে পাঠায় বিপ্লবী আদালত। তখন পরিবারটিকে ইতালি নিয়ে যেতে রাজা পঞ্চম জর্জ একটি ব্রিটিশ যুদ্ধজাহাজ পাঠান। এই সমুদ্রযাত্রার বেশিরভাগ সময় কমলাবাহী একটি ঝুড়িতে থাকতে হয়েছে শিশু প্রিন্স ফিলিপকে।

তিনি ছিলেন বাবা-মায়ের কনিষ্ঠ সন্তান, আর পরিবারে বোনদের একমাত্র ভাই। যে কারণে বেশ আদর আর ভালোবাসায় তার শৈশব কেটেছে। তার শিক্ষাজীবন শুরু হয় ফ্রান্সে। সাত বছর বয়সে ইংল্যান্ডের মাউন্টব্যাটেনে আত্মীয়দের সঙ্গে বসবাস করতে চলে আসেন। এখানে সুরি কাউন্টিতে একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে তিনি ভর্তি হন। এ সময়ে তার মায়ের শরীরে সিজোফ্রেনিয়া ধরা পড়লে তাকে আশ্রয়কেন্দ্রে রাখা হয়। এতে বালক রাজপুত্রের সঙ্গে তার মায়ের যোগাযোগ হত কম।

১৯৩৩ সালে জার্মানির দক্ষিণাঞ্চলে সুল স্কালোস সালেমে যান তিনি। শিক্ষায় পথ প্রদর্শক কুর্ট হান পরিচালন করতেন এই প্রতিষ্ঠানটি। কিন্তু কুর্ট হান ইহুদি ধর্মাবলম্বী হওয়ায় কয়েক মাসের মধ্যে তাকে নাৎসিদের নির্যাতনের কবলে পড়ে পালিয়ে যেতে হয়েছে।

এরপর প্রিন্স ফিলিপ পাড়ি জমান স্কটল্যান্ডে, সেখানে গর্ডোনস্টাউন স্কুলে ভর্তি হন। স্কুলটি ছিল কিশোর ফিলিপসের জন্য আদর্শ পরিবেশ। বাবা-মাকে ছাড়া বসবাস করায় এখানে সবকিছু তাকেই করতে হত। এরপর যুদ্ধ চলে আসলে প্রিন্স ফিলিপ সামরিক বাহিনীতে ক্যারিয়ার গড়ার সিদ্ধান্ত নেন। তিনি রাজকীয় বিমান বাহিনীতে যোগ দেন। তার মায়ের পরিবারের সমুদ্রভ্রমণের ঐতিহ্য ছিল। তাই পরবর্তীতে তিনি ডারমাউথে ব্রিটানিয়া রয়েল নেভাল কলেজের একজন ক্যাডেট হন।

 

ইভূ

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়