ডি-৮ শীর্ষ নেতাদের বৈঠক আজ, সভাপতিত্ব করবেন প্রধানমন্ত্রী

আগের সংবাদ

মানুষকে বাঁচাতে আরও কঠোর পদক্ষেপ নেব: প্রধানমন্ত্রী

পরের সংবাদ

করোনা উৎসের রিপোর্ট নিয়ে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নিন্দা যুক্তরাষ্ট্রের

প্রকাশিত: এপ্রিল ৮, ২০২১ , ১:১৬ অপরাহ্ণ আপডেট: এপ্রিল ৮, ২০২১ , ১:২৪ অপরাহ্ণ

চীনে প্রথম করোনা ভাইরাস শনাক্ত হয়। তারপর পুরো বিশ্বে ছড়িয়ে পরে। করোনা ভাইরাসের উৎপত্তিস্থল নিয়ে দ্বন্দে রয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। সম্প্রতি চীনের সঙ্গে বিশ্ব স্বাস্থ্য স্ংস্থার একটি প্রতিবেদনে এসেছে চীনের গবেষনাগার থেকে এই ভাইরাস ছড়ায়নি।

যুক্তরাষ্ট্র শুরু থেকেই এই ভাইরাস সম্পর্কে চীনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। এবার বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তীব্র নিন্দা করে মার্কিন পররাষ্ট্র দফতরের মুখপাত্র নেড প্রাইস বলেন, দেরি না করে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নতুন করে তদন্ত শুরু করা উচিত। সারা বিশ্বকে সংকটে ফেলেছে এই ভাইরাস। অথচ এই ভাইরাসের উৎপত্তি কোথা থেকে সেই নিয়ে কোনো পর্যাপ্ত তথ্য নেই বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার কাছে। রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ থেকে মুক্ত হয়ে স্বচ্ছতার সঙ্গে এই রিপোর্ট প্রকাশ করা উচিত। খবর বিবিসির।

তিনি বলেন, রিপোর্ট পর্যবেক্ষণ করে এটা স্পষ্ট যে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার রিপোর্টে পর্যাপ্ত তথ্যের অভাব রয়েছে। তথ্যের অভাবে ওই রিপোর্ট এক্সেস করা সম্ভব নয়। এটি একটি অসম্পূর্ণ রিপোর্ট। এটা শুধু আমরা বলছি না। অন্যান্য দেশও একই মত পোষণ করেছে। আমরা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাকে অনুরোধ করছি যাতে এই গবেষণাটির দ্বিতীয় পর্যায়টি আর দেরি না করে শুরু হয়। এই তদন্ত বিশেষজ্ঞদের দ্বারা পরিচালনা করা উচিত এবং এতে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা উচিত। এই তদন্ত যেন রাজনৈতিক সহ যে কোনও হস্তক্ষেপ থেকে মুক্ত হয়।

নেড প্রাইস আরও বলেন, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার রিপোর্টটি আবার পর্যালোচনা করা উচিত। সঠিক তথ্য জানতে পারলে এই ভাইরাস সম্পর্কে গবেষণা করতে সুবিধা হবে। এবং এই সংক্রমণকে লাগাম পরানো যাবে।

৩৪ বিশেষজ্ঞের একটি দল চীনের উহান শহরে ১৪ দিনের তদন্তের পরে বলেছিল যে, ভাইরাসটির উৎস এই মুহুর্তে পাওয়া যায়নি এবং এটি নিয়ে আরও বিশদ তদন্তের প্রয়োজন আছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা প্রধান টেদ্রোস অ্যাধনম গ্র্যাব্রেইসাসও কোভিড ১৯ এর প্রাথমিক তথ্য সংগ্রহের জন্য চীনে বিশেষজ্ঞদের দলটির যে সমস্যাগুলির মুখোমুখি হয়েছিল তা স্বীকার করেছে।

মার্কিন জাতীয় স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটস ফাইজার-বায়োএনটেক এবং মাদার্নার কোভিড-১৯ ভ্যাকসিনের অ্যালার্জিজনিত প্রতিক্রিয়ার ঝুঁকি নির্ধারণের জন্য একটি গবেষণা শুরু করেছে।

মার্কিন জাতীয় স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট-এর প্রধান জনিয়েছেন, ফাইজার-বায়োএনটেক এবং মাদার্নার কোভিড ভ্যাকসিন নেওয়ার পর অ্যালার্জির সমস্যা অত্যাধিক বেড়ে যায়।

এফবি

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়