হেফাজত নেতা মামুনুলকে গ্রেপ্তারে আল্টিমেটাম

আগের সংবাদ

গণমাধ্যমকর্মীদের সুরক্ষায় আইনের দাবি: ডিইউজে নেতৃবৃন্দ

পরের সংবাদ

দ্রব্যমূল্য স্বাভাবিক ও সহনীয় পর্যায়ে রয়েছে: বাণিজ্যমন্ত্রী

প্রকাশিত: এপ্রিল ১, ২০২১ , ৬:১৪ অপরাহ্ণ আপডেট: এপ্রিল ১, ২০২১ , ৬:১৪ অপরাহ্ণ

বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি বলেছেন, সম্প্রতি দেশে চাল, ভোজ্য তেল, আটা, শুকনো মরিচের দাম বেড়ে গিয়েছিল। তবে বাণিজ্যমন্ত্রণালয়ের সময়োপযোগী পদক্ষেপের ফলে এসব নিত্যপণ্যের মূল্য আগের মতো স্বাভাবিক ও সহনীয় পর্যায়ে চলে এসেছে। ভবিষ্যতে নিত্যপণ্যের দাম সহনীয় পর্যায়ে রাখতে সময়োপযোগী কার্যক্রম অব্যাহত রাখা হবে।

বৃহস্পতিবার (১ এপ্রিল) সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য আদিবা আনুম মিতা ও লক্ষ্মীপুর-১ আসনের আনোয়ার হোসেনের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, প্রতি বছর রমজান মাসকে কেন্দ্র করে কিছু অসাধু ব্যবসায়ী নিত্যপণ্যের মূল্য হঠাৎ করে বৃদ্ধি করার প্রবণতা দেখায়। নিত্যপণ্যের মূল্য সহনীয় পর্যায়ে রাখতে প্রতি বছরের মতো এবারও বাণিজ্য মন্ত্রণালয় প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিয়ে তা বাস্তবায়ন করে যাচ্ছে। খোলা বাজারে চাল, ডাল, তেলসহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় পণ্যের ঊর্ধ্বগতি দেখা গেছে। এ নিয়ে ক্রেতা-বিক্রেতাদের অভিযোগও উঠেছে। ক্রেতাদের দাবি রমজানকে সামনে রেখে যেন কোনো দ্রব্যের দাম না বাড়ে, সরকার যেন বিষয়টি কঠোরভাবে পর্যবেক্ষণ করে।

আওয়ামী লীগ দলীয় সংসদ সদস্য আ কা ম সরোয়ার জাহানের প্রশ্নের জবাবে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের সব থেকে নিকটতম বন্ধু রাষ্ট্র ভারতের সঙ্গে বাণিজ্য ঘাটতি কমাতে সরকার নানামুখি পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে একটি দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য চুক্তি ১৯৭২সালে স্বাক্ষরিত হয়। যা আর ও যুগোপযোগী করে সংশোধনপূর্বক ২০১৫ সালে নবায়ন করা হয়েছে। ভারতের সঙ্গে বাণিজ্য ঘাটতি কমাবার লক্ষ্যে দেশটির সঙ্গে একটি কম্প্রিহেনসিভ ইকনোমিক পার্টনারশিপ এগ্রিমেন্ট (সিইপিএ) সম্পাদনের পরিকল্পনা নেওয়া হযেছে।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ভারতের সঙ্গে বাণিজ্য ঘাটতি কমাবার লক্ষ্যে দেশটির সঙ্গে একটি কম্প্রিহেনসিভ ইকনোমিক পার্টনারশিপ এগ্রিমেন্ট (সিইপিএ) সম্পাদনের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। এ লক্ষ্যে যৌথ সম্ভাব্যতা সমীক্ষা প্রণয়নের কার্যক্রম চলমান রয়েছে। বাংলাদেশ (এসএএফটিএ) চুক্তির আওতায় ভারতে তামাক ও মদ জাতীয় পণ্য ব্যতীত সকল পণ্য শুল্কমুক্ত সুবিধা পাচ্ছে।

দুই দেশের বাণিজ্য চিত্র তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, ২০১৯-২০ অর্থবছরে ভারত থেকে বাংলাদেশে আমদানির পরিমাণ ছিল ৪৮ হাজার ৯৪৭ দশমিক ৭১ কোটি টাকা এবং ভারতে বাংলাদেশের রপ্তানির পরিমাণ ছিল ৯ হাজার ২৯৫ দশমিক ১১ কোটি টাকা। অর্থাৎ ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্য ঘাটতির পরিমাণ ছিল ৩৯ হাজার ৬৫২ দশমিক ৬০ কোটি টাকা।

এমএইচ

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়