মোরেলগঞ্জে ৬১ মুক্তিযোদ্ধাকে বাদ দিয়ে নতুন তালিকা

আগের সংবাদ

জার্মানি ও ফ্রান্সে বাড়ছে লকডাউন, ব্রিটেনে শিথিল

পরের সংবাদ

বইমেলায় পাঠকের ঢল, জমেছে বেচাবিক্রিও

প্রকাশিত: মার্চ ৩০, ২০২১ , ৭:০০ অপরাহ্ণ আপডেট: মার্চ ৩০, ২০২১ , ৭:০২ অপরাহ্ণ

হরতালে ঢিলেঢালার রেশ কাটিয়ে হঠাৎই জমজমাট হয়ে উঠেছে বইমেলা। ক্রেতা ও বইপ্রেমীদের ঢল নেমেছে মেলার চত্বর জুড়ে। স্টলে স্টলে উপচে পড়া ভিড়। বেচাকেনাও চলছে ভালো। স্টল মালিক আর বিক্রয়কর্মীদের মধ্যে দেখা গেছে ব্যস্ততার হাসি। মেলায় আগতদের মধ্যে আগের চেয়ে আবেগ উৎসাহ উদ্দীপনা বেড়েছে। মঙ্গলবার (৩০মার্চ) বইমেলার ১৩তম দিনে এমনই চিত্র দেখা গেছে বাংলা একাডেমি ও সোহরাওয়ার্দী উদ্যান চত্বরে। বিকেলে মেলার প্রবেশপথ খোলার পর থেকেই পদচারণা বাড়তে থাকে। সন্ধ্যা ঘনিয়ে আসার পর আরো বেড়ে যায় পাঠক আর ক্রেতাদের আনাগোনা। গোটা মেলা চত্বরই সরগরম হয়ে পড়ে।

বইমেলা চত্বরে মঙ্গলবার পাঠকদের আড্ডা। ছবি : ভোরের কাগজ

তবে অনেকেরই অভিযোগ মেলায় আগত অনেকেই কঠোরভাবে স্বাস্থ্যবিধি মানছেন না। অনেকে সঙ্গে করে মাস্ক নিয়ে এলেও তা ঠিকমত ব্যবহার করছেন না। ঝুলিয়ে রাখছেন থুতনির নিচে। এতে স্বাস্থ্যঝুঁকি কিছুটা থেকেই যাচ্ছে। পাঠক বা বইপ্রেমীরা বলছেন, তারা স্বাস্থ্যবিধি মেনেই মেলায় এসেছেন। নিজের ও অন্যের সুরক্ষার বিষয়টি তারা মাথায় রেখেছেন। যারা অসচেতন তারাই অসতর্ক আচরণ করছেন। স্টল মালিকরা বলছেন, যাদের মাস্ক পরা নেই তাদের কাছে বই বিক্রি করছেন না। এ ব্যাপারে তাদের অবস্থান কঠোর বলে দাবি করছেন।

উৎস প্রকাশনীর স্বত্বাধিকারী মোস্তফা সেলিম জানালেন, হরতালের কারণে রাস্তাঘাটে সমস্যা হওয়ায় দুয়েকদিন পাঠক বা ক্রেতারা আসতে পারেনি। তবে আজ সরকারি ছুটির দিন থাকায় পাঠক আর ক্রেতারা সব কিছু উপেক্ষা করে মেলায় ছুটে এসেছেন। সে কারণে বইয়ের বেচাকেনাও বেড়ে গেছে।

প্রথমা প্রকাশনীর বিক্রয়কর্মী নাঈমুল হক ইমন জানালেন, আজকের তিন ঘণ্টার বিক্রি গতকালের বিক্রিকে ছাড়িয়ে গেছে। গত দুদিন কিছুটা হতাশার মধ্যেই কাটে। তবে আজ ক্রেতাদের ভিড় যেমন বেড়েছে। বিক্রিও বেশ। ক্রেতারা পছন্দের বই দেখে দেখে কিনছেন।

উত্তরা থেকে মেলায় বই কিনতে আসা রিমি শারমিন জানালেন, করোনার সংক্রমণ বাড়ছে। সেজন্য অনেকেই বেরুতে ভয় পাচ্ছেন। তবে স্বাস্থ্যবিধি মেনে মেলায় আসতে বাধা নেই। আমরাও এসেছি। বইও কিনলাম। ভালোই লাগছে মেলা।

গত ১৮ মার্চ বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণ ও ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের প্রায় ১৫ লাখ বর্গফুট এলাকা জুড়ে এবারের বইমেলার আয়োজন করা হয়। একাডেমি প্রাঙ্গণে ১০৭টি প্রতিষ্ঠানকে ১৫৪টি এবং সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ৪৩৩টি প্রতিষ্ঠানকে ৬৮০টি স্টল বরাদ্ধ দেওয়া হয়েছে। সবমিলিয় এবারের বইমেলায় মোট ৫৪০টি প্রতিষ্ঠানকে ৮৩৪টি স্টল বরাদ্দ দেয়াসহ ৩৩টি প্যাভিলিয়ন রাখা হয়। এছাড়া সোহরাওয়ার্দী উদ্যান অংশে ১৩৫টি লিটলম্যাগকে স্টল বরাদ্দ ও ৫টি উন্মুক্তসহ ১৪০টি স্টল বরাদ্দ দেওয়া হয়।

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়