নিউজ ফ্ল্যাশ

আগের সংবাদ

যশোরে সাংবাদিক ও স্বাস্থ্য কর্মকর্তাদের সঙ্গে অশোভন আচরণের অভিযোগ

পরের সংবাদ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মাদ্রাসাছাত্রদের ভাংচুর, আগুন: ট্রেন চলাচল বন্ধ

প্রকাশিত: মার্চ ২৬, ২০২১ , ৮:৩৪ অপরাহ্ণ আপডেট: মার্চ ২৬, ২০২১ , ৯:৫৬ অপরাহ্ণ

স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী উপলক্ষে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে আমন্ত্রণ জানানো ও দেশের বিভিন্ন স্থানে মুসল্লিরদের ওপর হামলার প্রতিবাদে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মাদরাসা ছাত্ররা রেলস্টেশনসহ তৎসংলগ্ন এলাকায় ব্যাপক ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগ করেছে।

শুক্রবার (২৬ মার্চ) বিকেলে থেকে শহরের টি এ রোড, মঠের ঘোড়া, কুমারশীল মোড়, সদর মডেল থানা, রেলস্টেশন ও কুমিল্লা-সিলেট মহাসড়কে আগুন জ্বালিয়ে বিক্ষোভ করে মাদ্রাসা ছাত্ররা। এ সময় ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেলস্টেশন ব্যাপক ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগ করে। বন্ধ হয়ে যায় বাস, ট্রেন চলাচল।

এ ঘটনার পর থেকেই ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সঙ্গে সারাদেশের ট্রেন চলাচল বন্ধ রয়েছে। বন্ধ রয়েছে শহরের দোকানপাটসহ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান। সদর থানার চারপাশ ঘিরে রেখেছে বিক্ষুব্ধ জনতা। তার ইট-পাটকেল মেরে থানার সামনের অংশ ভাংচুর করে।

রেল স্টেশনের সিগন্যাল, মাস্টার রুম, কন্ট্রোল রুম, টিকিট কাউন্টার, প্যানেল বোর্ডসহ অন্যান্য কর্মকর্তাদের কক্ষ ব্যাপক ভাংচুর করা হয়েছে। সিগন্যাল বক্স ভেঙে ফেলায় ঢাকার সঙ্গে সিলেট ও চট্টগ্রামের ট্রেন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।

ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের বিশ্বরোড, কুমিল্লা-সিলেট মহাসড়কের ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সুহিলপুর, নন্দনপুর, মজলিশপুর, ঘাটুরাসহ বিভিন্ন স্থানে সড়কে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা হয়।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের জেলা পরিষদ, পৌর মুক্ত মঞ্চ, পৌর মার্কেটসহ বিভিন্ন স্থানে বঙ্গবন্ধুর ম্যুরাল ভেঙে ফেলে। স্বাধীনতা সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে বিভিন্ন স্থানে আলোকসজ্জা ও সড়ক সজ্জিতকরণ ব্যানার ফেস্টুন ভেঙে আগুন ধরিয়ে দেয় বিক্ষুব্ধরা।

শহরের বিভিন্ন স্থানে স্থাপন করা সিসিটিভি ক্যামেরা ভাংচুর করা হয়। বিক্ষুব্ধরা নরেন্দ্র মোদিবিরোধী শ্লোগান দেয়।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেলওয়ে স্ট্রেশনের মাস্টার শোয়েব আহমেদ বলেন, আমাদের স্টেশনে কয়েকশ মাদ্রাসা ছাত্র ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগ করেছে। পরিস্থিতি গরম হওয়ায় আপাতত রেল যোগাযোগ বন্ধ।

পুলিশ লাঠিচার্জ করে বিক্ষোভকারীদের হটিয়ে দেয়। তবে ব্রাক্ষণবাড়িয়া থানার ওসি ফোন না ধরায় গ্রেপ্তারের কোনো খবর এখনো পর্যন্ত পাওয়া যায় নি।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আনিসুর রহমানসহ বিভিন্ন উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তাদের সাড়া পাওয়া যায়নি।

এসআর

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়