জাতির উদ্দেশ্যে সন্ধ্যায় ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী

আগের সংবাদ

মতিঝিলে মোদি বিরোধীদের সংঘর্ষ, পুলিশসহ আহত ১৫

পরের সংবাদ

ডিভোর্সের পর বিয়ে: জীবনকে দ্বিতীয় সুযোগ দিন, ভালো থাকবেন

প্রকাশিত: মার্চ ২৫, ২০২১ , ১:৪৭ অপরাহ্ণ আপডেট: মার্চ ২৫, ২০২১ , ২:৫৫ অপরাহ্ণ

ডিভোর্স মানেই জীবনের শেষ নয়। ডিভোর্স মানেই ভালোবাসা ফুরিয়ে যাওয়ার নয়। কোন কারণে মতের মিল না হওয়ায় সম্পর্ক থেকে সরে এসেছেন। আর তাই নতুন করে আবারও যেমন প্রেম করতে পারেন তেমনই বিয়েও করতে পারেন।

বিচ্ছেদ যে কোনও সম্পর্কে যে কোন সময় আসতে পারে। যে কোন বিচ্ছেদই কষ্টদায়ক। কিন্তু বিয়ের পর বিচ্ছেদ একটু বেশিই কষ্টদায়ক। কারণ সমাজ, সংসার, সন্তান অনেক কিছু তখন জুড়িয়ে থাকে জীবনের সঙ্গে। বিয়ের প্রথম দিন থেকেই কেউ ভাবেন না যে বিচ্ছেদ হতে পারে। সকলেই সবকিছু মেনে নিয়ে চলার চেষ্টা করেন। কিন্তু যদি মতের মিল না হয় তখন বাধ্য হয়েই বেছে নিতে হয় ডিভোর্সের পথ। আইনি জটিলতা মানসিক ভাবেও অনেকটা বিধ্বস্ত করে দেয় মানুষকে। সেই সঙ্গে সন্তান থাকলে সেখানে সমস্যা অন্যরকম। প্রথমবারের তিক্ত অভিজ্ঞতার পর অনেকেই দ্বিতীয়বার বিয়ের পিঁড়িতে বসতে ভয় পান। কারণ আবার যদি সেই একই সমস্যা হয়? পুরনো ভয় মনে থেকেই যায়। কিন্তু জীবনে চলতে গেলে সঙ্গীর প্রয়োজন। মুখে যতই বলি না কেন সারা জীবন একা থাকা কষ্টেরই। এছাড়াও গায়ে ডিভোর্সি তকমা লাগার পর সমাজের ভয়ে অনেকেই দ্বিতীয়বার বিয়ের পিঁড়িতে বসতে ভয় পান। কিন্তু কীভাবে সামলে উঠে আবারও দ্বিতীয়বার বিয়ের কথা ভাববেন? থাকলো কিছু টিপস। খবর এই সময়ের।

ভালোবাসাকোনওঅপরাধনয়

যে কোন মানুষ যে কোন সময় প্রেমে পড়তে পারেন। কেউকে তার ভালো লাগতেই পারে। ডিভোর্স হয়ে গিয়েছে বলে তিনি আবার নতুন করে কেউকে ভালোবাসতে পারবেন না এমনটা নয়। যদি মনে হয় নতুন করে আপনি কারোর প্রেমে পড়েছেন, তার সঙ্গে মনের মিলও হচ্ছে তাহলে অবশ্যই দ্বিতীয় সুযোগ নিন। সব সময় সব অভিজ্ঞতা খারাপ হয় না।

কোনওবাধ্যবাধকতানয়, গুরুত্বদিননিজেরচাওয়াতেই

এমন কোন আইন নেই যে ডিভোর্সের পর বিয়ে করতেই হবে, নিজের মতো একা থাকা যাবে না। প্রত্যেক মানুষের নিজের মতো করে স্বাধীনতা রয়েছে। আর তাই তিনি নিজের মতো করে ভালো থাকতেই পারেন। কিন্তু একদম একা জীবন কাটানো যে কোন মানুষের পক্ষেই কষ্টকর। একজন সঙ্গীর প্রয়োজন হয়। যেখান থেকে ডিভোর্সের পর ফের বিয়ের কথা বলেন বিশেষজ্ঞরা।

একেঅপরেরপ্রয়োজনপূরণেসক্ষম

বিয়ের উদ্দেশ্যই হল একসঙ্গে মিলেমিশে থাকা। সেই সঙ্গে একে অপরের প্রয়োজনে পাশে দাঁড়ানো। কেউই কারোর উপর নির্ভরশীল নয়। কিন্তু প্রত্যেক মানুষের জীবনে একটা চাহিদা থাকে। আর সেই চাহিদা পূরণের জন্য একজনের পাশে অবশ্যই আর একজনের উপস্থিতি প্রয়োজন। যে কারণে দ্বিতীয়বার বিয়ের পরামর্শ দেওয়া হয়।

অর্থনৈতিকনিরাপত্তা

জীবনে বেঁচে থাকতে এখন প্রথম প্রয়োজন হল অর্থ। ডিভোর্সের পর সারা জীবন একা কাটাতে গেলেও অর্থের প্রয়োজন। তেমনই প্রয়োজন অর্থনৈতিক নিরাপত্তার। ধরা যাক আপনার প্রচুর অর্থ রয়েছে। সেই অর্থ কীভাবে রক্ষা করবেন বা পরবর্তীতে কী হবে তা একার পক্ষে সিদ্ধান্ত নেওয়া একটু চাপ। এক্ষেত্রে একজন সঙ্গী থাকলে অবশ্যই সুবিধা হয়।

নিজেরকিছুচাহিদাওথাকে

ডিভোর্স নানা কারণে হতে পারে। বিয়ের এক মাসের মধ্যেও অনেকের ডিভোর্স হয়ে যায়। অনেকে দেখেন তারা বিবাহিত দম্পতি হিসেবে থাকতে পারছেন না। সেখান থেকেও ডিভোর্স হয়। আর তাই মানুষের জীবনে একটা চাহিদা থেকেই যায়। মানসিক, শারীরিক উভয়ই। কখন কখন নিজের অনুভূতিগুলো প্রকাশ করার মতোও মানুষের প্রয়োজন। যে কারণে ডিভোর্সের পর দ্বিতীয়বার বিয়ের কথা বলা।

ইভূ

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়