‘মাস্ক নেই, বই বিক্রি নেই’

আগের সংবাদ

মেলার স্টলে তরুণ বই প্রেমিরা

পরের সংবাদ

এখন তালিকা নেয়া, পরে বই কেনা

প্রকাশিত: মার্চ ২৪, ২০২১ , ৯:৫৮ অপরাহ্ণ আপডেট: মার্চ ২৪, ২০২১ , ৯:৫৮ অপরাহ্ণ

করোনার কারণে অসময়ে নিয়ম রক্ষার এবারের বইমেলা জমবে কিনা এ নিয়ে সংশয়ে ছিলেন লেখক-পাঠক ও প্রকাশকরা। তবে, এর চিত্রটা একটু ভিন্নই দেখা গেল। লেখক-পাঠক ও প্রকাশকদের সকল সংশয় ও শংকা দূর করে দিয়ে প্রথম সপ্তাহের আগেই স্বশরীরে উপস্থিতির মধ্য দিয়ে এবারের অমর একুশে বইমেলাকে সফলতার পথে একধাপ এগিয়ে রেখেছে বইপ্রেমীরা। কোভিডের আতংক বইপ্রেমীদের ঘরের চারদেয়ালে বন্দি রাখতে পারেনি। স্বাস্থ্যবিধি মেনে তারা মেলায় আসছে। তালিকা সংগ্রহ করছে।

তবে বই বিকিকিনি তেমন একটা শুরু হয়নি। বরং বইয়ের তালিকা সংগ্রহেই ব্যস্ত। বিক্রয়কর্মীরাও এমন তথ্য দিলেন। সংগ্রহ করা তালিকা যাচাই বাছাই করেই পছন্দের বই কিনবেন পাঠক আর বইপ্রেমীরা। সেই সঙ্গে তারা মেলায় আসা প্রিয় লেখক বা কবির নতুন বইয়ের খোঁজ-খবরও নিচ্ছেন। এসব তালিকা বাসায় নিয়ে গিয়ে যাচাই বাছাই করে নিজেরাই তালিকা তৈরি করে কেনার জন্য মেলায় আবারো আসবেন। আর তখন থেকেই শুরু হবে পুরোদমে বইয়ের কেনাবেচা। এখন কেবল ঘোরাঘুরি আর নেড়ে চেড়ে দেখার পালা।

আজ বুধবার মেলার সপ্তম দিনে এমনই চিত্র দেখা গেছে। বাংলা একাডেমি কিংবা সোহরাওয়ার্দী উদ্যান মেলা চত্বরে পাঠক সমাগম আগের চেয়ে বেশ বেড়েছে। বিকেল তিনটায় মেলার দুয়ার খোলার পর ভিড় কিছুটা কম থাকলেও সন্ধ্যা নামার সঙ্গে সঙ্গেই বাড়তে থাকে। প্রবেশপথগুলোতে চাপ পড়ে। পাঠক-বইপ্রেমীদের পদচারণায় সরগরম হয়ে উঠছে মেলা প্রাঙ্গণ।

প্রকাশক ও বিক্রয়কর্মীরা বলছেন, সেইভাবে এখনও বেচাবিক্রি শুরু হয়নি মেলায়। এখন পর্যন্ত পাঠক বা ক্রেতারা বইয়ের তালিকা সংগ্রহ করছেন। এসব থেকে বাছাই করে শর্ট লিস্ট তৈরি করবেন তারা। এরপরই সেসব লিস্ট নিয়ে এসে কেনা শুরু করবেন। এজন্য আরো কয়েকদিন অপেক্ষা করতে হবে। এমন করোনাকালে মানুষ মেলামুখি হচ্ছে এটাই তো বড় পাওয়া।

বইমেলা ঘুরে তালিকা সংগ্রহ করছিলেন ঢাকা কলেজের ছাত্র শুভ্র আহমেদ বললেন, সমরেশ মজুমদারের বই খুঁজলাম অনেক স্টলে, কিন্তু কোথাও পেলাম না।

চাকরিজীবী শামস শুভ্র বললেন, আগে তালিকা সংগ্রহ করে দেখে নিচ্ছি কী কী বই মেলায় এসেছে। তালিকা দেখে টিক মার্ক করবো। তারপর মেলার মাঝামাঝি সময়ে এসে সংগ্রহ করব।

সুবর্ণ প্রকাশনীর বিক্রয়কর্মী আব্দুল মালেক বললেন, বইয়ের তালিকা দিতে দিতে ক্লান্ত হয়ে গেছি। কেউ বই কিনছে না। হয়ত শেষের দিকে কিনবে। গত পনের বছর ধরে তা-ই দেখছি। আগে বইয়ের তালিকা সংগ্রহ করে। পরে ধীর স্থিরভাবে দেখে কেনে।

পিআর

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়