রাজনীতির মহাকবি অনেক বার্তা দিয়ে গেছেন: মেয়র আতিক

আগের সংবাদ

কাদের মির্জার অনুসারী ৭২ জনের আগাম জামিন

পরের সংবাদ

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আগুন: পুড়েছে ৯৬০০ ঘর, দুই শিশুর মৃত্যু

প্রকাশিত: মার্চ ২২, ২০২১ , ৫:৩৯ অপরাহ্ণ আপডেট: মার্চ ২৩, ২০২১ , ১২:২৬ পূর্বাহ্ণ

কক্সবাজারের উখিয়ায় কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে নিহত হয়েছে দুই শিশু। সোমবার (২২ মার্চ) এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় আহত হয়েছে আরও শতাধিক মানুষ। ৯ হাজার ৬০০ বসতঘর পুড়ে গেছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। অগ্নিকাণ্ডে ক্যাম্পের পার্শ্ববর্তী শতাধিক স্থানীয় গ্রামবাসীর বসতবাড়িও পুড়ে গেছে। অসমর্থিত সূত্রে বলা হচ্ছে, অন্তত ছয় জন প্রাণ হারিয়েছে।

রাত ১১টায় এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত আগুন অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে এসেছে। তবে পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসেনি। ফায়ার সার্ভিসের ১০টি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে। পাশাপাশি সেনাবাহিনী, পুলিশসহ বিভিন্ন বেসরকারি সংস্থার স্বেচ্ছাসেবী কর্মীরা এতে যোগ দিয়েছে। জানা যায়, ক্যাম্পের ঘরগুলো একটার সঙ্গে আরেকটা লাগোয়া আর বাতাসের গতিবেগ থাকায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা কঠিন হয়ে পড়ে।

কক্সবাজারে অতিরিক্ত ত্রাণ ও শরণার্থী প্রত্যাবাসন কমিশনার মো. সামছু-দৌজা নয়ন বলেন, আগুন নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের ১০ ইউনিটের পাশাপাশি যোগ দিয়েছেন বিমান বাহিনীর একটি টিম, স্থানীয় সেনাবাহিনী, বিজিবিসহ অন্য বাহিনীর সদস্যরা। এছাড়া স্থানীয়রা যুক্ত হয়েছেন আগুন নেভানোর কাজে। ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি এড়াতে ক্যাম্পগুলো থেকে লোকজনকে নিরাপদে অন্যত্র সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।

তিনি আরও জানান, সোমবার বিকেল ৩টায় উখিয়ার বালুখালী ৮-ডব্লিউ রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আগুন লাগে। ক্যাম্পটির লাগোয়া ৮-এইচ, ৯, ১০ ও ১১ নম্বর ক্যাম্পেও সে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। আগুনের সূত্রপাত সম্পর্কে এখনও নিশ্চিত হওয়া সম্ভব হয়নি বলে জানান এ কর্মকর্তা।

উখিয়া ফায়ার সার্ভিসের দলনেতা ইমদাদুল হক বলেন, রাত পৌনে ১০টার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হলেও কোথাও কোথাও বিচ্ছিন্নভাবে আগুন জ্বলছে। আগুনের সূত্রপাত গ্যাস সিলিন্ডার থেকে হতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।

কক্সবাজারের ১৬ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক তারিকুল ইসলাম বলেন, এখন পর্যন্ত ক্ষতির পরিমাণ জানা যায়নি।

ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী রোহিঙ্গারা জানান, আগুন লাগার সঙ্গে সঙ্গে স্থানীয় ও রোহিঙ্গারা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হন।

রোহিঙ্গা নেতা মোহাম্মদ রফিক জানান, আগুন লাগার পর দ্রুত তা ছড়িয়ে পড়ে। বেশির ভাগ ঘর থেকে কোনো ধরনের মালামাল বের করা যায়নি।

এসএইচ

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়