পাঁচ বছর পর পর্দায় আসছে অমিতাভ-দীপিকা জুটি

আগের সংবাদ

'পঞ্চাশ বছরেও স্বাধীনতার মূলভিত্তি পূর্ণ বাস্তবায়ন হয়নি'

পরের সংবাদ

বিশ্বখ্যাত ব্যক্তিদের অ্যাকাউন্ট বন্ধে সাধারণ মানুষের মতামত নিচ্ছে টুইটার

প্রকাশিত: মার্চ ২০, ২০২১ , ১:৪১ অপরাহ্ণ আপডেট: মার্চ ২০, ২০২১ , ১:৪৪ অপরাহ্ণ

বিশ্বখ্যাত নানা ব্যক্তির টুইটার অ্যাকাউন্ট থেকে করা মন্তব্য বিদ্বেষ ছড়াচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। টুইটার নতুন নিয়ম তৈরি করতে চলছে। বিশ্বনেতাদের নানা বিতর্ক মূলক মন্তব্যের কারণে টুইটার তাদের নিষিদ্ধ করার জন্য সাধারণ মানুষের মতামত নিতে যাচ্ছে। পাশাপাশি সাধারণ মানুষের টুইটারের বিধিবন্ধ নিয়মে নেতা মন্ত্রীদেরও যুক্ত করা উচিত কিনা তা বিবেচনা করে দেখছে টুইটার কর্তৃপক্ষ।

বর্তমানে টুইটারে নানা নেতা মন্ত্রী বিতর্ক মূলক টুইট করছে। এর ফলে সাধারণ মানুষের মধ্যে একটা খারাপ প্রভাব সৃষ্টি হচ্ছে। আর এই কারনে টুইটার জনসাধারনের কাছে জানতে চায় কখন এবং কীভাবে বিশ্বনেতাদের টুইটার থেকে নিষিদ্ধ করা উচিত। টুইটারে সাধারণ মানুষের জন্য যে নীতি চালু আছে তার মধ্যে নেতাদের যুক্ত করা উচিত কিনা সেই বিষয় বিবেচনা করচে।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক এবং টুইটারে সমস্ত নেতা এবং সরকারের অফিসিয়াল অ্যাকাউন্টগুলো তদন্তের জন্য একটা নির্দিষ্ট রাস্তা তৈরি করেছে। আর এই তদন্তের কাজ শুরু হয়েছে ৬ জানুয়ারি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে পার্লামেন্টে দাঙ্গার পর থেকে। এই ঘটনার পড়ে প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অ্যাকাউন্ট বন্ধ করে দেয় টুইটার।

টুইটার ১৯ মার্চ থেকে ১২ এপ্রিল বিকেল ৫ টা পর্যন্ত সাধারণ মানুষের কাছ থেকে একটি জরিপ করবে। টুইটারের এই জরিপের বিষয় বিশ্বের নেতা মন্ত্রীদের কি একটি সাধারণ নিয়ম সাপেক্ষ হওয়া উচিত এবং সেই নিয়ম ভাঙলে তাদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেওয়া উচিক কিনা তার ওপরে।

একটি সাইটে বলা হয়েছে বিশ্বজুড়ে প্রতিক্রিয়ার জন্য আগামী দিনে এই প্রশ্ন ১৪ টি ভাষায় প্রচার করা হবে। এই ভাষাগুলি হল ইংরেজি, হিন্দি, উর্দু, আরবি, চীনা, ফারসি, ফরাসী, ইন্দোনেশিয়ান, জাপানি, কোরিয়ান, পর্তুগিজ , রাশিয়ান, স্পেনীয় এবং তাগালগ। টুইটার জানিয়েছে এই সার্ভেটি পূর্বের সরকারী সমীক্ষার পদ্ধতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।

টুইটার তাদের এই নতুন নীতির জন্য হিউম্যান রাইটস, সিভিল সোসাইটি এবং শিক্ষাবিদদের পরামর্শ নিতে চলেছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রোফাইলকে ফেসবুক জানুয়ারি মাসে বাতিল করে। ফেসবুক এই সিন্ধান্তে পরবর্তী সময়ে থাকবে কিনা তার জন্য ইন্ডিপেনডেন্ট ওভার সাইট বোর্ডের কাছে জানতে চেয়েছে। খবর কলকাতা টুয়েন্টিফোরের।

ইভূ

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়