টিকা নেওয়ার পর স্ত্রীসহ করোনায় আক্রান্ত কাজী হায়াৎ

আগের সংবাদ

মেসি-রোনালদো যুগের অবসান!

পরের সংবাদ

বসুরহাট এখনো থমথমে, অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন

প্রকাশিত: মার্চ ১১, ২০২১ , ৪:১০ অপরাহ্ণ আপডেট: মার্চ ১১, ২০২১ , ৪:২৪ অপরাহ্ণ

নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার বসুরহাট পৌরসভা চত্বরে আওয়ামী লীগের দুই পক্ষের গোলাগুলিতে যুবলীগ কর্মী মো. আলা উদ্দিন (৩২) ও চাপরাশিরহাটে সাংবাদিক বুরহান উদ্দিন মুজাক্কির নিহত হওয়ার পর গোটা কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার মানুষ আতঙ্কে রয়েছেন।

বিশেষ করে বসুরহাট পৌরসভার সাধারণ মানুষ ও ব্যবসায়ীরা স্বাভাবিক কাজকর্ম ও ব্যবসা-বাণিজ্য করতে না পেরে অসহায় অবস্থায় রয়েছেন।

এমন পরিস্থিতিতে বৃহস্পতিবার সকাল থেকে জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে বসুরহাট পৌর এলাকায় সাধারণ মানুষের জানমাল ও আইন শৃঙ্খলা রক্ষায় অতিরিক্ত ৩০০ পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

পুলিশ সুপার (এসপি) মো. আলমগীর হোসেন জানান, সাধারণ মানুষের শঙ্কা কাটানোর জন্য ৩০০ পুলিশ ও র‌্যাবের দুইটি টিম পৌর এলাকায় টহলে রয়েছে। পুলিশ বাদী হয়ে দায়ের করা মামলায় এখন পর্যন্ত ২৮ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

এদিকে বুধবার রাতে বসুরহাট পৌরসভার মেয়র আবদুল কাদের মির্জা এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানান, মঙ্গলবার (৯ মার্চ) রাত ৯টার দিকে মিজানুর রহমান বাদল, ফখরুল ইসলাম রাহাত, মাহবুবুর রশিদ মঞ্জু ও আবদুর রাজ্জাক বাহিনীর নেতৃত্বে প্রায় ৩ থেশে ৪ শত সশস্ত্র সন্ত্রাসী আমাকে ও আমার দলীয় নেতাকর্মীদের হত্যার উদ্দেশ্যে বিনা উস্কানিতে সম্পূর্ণ একতরফাভাবে আমার পৌরসভা কার্যালয়ের চারপাশ থেকে ঘিরে বৃষ্টির মতো গুলি ছুঁড়ে ও বোমা বর্ষণ করে অতর্কিত হামলা করে।

কাদের মির্জা দাবি করেন, বাদলের সশস্ত্র সন্ত্রাসীদের গুলিতে আমার ১০জন নেতাকর্মী গুলিবিদ্ধ ও ৫০ থেকে ৬০ জন নেতাকর্মী মারাত্বকভাবে আহত হয়েছে।

মঙ্গলবার রাতে বসুরহাট পৌরসভায় গুলিবর্ষণ ও হামলার ঘটনা একতরফা দাবি করে কাদের মির্জা জানান, কিছু প্রিন্ট, ইলেক্টনিক্স মিডিয়া ও সংবাদ মাধ্যম সেই রাতের ঘটনাকে দুই পক্ষের সংঘর্ষ বলে প্রচার করেছে। যা সত্যি নয়। সরেজমিনে ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত হয়ে সংবাদ প্রচারের দাবি জানান কাদের মির্জা।

মঙ্গলবার রাতে বসুরহাট পৌরসভা চত্তরে গোলাগুলির ঘটনায় গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যায় মো.আলা উদ্দিন নামের এক সিএনজি চালক। এ সময় ১৩ জন গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও ৩০ জন।

নিহত মো. আলা উদ্দিন যুবলীগের রাজনীতিতে জড়িত ছিলেন। মিজানুর রহমান বাদল তাকে নিজের কর্মী দাবি করলেও অতীতে তাকে কাদের মির্জার সঙ্গেই দেখা গেছে বলে জানান স্থানীয়রা। গোলাগুলির সময় আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের ভাই মেয়র কাদের মির্জা পৌরসভা কার্যালয়েই অবস্থান করছিলেন।

এমন পরিস্থিতিতে বসুরহাট পৌর এলাকায় বুধবার সকাল ৬টা থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত ১৪৪ ধারা কার্যকর ছিল। এতেও ওই এলাকার মানুষ স্বস্তি বোধ করছে না, এখনো তাদের আতংক কাটেনি।

এসআর

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়