মাদক ব্যবসা করে কোটিপতি বোয়ালমারীর নাইম

আগের সংবাদ

বিজেপিতে যোগ দিলেন মিঠুন চক্রবর্তী

পরের সংবাদ

৭ মার্চের ভাষণই প্রকৃত স্বাধীনতার ঘোষণা: প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত: মার্চ ৭, ২০২১ , ৬:০৩ অপরাহ্ণ আপডেট: মার্চ ৭, ২০২১ , ৬:১৭ অপরাহ্ণ

ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের সুবর্ণজয়ন্তী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, এ ভাষণই ছিল প্রকৃত স্বাধীনতার ঘোষণা। ধানমণ্ডির ৩২ নম্বর থেকেই দেশ পরিচালিত হতো। বাবা যেভাবে নির্দেশ দিতেন, সেভাবেই দেশ চলতো। দেশের সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ ছিল ধানমন্ডির ৩২ নম্বরে।

রোববার (৭ মার্চ) বিকেলে গণভবন থেকে ৭ মার্চ উপলক্ষে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালভাবে যুক্ত হন প্রধানমন্ত্রী। অনুষ্ঠানটি বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্র থেকে সরাসরি সম্প্রচার করা হয়।

অনুষ্ঠানে শেখ হাসিনা বলেন, ৭ মার্চের ভাষণে তিনি (বঙ্গবন্ধু) সব ধরনের নির্দেশনা দিয়েছেন। যে ভাষণ সারাদেশের মানুষকে জাগ্রত করতে পেরেছিল, সেই ভাষণ এক সময় বাংলাদেশে নিষিদ্ধ ছিল। আজ সেই ভাষণ জাতিসংঘের সেরা ভাষণ হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে এই ভাষণ বিভিন্ন ভাষায় অনুবাদ হচ্ছে। এটি আজ বিশ্ব ঐতিহ্যের দলিল। ইতিহাস মুছে ফেলা যায় না। সত্য আজ উদ্ভাসিত হয়েছে।

বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা বলেন, ভাষণ দিতে যাওয়ার আগে সবচেয়ে বড় ভূমিকা রেখেছিলেন আমার মা। যেকোনো ক্রান্তিলগ্নে আমার মা সঠিক সিদ্ধান্ত দিতে পারতেন। আমার মা বলেছিলেন, তোমার মনে যে কথা আসবে তুমি সে কথাই বলবে। মায়ের পরামর্শেই বাবা সেদিন এ রকম ভাষণ দিয়েছিলেন।

এর আগে অনুষ্ঠানে শিক্ষামন্ত্রী ড. দীপু মনি বলেন, এ বক্তৃতার প্রতিটি ছত্রে লিখিত রয়েছে বাঙালির সংগ্রামের চেতনা, ইতিহাস। পৃথিবীর আর কোনো ভাষণ নিয়ে লেখা হয়নি এতো কবিতা, গান। এ ভাষণ ঐতিহাসিক প্রামাণ্য দলিল হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে। বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের পথে দেশকে এগিয়ে নেওয়ার জন্য তিনি বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ধন্যবাদ জানান।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদ্‌যাপন জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটির প্রধান সমন্বয়ক কামাল আব্দুল নাসের ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের সুবর্ণজয়ন্তীর মূল প্রবন্ধ পাঠ করেন। তিনি বলেন, ৭ই মার্চ বাঙালির হাজার বছরের মহাকাব্য।

৫০ বছর আগে ঐতিহাসিক ৭ই মার্চে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান দিয়েছিলেন মুক্তির চুড়ান্ত আলটিমেটাম। অক্ষয় এ ইতিহাস স্মরণে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদ্‌যাপন জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটির সহযোগিতায় আয়োজিত হয় ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের অনুষ্ঠান।

ঐতিহাসিক ৭ই মার্চে বাংলাদেশ নামে একটি ভূখণ্ড জন্মের দীর্ঘদিনের সাধের পথরেখা রচনা হয়েছিল। তৎকালীন রেসকোর্স বর্তমানে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বাংলাদেশের অবিসংবাদিত নেতা বন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের ডাকে লাখ মানুষের জমায়েত হয়েছিল। যেখানে স্বাধীনতার ডাক দিয়েছিলেন তিনি। বলে ছিলেন, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম। এরপরই বীরদর্পে মুক্তির সংগ্রামে ঝাপিয়ে পড়েছিল বাংলার আপামর জনগণ। দীর্ঘ নয় মাসের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধে ৩০ লাখ শহীদের প্রাণের বিনিময়ে অর্জিত হয়েছিল বাংলাদেশের স্বাধীনতা।

আরআর

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়