জয়ার বাগানে হেসেছে 'নীলমণি'

আগের সংবাদ

ভারতে পালানো পুলিশ কর্মকর্তাদের ফেরত চেয়ে চিঠি মিয়ানমারের

পরের সংবাদ

আইনমন্ত্রীর সামনে সংঘর্ষের ঘটনায় আসামি ২৬৮

প্রকাশিত: মার্চ ৭, ২০২১ , ১:০১ অপরাহ্ণ আপডেট: মার্চ ৭, ২০২১ , ১:০১ অপরাহ্ণ

অবশেষে আইনমন্ত্রী আনিসুলের হকের উপস্থিতিতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলায় দুই মেয়র প্রার্থীর সংঘর্ষের ঘটনায় মামলা দায়ের হয়েছে। শনিবার (৬ মার্চ) রাতে কসবা থানা পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) আনোয়ার হোসেন বাদি হয়ে দ্রুত বিচার আইনে মামলাটি দায়ের করেন। মামলায় ১৮ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত আরও আড়াইশজনকে আসামি করা হয়েছে।

এর মধ্যে রোববার (৭ মার্চ) ভোররাতে উপজেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে ৬ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এরা হলেন- হৃদয় খান (২২), মো. কাইয়ূম (২২), মো. রাসেল (৩০), মো. রবিন (২৫), সালাউদ্দিন (২৭) ও রবিউল্লাহ (৩২)। এদের মধ্যে রবিউল্লহর বাড়ি কসবা উপজেলার নোয়াপাড়া ও বাকিদের বাড়ি তেতৈয়া গ্রামে।

কসবা থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আলমগীর ভূঁইয়া বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, শনিবার দিবাগত রাত ১২টার পর মামলাটি দ্রুত বিচার আইনে নথিভুক্ত করা হয়। ইতোমধ্যে মামলার এজহারভুক্ত ৬ আসামিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

এর আগে গত শুক্রবার (৫ মার্চ) বেলা ১১টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত কসবা উপজেলা পরিষদের সামনের সড়কে দুই মেয়র প্রার্থীর সমর্থকদের দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়। এদিন স্মার্ট কার্ড বিতরণের অনুষ্ঠানে যোগ দিতে নিজ নির্বাচনী এলাকা কসবায় আসেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক।

মন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে তাঁকে স্বাগত জানাতে কর্মী-সমর্থকদের মিছিল নিয়ে কসবা উপজেলা পরিষদে যান কসবা পৌরসভার মেয়র এমরান উদ্দিন জুয়েল ও উপজেলা যুবলীগের সভাপতি এম এ আজিজ। তারা দুজনই আসন্ন কসবা পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র পদে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী।

বেলা ১১টায় দুই মেয়র প্রার্থীর কর্মী-সমর্থকরা মিছিল নিয়ে উপজেলা পরিষদের প্রধান ফটকের সামনে দাঁড়িয়ে স্লোগান দেওয়ার সময় দুই পক্ষের মধ্যে বাকবিতণ্ডা ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এক পর্যায়ে উভয়পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।

পরে সংঘর্ষ থেমে গেলে বেলা সাড়ে ১১টায় আইনমন্ত্রী কসবা উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে যোগ দেন। অনুষ্ঠানে মন্ত্রীর বক্তব্য দেওয়ার সময় ওই দুই মেয়র প্রার্থীর সমর্থকরা আবারও সংঘর্ষে জড়ায়। এ সময় রণক্ষেত্রে পরিণত হয় কসবা উপজেলা পরিষদের সামনের সড়ক। সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অন্তত ২০ জন আহত হন। এ ছাড়া সংঘর্ষ চলাকালে বেশ কয়েকটি মোটরসাইকেল ও দোকান ভাঙচুর করা হয়। কয়েকটি মোটরসাইকেলে অগ্নিসংযোগও করে সংঘর্ষকারীরা। পরবর্তীতে মন্ত্রী ক্ষুব্ধ হয়ে অনুষ্ঠান শেষ না করেই পুলিশি প্রহরায় অনুষ্ঠানস্থল ত্যাগ করেন

পিআর

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়