দ্রোহের মার্চ স্বাধীনতার মার্চ

আগের সংবাদ

পারমিতার জগৎ

পরের সংবাদ

স্বাধীনতার মহাকাব্য

মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী

শিক্ষক ও গবেষক

প্রকাশিত: মার্চ ৫, ২০২১ , ১২:৫৭ পূর্বাহ্ণ আপডেট: মার্চ ৪, ২০২১ , ১১:২৮ অপরাহ্ণ

মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী

শিক্ষক ও গবেষক

কবি নির্মলেন্দু গুণ বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণকে ‘রাজনীতির অমর কবিতাখানি’ বলে অভিহিত করেছেন। গুণ একজন রাজনীতি-সচেতন বড়মাপের কবি। তিনি তার অবস্থান থেকে ভাষণটিকে ভ‚ষিত করেছেন। একটি জনসভায় প্রদত্ত ভাষণ কত শ্রæতিমধুর হতে পারে, কত মানুষের আবেগকে নাড়া দিতে পারে, গোটা জাতির মধ্যে তা ছড়িয়ে দিতে পারেÑ তা গুণ সাহিত্যের ব্যঞ্জনায় তুলে ধরেছেন। গত চার দশক ধরে বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণটি মানুষ অডিও-ভিডিওর কল্যাণে শুনছে, দেখছে আর অভিভ‚ত হচ্ছে। এমন হৃদয়গ্রাহী রাজনীতির ভাষণ না হলে আসলে ১৯৭১ সালে সাড়ে সাত কোটি মানুষ মুক্তিযুদ্ধে এভাবে ঝাঁপিয়ে পড়ত কি না সেই প্রশ্ন ওঠা খুবই স্বাভাবিক ব্যাপার। আজো সব স্তরের মানুষই ভাষণটি কোনো ধরনের বিরক্তি ছাড়া মনোযোগ দিয়ে শোনে, থমকে দাঁড়ায়Ñ যেমন কোনো মনকাড়া আবৃত্তি শোনার মতো। এ এক বিস্ময়কর অভিজ্ঞতা। সে কারণে ৭ মার্চের ভাষণ নিয়ে এই দিনে লেখালেখি হয়, আলোচনা হয়, এই ভাষণের মাহাত্ম্য বোঝার চেষ্টা করা হয়। সেই চেষ্টার কোনো শেষ নেই, তবে উপলব্ধির বিস্তারেও কোনো অভাব দেখা যাচ্ছে না। সবাই ভাষণটির ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট, গুরুত্ব ও তাৎপর্য বোঝার চেষ্টা করছেন। বলতে দ্বিধা নেই, সবাই স্বীকার করছেন, ৭ মার্চই বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব পূর্ববাংলার জনগণকে স্বাধীনতার মন্ত্র শুনিয়ে দিয়েছিলেন, ঘোষণা দিয়েছিলেন, সেটি অর্জন করে তবেই ঘরে ফেরার কথা বলেছিলেন।

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়