এক দূরদর্শী দিকনির্দেশনা

আগের সংবাদ

রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা

পরের সংবাদ

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার আগে যে বিষয়গুলো ভাবা দরকার

প্রকাশিত: মার্চ ৫, ২০২১ , ১২:৫৭ পূর্বাহ্ণ আপডেট: মার্চ ৪, ২০২১ , ১১:৪৪ অপরাহ্ণ

অনেক দিন ধরে বন্ধ রয়েছে শিশুদের শিক্ষালয় ও কলেজগুলো। যখন খুলবে তখন আবার ভরে উঠবে এই কলকাকলিময় স্কুল মাঠ, ক্লাসরুম, বৃক্ষশোভিত প্রাঙ্গণ। অনেক বিদ্যালয়ে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কাজও শুরু হয়েছে। কিন্তু অনেক দিন স্থাপনা পরিত্যক্ত থাকার পর সেখানে কী ধরনের ময়লা হতে পারে বা কী ধরনের স্বাস্থ্যঝুঁকি, নিরাপত্তা ঝুঁকি থাকতে পারে তার একটি জানা ফরম্যাট হাতে থাকা প্রয়োজন।

প্রতিটি বিদ্যালয়েই বিশুদ্ধ খাবার পানির ব্যবস্থা থাকে। অনেক বিদ্যালয়ে এ খাবার পানির জন্য পানির ট্যাংক থাকে। অনেক দিন অব্যবহৃত থাকার ফলে এই ট্যাংকগুলোতে জন্ম নিয়েছে বিভিন্ন ধরনের ব্যাকটেরিয়া, ফাঙ্গাস ও অন্যান্য ক্ষতিকর রোগজীবাণু। সঠিকভাবে পরিষ্কার না করে এই পানি পান করলে শিশুরা পানিবাহিত রোগে আক্রান্ত হবে। সুতরাং পানির ট্যাংক তো পরিষ্কার করতে হবেই তার সঙ্গে নিশ্চিত করতে হবে পাইপের ভেতরে জমে থাকা ময়লা পরিষ্কারও। ট্যাংকগুলো বিøচিং পাউডার ব্যবহার করে বিশুদ্ধ করা যেতে পারে। পরিষ্কারের পর অনেকবার পানি পূর্ণ করে তা ফেলে দিলে পাইপও পরিষ্কার হয়ে যাবে।

প্রতিটি রুমে যে ধরনের ধুলো জমে থাকে সেগুলো অত্যন্ত সূ² পার্টিকেল বহন করে বলে তা থেকে সর্দি বা এলার্জি জাতীয় সমস্যা দেখা দিতে পারে শিশুদের। তাই পুরো রুম ধুলামুক্ত করার জন্য শুধু শুকনোভাবে মোছা নয়, পানি দিয়ে বা জীবাণুনাশক ছিটিয়েও মোছার প্রয়োজন হবে। এতে করে যেমন রুম জীবাণুমুক্ত হবে, তেমনি পুরনো গন্ধ লেগে থাকার ভাবটাও কেটে যাবে। বাতাসে পার্টিকেল ওড়াও কমবে।

সবচেয়ে বিপজ্জনক হয়ে উঠতে পারে ইলেক্ট্রিক পয়েন্ট, সুইচ ও তারগুলো। প্রতিটি আলাদা আলাদাভাবে চেক করে নেয়া প্রয়োজন। সুইচের স্ক্রু অনেক সময় বিদ্যুতায়িত হয়ে থাকে। ফলে যে কোনো সময় ঘটতে পারে বিপদ। ফ্যান যেখানে ঝুলানো আছে সেগুলো মরিচা পড়ে নষ্ট হতে পারে, যার কারণে ফ্যান চালানোর সঙ্গে সঙ্গে সেগুলো খুলে পড়ে বিপদ ঘটতে পারে। পরীক্ষা করে নিতে হবে অগ্নিনির্বাপণ সিলিন্ডারগুলো ঠিক আছে কিনা। ওয়াকওয়ে বা হাঁটার জায়গাগুলোতে ধারালো, পেরেক বা টিনের অংশ পড়ে আছে কিনা।

প্রতিটি টয়লেট আলাদা আলাদাভাবে জীবাণুমুক্ত করাও গুরুত্বপূর্ণ। আমাদের শিশুরা যেখানে থাকবে তার সর্বোচ্চ নিরাপত্তা দেয়া আমাদের দায়িত্ব। আমার লেখাটি সবার কাছে নাও পৌঁছতে পারে। এ কারণে শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও সরকারের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও দপ্তর এ ব্যাপারে প্রজ্ঞাপন দিয়ে বা চিঠি দিয়ে প্রতিষ্ঠানগুলোকে সতর্ক করবে এটাই প্রত্যাশা।

সাঈদ চৌধুরী

শ্রীপুর গাজীপুর

[email protected]

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়