এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম

আগের সংবাদ

স্বাধীনতার মহাকাব্য

পরের সংবাদ

দ্রোহের মার্চ স্বাধীনতার মার্চ

জাফর ওয়াজেদ

কবি ও সাংবাদিক

প্রকাশিত: মার্চ ৫, ২০২১ , ১২:৫৭ পূর্বাহ্ণ আপডেট: মার্চ ৪, ২০২১ , ১১:৩৯ অপরাহ্ণ

জাফর ওয়াজেদ

কবি ও সাংবাদিক

৭ মার্চ স্বাধীনতা ও মুক্তির সংগ্রামের ঘোষণা দিয়ে তিনি দিকনির্দেশনা দিয়েছিলেন বাঙালির পথরেখা কোন দিকে। বঙ্গবন্ধুর ডাকে মানুষ বুঝে নিয়েছিল ঘরে ঘরে দুর্গ গড়ার সময় এখন। ৭ মার্চ নয়, ২৬ মার্চ প্রথম প্রহরে বঙ্গবন্ধু ঘোষণা করেছিলেন, ‘আজ থেকে বাংলাদেশ স্বাধীন।’ আর এই স্বাধীনতা ও মুক্তির জন্য প্রস্তুতি নিয়ে তৈরি হতে জনগণকে নির্দেশ দিয়েছিলেন ৭ মার্চ। বঙ্গবন্ধু কোন পরিপ্রেক্ষিতে ৭ মার্চ রেসকোর্স ময়দানে জনসভার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন, জনগণ তার কাছ থেকে সেদিন কী চেয়েছিলেন, তিনি কী দিয়েছিলেন, কেন তিনি স্বাধীনতার আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেননি; দিলে কী হতো পারত ইত্যাদি প্রশ্নের যথাযথ উত্তর জানা থাকার পরও অযথাই বিভ্রান্তির সম্ভাবনা বাড়ে। মুক্তিযুদ্ধবিরোধী, চীনাপন্থিরাও তাদের লেখায় এসব প্রসঙ্গ টেনে আনেন, এটা বুঝাতে যে, শেখ মুজিব বাংলাদেশের স্বাধীনতা চাননি। ক‚পমЂকতা তাদের স্বাভাবিক চিন্তার বিকাশকে বাধাগ্রস্ত করেছে পদে পদে। তারা কিছুতেই বুঝতে চায় না যে, প্রতিটি পদক্ষেপই যে শেখ মুজিব সতর্কভাবে ফেলেছেন, তা ইতিহাসের দিকে সুনজরে, নির্মোহ দৃষ্টিতে তাকালেই স্পষ্ট হয়। শেখ মুজিব নাশকতাকারী, বিচ্ছিন্নতাবাদী নেতা ছিলেন না। তার জীবন সংগ্রামই জানান দেয়, কখন কোন পদক্ষেপ নিতে হবে, তার সমীকরণ জানা ছিল। তাই পলাতক কাপুরুষের মতো আচরণ কখনো গ্রাস করেনি। সাহসের দৃঢ়তায় তিনি পাকিস্তানের ২৪টি বছর ধাপে ধাপে এগিয়ে অনেক জনপ্রিয় নেতাকে ডিঙ্গিয়ে জনগণের একমাত্র নেতায় পরিণত হয়েছিলেন। সাধারণ মানুষ থেকে তার অসাধারণে উত্তরণ মেনে নিতে না পারারা নানাভাবে বিরোধিতা করে আসছেন বঙ্গবন্ধুর জীবদ্দশা হতেই।

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়