আমি শিক্ষামন্ত্রীর ষড়যন্ত্রের শিকার: ভিসি কলিমুল্লাহ

আগের সংবাদ

বাংলাদেশে সর্বোচ্চ টিকা পাঠিয়েছে ভারত, গর্বিত নয়াদিল্লি: জয়শঙ্কর

পরের সংবাদ

মে মাসেই যুক্তরাষ্ট্রের সকল নাগরিক টিকা পাবে: বাইডেন

প্রকাশিত: মার্চ ৪, ২০২১ , ১:০১ অপরাহ্ণ আপডেট: মার্চ ৪, ২০২১ , ১:৩৫ অপরাহ্ণ

করোনা সংকট মোকাবিলায় আরও সক্রিয় ভূমিকা নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন প্রেসিডেন্ট বাইডেন জানিয়েছেন, মে মাসের মধ্যেই দেশের সব প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য টিকার ব্যবস্থা হয়ে যাবে। খবর ডয়চে ভেলের।

সরকারের সঠিক উদ্যোগের ফলে সুফল কী হতে পারে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র তার উদাহরন। ক্ষমতায় এসে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন জুলাই মাসের মধ্যে দেশের সব প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের জন্য টিকার ব্যবস্থা করার প্রয়াস নিয়ে ছিলেন। সামরিক বাহিনীসহ দেশের প্রায় সব সংশ্লিষ্ট সরকারি প্রতিষ্ঠানকে কাজে লাগিয়ে তাঁর প্রশাসন টিকাদান কর্মসূচিতে বাড়তি গতি আনতে পেরেছেন। এবার বেসরকারি খাতকেও ব্যবহার করে সেই জরুরি উদ্যোগের সামিল করতে সফল হলেন বাইডেন। জনসন অ্যান্ড জনসন কোম্পানির সদ্য ছাড়পত্র পাওয়া টিকার উৎপাদনে গতি আনতে প্রতিপক্ষ মার্ক কোম্পানিকেও সেই উদ্যোগের সামিল করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।

এজন্য সরকার সব রকম সহায়তার প্রস্তুতি নিয়েছে। মাত্র এক মাসের মধ্যে ১০ কোটি টিকা উৎপাদনের ব্যবস্থা করতে যাচ্ছে। ফলে মে মাসের মধ্যেই দেশের সব প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ করোনা ভাইরাসের টিকা নেবার সুযোগ পেয়ে যাবেন বলে জানিয়েছেন বাইডেন। জনসন অ্যান্ড জনসন কোম্পানির করোনা টিকার ডোজ থাকায় দ্বিগুণ গতিতে টিকাদান কর্মসূচি চালানো সম্ভব হবে বলে আশা করছে সরকার।

দেশের কঠিন সময়ে আমলাতান্ত্রিক জটিলতা আঁকড়ে ধরলে যে কাজ হয় না, বাইডেন শুরু থেকেই তা স্পষ্ট করে দিয়েছিলেন। জনসন অ্যান্ড জনসন কোম্পানির সীমিত উৎপাদন ক্ষমতার কথা জানতে পেরে টিকার ছাড়পত্র পাবার আগেই তিনি প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছিলেন। একই সাথে যুদ্ধকালীন তৎপরতা নিশ্চিত করতে ‘ডিফেন্স প্রোডাকশন অ্যাক্ট’ নামের আইনও কার্যকর করে তার প্রশাসন। সেই আইনের বলে মার্ক কোম্পানির দুটি কারখানাকে প্রতিদ্বন্দ্বী কোম্পানির টিকা উৎপাদনের জন্য প্রস্তুত করা হয়।

বাইডেন বলেন, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়ও এভাবে বিভিন্ন কোম্পানির মধ্যে সহযোগিতা গড়ে তোলা হয়েছিল। ফলে এবার ২৪ ঘণ্টা ধরে বিরামহীন উৎপাদনের মাধ্যমে অসাধ্যসাধন করা হবে। মার্ক কোম্পানি সে জন্য সরকারি দফতরের কাছ থেকে ২৬ কোটি ৮৮ লাখ ডলার পর্যন্ত পেতে পারে বলে জানিয়েছেন।

এমন সাফল্য সত্ত্বেও প্রেসিডেন্ট বাইডেন সতর্ক করে দিয়ে বলেছেন, সরকারি-বেসরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের আচরণের উপরও স্বাভাবিক হতে হবে। তারা সাবধানতা অবলম্বন করলে, তবেই আরও ক্ষয়ক্ষতি ও প্রাণহানি এড়ানো সম্ভব হবে বলে মনে করিয়ে দেন বাইডেন।

করোনা ভাইরাসের টিকা উৎপাদন মার্কিন প্রশাসন এর আগেও পদক্ষেপ নিয়েছিল। জানুয়ারি মাসে সুইজারল্যান্ডের নোভার্টিস কোম্পানি ফাইজার – বায়োনটেক কোম্পানির টিকা উৎপাদন করতে চুক্তি স্বাক্ষর করেছিল।

ইভূ

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়