বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সমন্বিত তালিকার খসড়া প্রকাশ

আগের সংবাদ

২০৫ রানেই গুটিয়ে গেল ইংল্যান্ড

পরের সংবাদ

পাঁচ জেলায় চলমান মামলার ৪২ শতাংশই যৌন নির্যাতনের

প্রকাশিত: মার্চ ৪, ২০২১ , ৬:৩৫ অপরাহ্ণ আপডেট: মার্চ ৪, ২০২১ , ৭:০০ অপরাহ্ণ

কয়েক বছর আগেও থানাগুলোতে নারীর প্রতি সহিংসতার মামলাগুলোর মধ্যে যৌতুকের মামলা বেশি হতো। এখন যৌন নির্যাতন ও ধর্ষণ সংক্রান্ত মামলা বেশি হচ্ছে। দেশের পাঁচটি জেলার (ঢাকা, সিরাজগঞ্জ, জয়পুরহাট, জামালপুর ও ঝিনাইদহ) নয়টি নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের তথ্য অনুযায়ী, এসব জেলার মোট মামলার ৪২ শতাংশই হচ্ছে যৌন নির্যাতন সংক্রান্ত। বৃহস্পতিবার (৪ মার্চ) নারী সাংবাদিকদের সঙ্গে নারীপক্ষ আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় এ তথ্য জানানো হয়।

ওই পাঁচ জেলার নয়টি নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের জানুয়ারি ২০১৯ থেকে ডিসেম্বর ২০২০ পর্যন্ত বিচারধীন মামলার তথ্য বলছে, মোট চলমান মামলার সংখ্যা ৪ হাজার ৫৪৮টি। এর মধ্যে ধর্ষণ এক হাজার ৭৬, ধর্ষণের চেষ্টায় ৪৪১টি ও যৌন নিপীড়নের ৪০৪টি সহ মোট ১ হাজার ৯২১টি মামলা। আর যৌতুকের মামলা এক হাজার ২৯৩টি। বাকি মামলা অপরহরণ, দহন, মুক্তিপণ, আত্মহত্যার প্ররোচনা ও অন্যান্য। মোট মামলার ৪২ শতাংশই হচ্ছে যৌন নির্যাতন সংক্রান্ত। চলমান মামলার হার শতকরা ৯০ দশমিক ২৯ শতাংশ। মোট সম্পন্ন হওয়া মামলার হার ৯ দশমিক ৭০ শহাংশ এবং সাজার হার শূন্য দশমিক ০৩ শতাংশ।

আন্তর্জাতিক নারী দিবসের প্রাক্কালে দিবসটি উপলক্ষে সংগঠনের কার্যালয়ে এই মতবিনিময় সভার আয়োজন করে নারীপক্ষ। এতে সংগঠনের সম্পাদক তামান্না খান, সদস্য সামিয়া আফরীন, রওশন আরা, শাহনাজ আক্তার, কামরুন নাহার, সহকারী পরিচালক সুপ্তি ডিব্রা প্রমুখ বক্তব্য দেন।

সভায় জানানো হয়, করোনাকালে দেশের কৈশোর বান্ধব স্বাস্থ্য সেবা বিঘ্নিত হয়েছে। নারীপক্ষ’র অধিকার এখানে, এখনই (আরএইচআরএন) প্রকল্পের আওতায় বরিশাল বিভাগের ৫টি জেলায় করোনাকালীন সময়ে কৈশোর বান্ধব স্বাস্থ্য সেবার অবস্থা জানার জন্য মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্র থেকে গত দুই বছরের সংগৃহিত তথ্য অনুযায়ী, ২০১৯ সালে ৪২০ জন কিশোর এবং এক হাজার ৫৬৪ জন কিশোরী সেবা নিয়েছেন। ২০২০ সালে এ সংখ্যা কমে হয়েছে যথাক্রমে ১৮৩ ও এক হাজার ১৭০ জন।

বক্তারা বলেন, সমাজের প্রতিটা স্তরে নারীর প্রতি নেতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি বিদ্যমান। আর তাই বৈষম্যহীন, মর্যাদা সম্পন্ন মানুষ হিসেবে নারীকে চিনতে, বুঝতে ও সম্মান করতে পাঠ্যক্রমসহ সবক্ষেত্রে সমন্বিত কার্যক্রম গ্রহণ করার লক্ষ্যে দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তন, আইন ও নীতিমালার সংশোধনে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে।

আরআর

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়