বিয়ে ও বিচ্ছেদ ডিজিটালাইজেশনে তামিমার সাবেক স্বামীর রিট

আগের সংবাদ

মাদ্রাসায় পতাকা উত্তোলন ও জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশনের সুপারিশ

পরের সংবাদ

নদী দখলকারীদের দ্রুত উচ্ছেদ করার সুপারিশ

প্রকাশিত: মার্চ ৪, ২০২১ , ৩:১৩ অপরাহ্ণ আপডেট: মার্চ ৪, ২০২১ , ৩:৩৪ অপরাহ্ণ

দেশের ৪০০-৪৫০ টি নদী ৫৭ হাজার দখলদারের কব্জায় চলে গেছে। যার ফলে অনেক নদী মরে গেছে বা যাচ্ছে, আবার নদীর তীর দখলকরেও অবৈধভাবে স্থাপণা বা বালি উত্তোলনের ফলে পাল্টে যাচ্ছে নদীর গতিপথ। নদীর পাড় ভরাট করে তৈরি হচ্ছে অবৈধ আবাসন, দোকানপাট , স্থাপনা। সে কারণে দেশের গুরুত্বপূর্ণ নদীগুলো দখলমুক্ত করে সেগুলোর সঠিক প্রবাহ বজায় রাখার জন্য সুপারিশ করেছে একাদশ জাতীয় সংসদের ভূমি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি।

আজ বৃহষ্পতিবার (৪ মার্চ) জাতীয় সংসদের ভূমি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির ১০ম বৈঠকে এ সুপারিশ করা হয়েছে। কমিটির সভাপতি মকবুল হোসেন-এর সভাপতিত্বে কমিটির সদস্য ও ভূমি মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী, হাবিবর রহমান, আনোয়ারুল আজীম (আনার), নেছার আহমদ, উম্মে ফাতেমা নাজমা বেগম এবং আমিনুল ইসলাম অংশগ্রহণ করেন।

বৈঠকে নদীর স্বাভাবিক গতিপথ বজায় রাখতে যে নদীগুলো পাইলিং বা পিলারের মাধ্যমে দখল হচ্ছে তা উচ্ছেদের ব্যবস্থা নেবার সুপারিশ করেছে কমিটি। এবং নদী উদ্ধার কার্যক্রমের গতি বাড়ানোর বিষয়ে প্রয়োজনে আন্তঃমন্ত্রণালয় কমিটির তৎপরতা বাড়ানোর আহ্বান জানানো হয়েছে।

বৈঠকের কার্যপত্র সূত্রে জানা গেছে, দেশে কম বেশী ৪০০-৪৫০ টি নদী রয়েছে। যা ৫৭ হাজার ৩৯০- ৫৮ হাজার দখলদারের কব্জায়। এর মধ্যে কিছু উদ্ধতার করা হয়েছে। ইতিমধ্যে এসব নদীর অনেকগুলো শুকিয়ে গেছে, অনেক নদী মরে গেছে আবার অনেক নদীর পাড় দখল করে সিমিন্ট কংক্রিটের স্ট্রাকচার বানানোর কারণে নদী সরু হয়েছে গিয়ে গতি পথ পাল্টে গেছে। যার ফলে শীত মেীসমে পানির প্রবাহ না থাকায় কৃষি কাজে বিগ্ন ঘটে। আবার বর্ষায় নদীর নাব্যতা না থাকায় বন্যা হয়। এসব নদীর গতিপথ বজায় রাখা ও নদীকে তার নিজস্ব প্রবাহে প্রবাহিত করতে যারা বালু উত্তোলন করছে, যারা নদীর পাড়ে স্থাপণা বানিয়েছে বা যারা পাইলিং বা পিলার বানিয়ে নদীর প্রবাহকে গতিরুদ্ধ করছে তাদের দ্রুত উচ্ছেদ করার জন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোকে সমন্বিত ভাবে উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনার সুপারিশ করেছে কমিটি।

এছাড়া ভাওয়ালরাজ স্টেটের জমির অধিকাংশই দখল হয়ে গেছে। যেটুকু বাকি আছে তাও সঠিখভাবে উদ্ধার ও সংরক্ষণ না করার ধীরে ধীরে তাও ভূমি দস্যুদের কবলে পড়ে যাচ্ছে। অনেক জমি নিয়ে মামলা মোকদ্দমা চলছে। এ বিষয়ে পদক্ষেপ নিতে মনোরঞ্জন শীল গোপালকে সভাপতি করে ও হাবিবর রহমান ও আনোয়ারুল আজীম (আনার) কে নিয়ে ভাওয়ালরাজ স্টেটের জমির সমস্যা সমাধানের জন্য ৩ সদস্যবিশিষ্ট একটি কমিটি গঠন করার সুপারিশ করা হয়।

বৈঠকে ডিজিটাল পদ্ধতিতে ভূমি জরিপের মাধ্যমে ৩টি সিটি কর্পোরেশন, ১টি পৌরসভা এবং ২টি গ্রামীণ উপজেলার ডিজিটাল ভূমি ব্যবস্থপনা পদ্ধতি স্থাপন প্রকল্প বাস্তবায়নের অগ্রগতি বিষয়ে আলোচনা করা হয়।

বৈঠকে এসময় ভূমি মন্ত্রণালয়ের সচিব, ভূমি আপিল বোর্ডের চেয়ারম্যান, ভূমি সংষ্কার বোর্ডের চেয়ারম্যান, ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তরের মহাপরিচালকসহ জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

ইভূ

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়