গণতন্ত্রের কানামাছি ভোঁ

আগের সংবাদ

যুবরাজের দণ্ড চান খাশোগির তুর্কি প্রেমিকা

পরের সংবাদ

করোনা টিকা সংকটে নাস্তানাবুদ হচ্ছে ইউরোপ

প্রকাশিত: মার্চ ৪, ২০২১ , ১২:৩১ পূর্বাহ্ণ আপডেট: মার্চ ৪, ২০২১ , ১২:৪৭ পূর্বাহ্ণ

কাগজ ডেস্ক : সদস্য দেশগুলোতে করোনা টিকা সরবরাহে শ্লথগতির কারণে বিরামহীন সমালোচনার তীরবিদ্ধ হচ্ছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)। উৎপাদনে বিলম্ব ও সরবরাহ ঘাটতির আশঙ্কায় করোনা টিকার রপ্তানির ওপর নিয়ন্ত্রণবিধি জারি করেছে তারা। ইউরোপে একমাত্র ব্রিটেনই তার নাগরিকদের মধ্যে গতিশীল ও সন্তোষজনক হারে করোনা টিকার প্রয়োগ নিশ্চিত করতে পেরেছে।
২০২০ সালের জুন মাসে একটি প্রকল্প হাতে নেয় ইইউ। এতে বলা হয়, ২৭টি সদস্য রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে করোনা টিকা ক্রয়ে দর কষাকষির কাজটি তারাই করবে। এতে সুবিধাটা হচ্ছে, সদস্য রাষ্ট্রগুলোকে আলাদা এ দায় নিতে হবে না। তা ছাড়া এতে দামের ক্ষেত্রেও সাশ্রয় ঘটবে বলে ধারণা করেন তারা। সদস্যরাও সায় দেয় এতে। এরপর ফাইজার-বায়োয়েনটেকের সঙ্গে ৩০ কোটি ডোজ টিকা ক্রয়ের একটি চুক্তি করে ইইউ। কিন্তু চাহিদামতো টিকা উৎপাদনে ফাইজার-বায়োয়েনটেক নিজেরাই কুলিয়ে উঠতে না পারায় সংকটে পড়ে যায় ইইউ।
কথা দিয়েও বেশ কয়েকটি সদস্য রাষ্ট্রে সময়মতো টিকা ‘ডেলিভারি’ দিতে ব্যর্থ হয় তারা। বেলজিয়ামে এসব টিকা উৎপাদন করছে ফাইজার। ইতোমধ্যে ফাইজারের কাছে টিকার চাহিদা দ্বিগুণ করেছে ইইউ। নতুন করে ৬০ কোটি ডোজ টিকার অর্ডার দিয়েছে তারা।
এসব টিকা উৎপাদনে তাদের সহায়তা দেবে ফরাসি কোম্পানি সানোফি। একই ধরনের অভিযোগ উঠেছে মডার্নার বিরুদ্ধেও।
এছাড়া ইউরোপে অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার ক্ষেত্রেও ঘটেছে একই ঘটনা। বেলজিয়াম ও নেদারল্যান্ডসে তাদের টিকা উৎপাদন কারখানায় স্বল্প উৎপাদনের কারণে ইইউর চাহিদা পূরণে ব্যর্থ হয়েছে তারাও। আপাতত সামাল দিতে সানোফি-জিএসকে, জনসন এন্ড জনসন এবং কিউরভ্যাকÑ এই তিনটি নতুন কোম্পানির করোনা টিকা ক্রয়ের প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে ইইউ। সমস্যা হচ্ছে, এসব টিকার চূড়ান্ত পর্বের ট্রায়ালই শেষ করতে পারেনি এখনো।

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়