পশ্চিমবঙ্গে আরও শক্তিশালী মমতা

আগের সংবাদ

শিল্পী জানে আলম আর নেই

পরের সংবাদ

মুশতাকের মৃত্যুতে আমিও ব্যথিত: তথ্যমন্ত্রী

প্রকাশিত: মার্চ ২, ২০২১ , ১১:০৩ অপরাহ্ণ আপডেট: মার্চ ৩, ২০২১ , ১:৩৩ পূর্বাহ্ণ

মুশতাকের মৃত্যুতে বিদেশিদের অনেক বক্তব্য শিষ্টাচার বহির্ভূত বলে মন্তব্য করেছেন তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ। তিনি বলেন, মুশতাকের মৃত্যুতে আমিও ব্যথিত।

মঙ্গলবার (২ মার্চ) সন্ধ্যায় ঢাকায় একটি জাতীয় দৈনিকের ২য় বর্ষপূর্তি অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়ের সময় এসব কথা বলেন তিনি। এসময় উপস্থিত ছলেন তথ্য প্রতিমন্ত্রী ডা. মুরাদ হাসান, আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল আলম হানিফ, উপ-প্রচার সম্পাদক আমিনুল ইসলাম আমিন, রিহ্যাব প্রেসিডেন্ট শামসুল আলামিন কাজল প্রমুখ।

কূটনীতিকদের বক্তব্য সম্পর্কে এক প্রশ্নের জবাবে ড. হাছান বলেন, মুশতাকের মৃত্যুতে আমিও ব্যথিত। এই মৃত্যু কিভাবে হয়েছে তা উদঘাটনে তদন্ত কমিটি হয়েছে। তাদের রিপোর্ট পাবার পরই বোঝা যাবে মৃত্যু কিভাবে হয়েছিল। কিন্তু এনিয়ে কিছু বিদেশি রাষ্ট্রদূতরা বিবৃতি দিলেন, তাতে কূটনৈতিক শিষ্টাচার লঙ্ঘিত হয়েছে। তাদের অনেক দেশেই অনেক মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা ঘটে, তাদের দেশেও এ আইন আছে, গ্রেপ্তার ও শাস্তি হয়।

তিনি বলেন, স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ এখন স্বনির্ভর রাষ্ট্র। আমরা নিজের টাকায় পদ্মাসেতু করেছি, কারো ওপর নির্ভরশীল নই, সুতরাং তড়িঘড়ি করে এরনের বক্তব্য দেয়া পরিহার করতে হবে।

জাতিসংঘের কোনো বিবৃতি আছে কি না এমন প্রশ্নের জবাবে ড. হাছান বলেন, বিবৃতিটি জাতিসংঘ থেকে দেয়া নয়, জাতিসংঘের মানবাধিকার কমিশনের অনেকজন কমিশনারের একজন একটি বিবৃতি দিয়েছেন। তিনি একসময় চিলির প্রেসিডেন্ট ছিলেন, সেসময়ও অনেক মানবাধিকার লংঘনের ঘটনা ঘটেছে।

মন্ত্রী কমিশনের প্রতি প্রশ্ন রেখে বলেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে যখন চরমভাবে মানবাধিকার লঙ্ঘত হয়, বছরের পর বছর বাচ্চাদেরকে বাবা-মা থেকে আলাদা করে রাখা হয়, ফ্রান্সে যখন গুলি করে নির্বিচারে মানুষ হত্যা করা হয়, গুয়ান্তামো বেতে নির্যাতন হয়, তখন কি তারা বিবৃতি দিয়েছিলেন! সুতরাং এটা আমাদের অভ্যন্তরীণ বিষয়। এতে কারো নাক গলানোর প্রয়োজন আছে বলে মনে করি না। এতে কূটনৈতিক শিষ্টাচার লঙ্ঘিত হয়।

এর আগে দৈনিক সময়ের আলো পত্রিকার ২য় বর্ষপূর্তিতে কেক কাটার পর সংক্ষিপ্ত আলোচনায় পত্রিকাটির সমৃদ্ধ ভবিষ্যৎ কামনা করে তথ্যমন্ত্রী বলেন, পত্রিকাটি স্বল্প সময়ের মধ্যেই সমাজের দর্পণ হিসেবে ভূমিকা রাখার চেষ্টায় ব্রতী হয়েছে। রাষ্ট্রের চতূর্থ স্তম্ভ হিসেবে রাষ্ট্র ও সমাজ গঠনে গণমাধ্যমের ভূমিকা অব্যাহত থাকবে। পত্রিকাটি দেশ ও মানুষকে আশার আলো দেখাবে। তথ্য প্রতিমন্ত্রী তার বক্তব্যে মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষে পত্রিকাটির অব্যাহত অগ্রযাত্রা কামনা করেন।

এমআই

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়