২০১৭ সালেই রাকিবকে তালাক দিয়েছি: তামিমা

আগের সংবাদ

সম্পত্তির লোভে মাকে খুন করে অপহরণ নাটক, লাশ উদ্ধার

পরের সংবাদ

উইঘুর মুসলিম ইস্যুতে চীনকে চাপ জাতিসংঘের

প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ২৪, ২০২১ , ৬:৩৪ অপরাহ্ণ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ২৪, ২০২১ , ৬:৪২ অপরাহ্ণ

এবার উইঘুর মুসলিমদের নিয়ে চীনের ওপর চাপ তৈরি করেছে জাতিসংঘ। মঙ্গলবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) জাতিসংঘের মানবাধিকার কাউন্সিলকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পররাষ্ট্রনীতি বিষয়ক প্রধান জোসেপ বরেল বলেছেন, চীনের উচিত উইঘুর অধ্যুষিত শিনজিয়াং প্রদেশে জাতিসংঘের স্বাধীন তদন্তকারী দলকে ঢুকতে দেওয়া। তদন্ত দল সেখানকার পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে চায়। চীন অবশ্য এ বিষয়ে এখনো কোনো মন্তব্য করেনি। যুক্তরাষ্ট্র এবং কানাডা এর আগে একই ইস্যুতে চাপ দিয়েছিল।

বহুদিন ধরেই জাতিসংঘে মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনার মিশেল ব্যাশেলেট স্বাধীন তদন্ত কমিটি গঠন করে চীনে যেতে চাচ্ছেন। উইঘুর মুসলিমদের সঙ্গে চীনের আচরণ নিয়ে রিপোর্ট তৈরি করতে চান তিনি। তবে চীন অদ্যাবধি তাতে সাড়া দেয়নি। মঙ্গলবার বরেল বলেন, তাঁরা চান, মিশেলের নেতৃত্বে একটি দল শিনজিয়াং প্রদেশে যাক। এ বিষয়ে রাজি হতে চীনকে আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

সোমবারই কানাডার পার্লামেন্টে চীন এবং উইঘুর মুসলিমদের নিয়ে একটি প্রস্তাব পাশ হয়েছে। সর্বসম্মতিক্রমে সেখানে বলা হয়েছে, চীন ‘গণহত্যা’ চালাচ্ছে। তবে ক্যানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো এবং তাঁর মন্ত্রিসভা ভোট দেওয়া থেকে বিরত থেকেছেন।

ডোনাল্ড ট্রাম্পের ক্ষমতার শেষ পর্যায়ে যুক্তরাষ্ট্রের তৎকালীন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও একই কথা বলেছিলেন। তিনিই প্রথম চীনের বিরুদ্ধে গণহত্যার অভিযোগ এনেছিলেন। এরপর পম্পেও এবং যুক্তরাষ্ট্রের বেশ কয়েকজন প্রশাসনিক কর্ম র্তার বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল চীন।

মানবাধিকার সংগঠনগুলি বহুদিন ধরেই বলে আসছে, চীন শিনজিয়াং প্রদেশে প্রায় দশ লাখ উইঘুর মুসলিমকে বন্দি করে রেখেছে। তাদের ধর্মের অধিকার, সন্তান উৎপাদনের অধিকার থেকে বঞ্চিত করা হচ্ছে। উইঘুর মুসলিমদের সঙ্গে দাসসুলভ আচরণ করা হচ্ছে। তবে চীন বরাবরই এসব অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে আসছে।

চীন না মানলেও শিনজিয়াংয়ের ক্যাম্প থেকে পালিয়ে যাওয়া উইঘুররা ভয়াবহ অত্যাচারের কথা বলেছেন। সমস্যা হলো, এখনো পর্যন্ত ওই অঞ্চলে কোনো সংগঠনকে যেতে দেয়নি চীন। সে কারণেই জাতিসংঘ চাপ সৃষ্টি করল বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

সম্প্রতি উইঘুর মুসলিমদের নিয়ে আন্তর্জাতিক আদালতেও একটি পিটিশন জমা পড়েছিল। তবে বিচারপতিরা তা গ্রহণ করেননি। তাঁরা জানিয়েছিলেন, চীন আদালতে আসবে না বলেে এর বিচার সম্ভব নয়।

আরআর

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়