আইপিএল নয়, সবার আগে দেশ: মোস্তাফিজ

আগের সংবাদ

রোনালদোর অনন্য নজির

পরের সংবাদ

৭৫-এর পর ভারত বাংলাদেশ সম্পর্ক এখন সর্বোচ্চ পর্যায়ে: দোরাইস্বামী

প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ২৩, ২০২১ , ৫:০৪ অপরাহ্ণ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ২৩, ২০২১ , ৫:৪৬ অপরাহ্ণ

বাংলাদেশ ও ভারতের নাগরিকদের সম্পর্কের ওপর জোর দিয়েছেন ঢাকায় ভারতীয় হাই কমিশনার বিক্রম দোরাইস্বামী। তিনি বলেছেন, সন্দেহ ও সংশয় দূরে রেখে একসঙ্গে চলার মধ্য দিয়ে দুই দেশ সমৃদ্ধির পথে এগোতে পারবে। ৭৫ পরবর্তী সময়ে দুই দেশের সম্পর্ক এখন সর্বোচ্চ পর্যায়ে রয়েছে। দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে বাংলাদেশ আমাদের সবচেয়ে বড় ব্যবসায়িক এবং বিশ্বের মধ্যে সবচেয়ে বড় ট্রাভেল পার্টনার। এভাবেই আমাদের সম্পর্ক এগিয়ে যাচ্ছে। মঙ্গলবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) জাতীয় প্রেস ক্লাবে ইন্ডিয়ান মিডিয়া করেসপন্ডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন, বাংলাদেশ (ইমক্যাব) আয়োজিত ‘বঙ্গবন্ধু: বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক’ শীর্ষক আলোচনা অনুষ্ঠানে ভারতের রাষ্ট্রদূত এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, আমাদের সম্পর্ক টেকসই হওয়ার মূলনীতি এরই মধ্যে তৈরি হয়ে আছে। পৃথিবী খুব দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে। পারস্পরিক সহযোগিতার ক্ষেত্রে আমরা যত দ্রুত এগোতে পারব, তত দ্রুতই আমরা একসঙ্গে সমৃদ্ধি লাভ করতে পারব।

দুই দেশের মধ্যকার সম্পর্ক কেমন হবে, তার মূলনীতি ও পথ বঙ্গবন্ধুর সময়েই তৈরি হয়ে যায় মন্তব্য করে রাষ্ট্রদূত দোরাইস্বামী বলেন, শিক্ষা, বাণিজ্য, সংস্কৃতি, চলচ্চিত্র, গণমাধ্যাম, ব্যবসায়, ভ্রমণ, পরিবহন বিভিন্ন ক্ষেত্রে দুই দেশের একসঙ্গে কাজ করার ক্ষেত্র তৈরি রয়েছে। সহযোগিতা বাড়লে উন্নতিও বাড়ে। সুতরাং আমার জন্য যেটা ভালো নয়, সেটা আপনার জন্য ভালো হবে না। আমরা যদি এটা অনুসরণ করি, তাহলে বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বের আদর্শ অনুসরণ করা হবে।

অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদ বলেন, নির্বাচন এলে বিএনপি ও কিছু দল ভারত বিরোধিতাকে সামনে এনে প্রচারণা করে। যাদের সহযোগিতা ছাড়া এ দেশের স্বাধীনতা সম্ভব ছিল না, তাদের বিরোধিতা করে! প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে বৈরিতা করে দেশের উন্নয়ন সম্ভব নয়। একথা তারা বুঝেও বোঝেন না। আবার বুঝলেও রাজনীতির স্বার্থে অপরাজনীতি করেন।

তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধুর দূরদর্শিতার কারণে ১৯৭৪ সালে ভারতের সঙ্গে মৈত্রী চুক্তি হয়েছিল। ওই চুক্তির কারণে আমরা ভারতের কাছ থেকে আমাদের ছিটমহলের অধিকার ফিরে পেয়েছি।

মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশের জনগণকে ভারতের সহযোগিতা ও তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর ভূমিকার কথা স্মরণ করে তথ্যমন্ত্রী বলেন, পাকিস্তানের জেল থেকে বঙ্গবন্ধুকে মুক্ত করতে তিনি বিশ্বব্যাপী জনমত গঠন করেছিলেন। বঙ্গবন্ধুকে যেন ফাঁসি দেওয়া না হয়, সেজন্য ৩০টির মতো দেশ সফর করেছিলেন ইন্দিরা গান্ধী।

ইমক্যাবের সভাপতি বাসুদেব ধরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে ডেইলি অবজারভার সম্পাদক ইকবাল সোবহান চৌধুরী, জাতীয় প্রেস ক্লাবের সভাপতি ফরিদা ইয়াসমিন, বিএফইউজে’র সাবেক সভাপতি মনজুরুল আহসান বুলবুল ও ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি কুদ্দুস আফ্রাদ প্রমূখ বক্তব্য দেন।

আরআর

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়